Advertisement Banner

সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল নিজেই আইসিইউতে

সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল নিজেই আইসিইউতে
রাজধানীর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল। ছবি: চরচা

‘দেশেই মিলবে বিশ্বমানের চিকিৎসা’–এই প্রত্যয়ে ২০২২ সালে উদ্বোধন হয় রাজধানীর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল। কিন্তু শুরু থেকেই দুর্নীতি, নিয়োগ জটিলতায় জনবল সংকট, প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতার মতো রোগে আক্রান্ত হাসপাতালটি। বিশ্বমান তো দূর, এখন সেবা দেওয়াই কঠিন হয়ে পড়েছে হাসপাতালটিতে। সব মিলিয়ে হাসপাতালটি নিজেই নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে আছে–বললেও অত্যুক্তি হবে না।

জনবল সংকট, জটিল নিয়োগ প্রক্রিয়া ও প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতার কারণে আক্ষরিক অর্থেই থমকে আছে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা। হাসপাতালটিতে আধুনিক অবকাঠামো ও বিশ্বমানের যন্ত্রপাতি থাকলেও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় সেবা চলছে সীমিত পরিসরে।

হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদ্যমান সরকারি বেতন কাঠামো ও প্রশাসনিক ধীরগতি কাটিয়ে উঠতে না পারলে হাসপাতালটিকে প্রকৃত অর্থে সুপার স্পেশালাইজড পর্যায়ে নেওয়া কঠিন হবে।

হাসপাতালটি পরিচালিত হচ্ছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) অধীনে। ৭৫৮ শয্যাবিশিষ্ট এই হাসপাতালে রয়েছে ১৪টি মডিউলার অপারেশন থিয়েটার ও ১০০টি আইসিইউ শয্যা। অবকাঠামোগতভাবে এটি দেশের জটিল ও দুরারোগ্য ব্যাধির চিকিৎসায় একটি বড় সংযোজন হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা জানান, হাসপাতালটিতে পাঁচটি সুপার স্পেশালাইজড সেন্টার রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে লিভার সেন্টার, যেখানে জটিল লিভার রোগের চিকিৎসা ও লিভার ট্রান্সপ্লান্ট করা হয়। কিডনি-সংক্রান্ত জটিলতা ও কিডনি ট্রান্সপ্লান্টের সুবিধা আছে ভিন্ন একটি সেন্টারে। মা ও শিশু সেন্টারে উচ্চঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা ও জটিল গাইনি-সংক্রান্ত চিকিৎসা দেওয়া হয়।

অ্যাক্সিডেন্ট ও ট্রমা সেন্টারে দুর্ঘটনাজনিত গুরুতর আঘাতের চিকিৎসা ও জরুরি সার্জারি করা হয় এবং কার্ডিওভাসকুলার অ্যান্ড সিবিডি সেন্টারে হৃদরোগ ও মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত রোগের বিশেষায়িত চিকিৎসা দেওয়া হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালটির দ্বিতীয় তলায় ২০৪ নম্বর কক্ষে রয়েছে ডায়ালাইসিস ও কিডনি স্থাপন বিভাগ। সেখানে ডায়ালাইসিস করার জন্য ২৫টি মেশিন থাকলেও পরিচালনার জন্য নেই হাসপাতালের নিজস্ব কোনো চিকিৎসক বা নার্স। ফলে বিভাগটি পরিচালনা করছে বিএমইউ হাসপাতালের (সাবেক পিজি হাসপাতাল) চিকিৎসক-নার্সরা। রোগীদের অভিযোগ, বিএমইউ-এর ডাক্তাররা কেবল তাদের রোগীদেরই চিকিৎসা দিচ্ছেন।

এই হাসপাতালে আইসিইউ বিভাগে ভর্তি এক রোগীর স্বজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে চরচাকে বলেন, “আমরা গত কয়েকদিন ধরে এই হাসপাতালে ভর্তি আছি। একদিন পরপর আমার রোগীর ডায়ালাইসিস করা প্রয়োজন। অথচ গত এক সপ্তাহে মাত্র একবার ডায়ালাইসিস করা হয়েছে।”

ডায়ালাইসিস বিভাগের একজন নার্স নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “এই হাসপাতালের চিকিৎসক-নার্স নেই। তাই সি-ব্লক (বিএমইউ হাসপাতাল) থেকে চিকিৎসক-নার্সরা তাদের রোগী এনে এখানে ডায়ালাইসিস করাচ্ছেন। কর্তৃপক্ষের নির্দেশে এখানের রোগীদের ডায়ালাইসিস বন্ধ রয়েছে।”

দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা

বিগত সময়ে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালটি নিয়ে ব্যাপক দুর্নীতি, অনিয়ম ও প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনার অভিযোগে উঠেছে। ‘দেশেই মিলবে বিশ্বমানের চিকিৎসা’–এই প্রত্যয়ে ২০২২ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর হাসপাতালটির উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ–লোকবল নিয়োগে অনিয়ম, চুক্তি বাস্তবায়নে ব্যর্থতা এবং প্রশাসনিক স্বেচ্ছাচারিতার কারণে হাসপাতালটি কার্যত অচল অবস্থায়ই থেকে গেছে।

প্রায় ১৮০০ কোটি টাকা অর্থায়নে হাসপাতালের নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৮ সালে। ২০২৩ সালের জুনে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ২০২২ সালে তড়িঘড়ি করে এটি উদ্বোধন করা হয়। হাসপাতালটি নির্মাণ ও যন্ত্রপাতি ক্রয়ের জন্য চুক্তি অনুযায়ী এক হাজার কোটি টাকা ঋণ দেয় কোরিয়া। বর্তমানে প্রায় ২৮৩ কোটি টাকার অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতির বড় অংশ ব্যবহার না হওয়ায় নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে বলেও জানা গেছে।

রাজধানীর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের ভেতরের চিত্র। ছবি: চরচা
রাজধানীর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের ভেতরের চিত্র। ছবি: চরচা

সংশ্লিষ্টরা জানান, চুক্তি অনুযায়ী কোরিয়ার ৫৬ জন বিশেষজ্ঞের দুই বছর প্রশাসন ও চিকিৎসাসেবা পরিচালনার কথা থাকলেও তা হয়নি। সাবেক উপাচার্য মো. শারফুদ্দিন আহমেদের সময় নিয়োগ, পদোন্নতি ও কেনাকাটায় ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। একাধিক চিকিৎসক দাবি করেন, সেই সময়ে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতো এবং ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ এগোত না। এসব অভিযোগে ২০২৪ ও ২০২৫ সালে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) একাধিকবার অভিযানও চালিয়েছে হাসপাতালটিতে। এখনো তদন্ত চালাচ্ছে সংস্থাটি।

আটকে আছে নিয়োগ

হাসপাতাল সূত্র জানায়, এখন পর্যন্ত প্রায় ২০ জন চিকিৎসক নিয়োগ পেলেও যোগ দিয়েছেন মাত্র আটজন। নেই পূর্ণকালীন কনসালট্যান্ট বা বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের পর্যাপ্ত চিকিৎসক। ফলে ইনডোর ও আউটডোরে সীমিত সেবা দেওয়া হচ্ছে। পাশের বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল থেকে অধ্যাপক ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের অনুরোধ করে এনে অনেক ক্ষেত্রে সেবা চালু রাখতে হচ্ছে।

হাসপাতালের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে চরচাকে বলেন, “এই হাসপাতালের ধারণা ছিল ভিন্ন। এটি প্রকল্পভিত্তিক হলেও ধীরে ধীরে স্বনির্ভর ও আধুনিক ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হওয়ার কথা। কিন্তু নিয়োগ প্রক্রিয়া ও বেতন কাঠামো নিয়ে স্পষ্ট নীতিমালা না থাকায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা আগ্রহী হচ্ছেন না।”

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, “সরকারি স্কেলে একজন বিশেষজ্ঞ দেড়-দুই লাখ টাকা বেতন পান। কিন্তু বাইরে একটি জটিল অপারেশন করেই তিনি ৫০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা আয় করতে পারেন। তাহলে কেন তিনি ২৪ ঘণ্টা দায়িত্বে থেকে এখানে ফুল-টাইম কাজ করবেন? এ প্রশ্নের উত্তর নীতিগতভাবে না দিলে সংকট কাটবে না।”

তিনি আরও বলেন, ‘‘হাসপাতালটি এখনই বিএমইউ-এর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চলছে। ফলে কোনো একটি সিদ্ধন্ত নেওয়া জন্য মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হয়। এটা হলো একটি জরুরি চিকিৎসা সেবাকেন্দ্র। এখানে সবকিছু তাৎক্ষণিকভাবে করা প্রয়োজন।’’

২৪ ঘণ্টা সেবার কাঠামো নেই

সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের বৈশিষ্ট্যই হলো–নির্দিষ্ট জটিল রোগের জন্য কেন্দ্রভিত্তিক সমন্বিত সেবা এবং ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসা কার্যক্রম। এখানে লিভার ট্রান্সপ্লান্ট, কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট, কার্ডিয়াক সার্জারি, স্টেন্টিং, পিসিআইসহ উচ্চতর চিকিৎসা দেওয়ার সক্ষমতা থাকলেও নেই চিকিৎসক। গত দেড় বছরে মাত্র দুটি লিভার ট্রান্সপ্লান্ট হয়েছে।

অন্য সরকারি হাসপাতালের মতো নির্দিষ্ট সময়ভিত্তিক অফিস কাঠামো দিয়ে এ ধরনের প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা সম্ভব নয়। একজন লিভার ট্রান্সপ্লান্ট রোগীর ক্ষেত্রে শুধু অপারেশন নয়, রোগী নির্বাচন, প্রাক-অস্ত্রোপচার প্রস্তুতি, অস্ত্রোপচার এবং দীর্ঘমেয়াদি ফলো-আপ মিলিয়ে কয়েক মাসের নিবিড় সম্পৃক্ততা প্রয়োজন। এ জন্য পূর্ণকালীন বিশেষজ্ঞ টিম দরকার।

হাসপাতালের এক বিভাগীয় প্রধান নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “আমরা অবকাঠামোগতভাবে প্রস্তুত। কিন্তু জনবল ছাড়া এই প্রস্তুতি অর্থহীন হয়ে পড়ে। একটি আইসিইউ-সমৃদ্ধ হাসপাতালে তিন শিফটে ২৪ ঘণ্টা সেবা দিতে হলে যে পরিমাণ চিকিৎসক ও নার্স দরকার, তা এখনো নিশ্চিত হয়নি।”

প্রয়োজন আড়াই হাজার জনবল, আছে শতাধিক

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের হিসাব অনুযায়ী, পূর্ণাঙ্গভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজন প্রায় ২৫০ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ৬০০-এর বেশি নার্স। চিকিৎসক-নার্স-স্টাফ মিলিয়ে প্রায় আড়াই হাজার জনবল প্রয়োজন। অথচ বর্তমানে রয়েছে এক শ’র কিছু বেশি কর্মী। ফলে ১০০ আইসিইউ শয্যার মধ্যে চালু আছে মাত্র ১৯টি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা বলেন, “আমাদের অবকাঠামো ৭৫৮ শয্যার। কিন্তু জনবল না থাকায় সব বেড চালু করা যাচ্ছে না। এতে রোগী ভর্তি সীমিত রাখতে হচ্ছে।”

প্রশাসনিক জটিলতা বড় বাধা

হাসপাতালের একটি সাধারণ চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনার অনুমোদন পেতেও কয়েক মাস সময় লাগছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, যেখানে দুদিনের মধ্যে অনুমোদন প্রয়োজন, সেখানে বর্তমানে সাত মাস থেকে দুই বছর পর্যন্ত গড়াচ্ছে। প্রতিটি কেনাকাটায় বিএমইউ-এর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ট্রেজারার ও উপাচার্যের অনুমোদন প্রয়োজন হচ্ছে। ফলে সময় গড়াচ্ছে, অথচ কাজ হচ্ছে না।

একজন চিকিৎসক বলেন, “একটি সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে প্রতিদিন জটিল অপারেশন হওয়ার কথা। সেখানে জরুরি সরঞ্জাম কিনতে যদি দীর্ঘ পিপিআর প্রক্রিয়ায় আটকে থাকতে হয়, তাহলে তাৎক্ষণিক সেবা ব্যাহত হওয়াটাই স্বভাবিক। এ কাঠামো ইমারজেন্সি-ভিত্তিক হাসপাতালের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।”

স্বায়ত্তশাসনের প্রস্তাব আটকে আছে

প্রাথমিক পরিকল্পনায় হাসপাতালটিকে আংশিক স্বায়ত্তশাসিত মডেলে পরিচালনার প্রস্তাব ছিল। তিন বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক সিইও নিয়োগ, নির্দিষ্ট আর্থিক ও সেবামূলক লক্ষ্য নির্ধারণ, নিজস্ব ক্রয়ক্ষমতা, শক্তিশালী অডিট ও জবাবদিহিমূলক কাঠামো–এমন একটি রূপরেখা তৈরি করা হয়েছিল।

একটি গভর্নিং বডি গঠনের কথাও ছিল, যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি ছাড়াও বাইরের বিশেষজ্ঞ ও চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন ভিসির কাছে হাসপাতালের নিয়োগ কাঠামো এবং প্রতিষ্ঠানটির স্বায়ত্তশাসন নিয়ে সরকারের কাছে আবেদন করা হবে।

হাসপাতালের একজন নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের কর্মকর্তা বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থেকে সম্পূর্ণ আলাদা কাঠামো চালু করা নিয়ে মতবিরোধ আছে। কিন্তু সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালকে সাধারণ প্রশাসনিক কাঠামোয় চালালে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া কঠিন।”

নিয়োগ ও বেতন কাঠামো: মূল সংকট

বর্তমানে বিসিএস ক্যাডার চিকিৎসকেরা নির্দিষ্ট সরকারি স্কেলে বেতন পান। কিন্তু সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে যদি চিকিৎসকদের ১০০ শতাংশ সময় দিতে হয়, তাহলে আলাদা বেতন কাঠামো ও প্রণোদনা প্রয়োজন বলে মত সংশ্লিষ্টদের।

এই হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. আহাদুল্লা বলেন, “অপারেশন বা সেবার বিপরীতে নির্দিষ্ট শতাংশ প্রণোদনা দিলে চিকিৎসকরা উৎসাহিত হবেন। না হলে দক্ষ জনবল ধরে রাখা কঠিন হবে।”

আহাদুল্লা প্রশ্ন তোলেন, “শুধু সরকারি স্কেলে বেতন দিয়ে কি এ ধরনের হাসপাতাল টেকসইভাবে পরিচালনা সম্ভব? নাকি বিশেষ বিধিমালা করে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের সুযোগ রাখতে হবে?”

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে হাসপাতালটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. সাইফ উল্লাহ মুন্সী চরচা’কে বলেন, “নানা প্রশাসনিক ও প্রক্রিয়াগত জটিলতার কারণে সুপার স্পেশালাইজড চিকিৎসাসেবা পুরোপুরি গতিশীল করা যাচ্ছে না। বিশেষ করে চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য জনবল নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কিছু কাঠামোগত জটিলতা রয়েছে, যা দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে। এসব নিয়ে একাধিকবার সিন্ডিকেট সভায় আলোচনাও হয়েছে।”

পরিচালক আরও বলেন, “হাসপাতালের জন্য একটি স্বতন্ত্র নিয়োগ কাঠামো ও বিধিবিধান প্রণয়ন করা হয়েছে।” এসব প্রশাসনিক জটিলতার দ্রুত সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন পরিচালক।

সম্পর্কিত