চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে জাল নোট তৈরির সরঞ্জাম ও একটি ল্যাপটপসহ মো. সজিব হোসেন (৩০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৪। আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে বাজারে জাল টাকা ছড়িয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল বলে দাবি করেছে র্যাব।
গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় মোহাম্মদপুরের হাউজিং সোসাইটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ১৮ হাজার ৯০০ টাকার জাল নোট, একটি ল্যাপটপ এবং জাল টাকা তৈরির মেশিন উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে র্যাব-৪ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) কে এন রায় নিয়তি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে, মোহাম্মদপুর এলাকায় একটি চক্র জাল টাকা তৈরি ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িত। পরে র্যাবের একটি দল অভিযান চালিয়ে সজিবকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে।
র্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সজিব নিজেকে পেশাদার জাল নোট প্রস্তুতকারী ও সরবরাহকারী হিসেবে স্বীকার করেছে বলে জানানো হয়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মোহাম্মদপুরের একটি বাসায় জাল নোট তৈরির মেশিন বসিয়ে এই কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন।
র্যাব জানায়, ফেসবুকের মাধ্যমে বরিশালের চৌমাথা এলাকার এক ব্যক্তির কাছ থেকে জাল নোট প্রিন্টের পিডিএফ ফাইল সংগ্রহ করতেন সজিব। পরে সেই ডিজাইন ব্যবহার করে বাসায় বসেই জাল টাকা ছাপাতে। ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নগদ অর্থের লেনদেন বেড়ে যাওয়ায় তিনি এই সময়টিকে জাল নোট বাজারজাতের জন্য বেছে নিয়েছিলেন।
র্যাব আরও জানায়, প্রাথমিক তদন্তে আরও জানা গেছে, সজিব ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম, সাভারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিপুল পরিমাণ জাল নোট সরবরাহ করেছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের জাল টাকা ব্যবসায়ী ও ডিলারদের সঙ্গেও তার যোগাযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
কে এন রায় নিয়তি বলেন, জাল টাকা তৈরি ও সরবরাহের অভিযোগে এর আগেও ২০২৪ সালে র্যাব-২ এর হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিল সজিব। ওই মামলায় জামিনে বেরিয়ে এসে তিনি আবারও একই অপরাধে জড়িয়ে পড়েন।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে জাল নোট তৈরির সরঞ্জাম ও একটি ল্যাপটপসহ মো. সজিব হোসেন (৩০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৪। আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে বাজারে জাল টাকা ছড়িয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল বলে দাবি করেছে র্যাব।
গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় মোহাম্মদপুরের হাউজিং সোসাইটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ১৮ হাজার ৯০০ টাকার জাল নোট, একটি ল্যাপটপ এবং জাল টাকা তৈরির মেশিন উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে র্যাব-৪ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) কে এন রায় নিয়তি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে, মোহাম্মদপুর এলাকায় একটি চক্র জাল টাকা তৈরি ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িত। পরে র্যাবের একটি দল অভিযান চালিয়ে সজিবকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে।
র্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সজিব নিজেকে পেশাদার জাল নোট প্রস্তুতকারী ও সরবরাহকারী হিসেবে স্বীকার করেছে বলে জানানো হয়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মোহাম্মদপুরের একটি বাসায় জাল নোট তৈরির মেশিন বসিয়ে এই কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন।
র্যাব জানায়, ফেসবুকের মাধ্যমে বরিশালের চৌমাথা এলাকার এক ব্যক্তির কাছ থেকে জাল নোট প্রিন্টের পিডিএফ ফাইল সংগ্রহ করতেন সজিব। পরে সেই ডিজাইন ব্যবহার করে বাসায় বসেই জাল টাকা ছাপাতে। ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নগদ অর্থের লেনদেন বেড়ে যাওয়ায় তিনি এই সময়টিকে জাল নোট বাজারজাতের জন্য বেছে নিয়েছিলেন।
র্যাব আরও জানায়, প্রাথমিক তদন্তে আরও জানা গেছে, সজিব ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম, সাভারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিপুল পরিমাণ জাল নোট সরবরাহ করেছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের জাল টাকা ব্যবসায়ী ও ডিলারদের সঙ্গেও তার যোগাযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
কে এন রায় নিয়তি বলেন, জাল টাকা তৈরি ও সরবরাহের অভিযোগে এর আগেও ২০২৪ সালে র্যাব-২ এর হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিল সজিব। ওই মামলায় জামিনে বেরিয়ে এসে তিনি আবারও একই অপরাধে জড়িয়ে পড়েন।