চরচা ডেস্ক

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের পঙ্খীরাজ নদীসহ স্থানীয় অন্যান্য নদী-খাল রক্ষা এবং জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ শুক্রবার সকালে সোনারগাঁও প্রেস ক্লাব কার্যালয়ে এই সভার আয়োজন করা হয়।
সংগঠনের আহ্বায়ক, কবি ও প্রাবন্ধিক শাহেদ কায়েসের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব রবিউল হুসাইনের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন স্থানীয় বিশিষ্ট লেখক, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক কর্মীবৃন্দ।
সভায় বক্তারা সোনারগাঁয়ের নদী ও খালগুলোর বর্তমান করুণ দশা তুলে ধরে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
সোনারগাঁয়ে একসময় শতাধিক খাল থাকলেও মাত্র কয়েক দশকের ব্যবধানে তার অধিকাংশই অবৈধ দখলদারদের কবলে চলে গেছে। সচল থাকা খালগুলোতেও বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের রাসায়নিক ও দূষিত বর্জ্য অবাধে ফেলা হচ্ছে, যা পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করছে।
নদী-খাল ভরাট ও সংকুচিত হয়ে পড়ার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো সোনারগাঁও জুড়ে চরম জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে, যার ফলে সাধারণ মানুষকে পোহাতে হচ্ছে সীমাহীন দুর্ভোগ। সোনারগাঁওয়ের তিন পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া মেঘনা, শীতলক্ষ্যা ও ব্রহ্মপুত্রের মধ্যে শীতলক্ষ্যা ও ব্রহ্মপুত্র ইতোমধ্যে দখল-দূষণে বিপর্যস্ত। একমাত্র মেঘনার প্রবাহ কোনো রকমে স্বাভাবিক থাকলেও সেটিও এখন তীব্র দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে।
আলোচনা সভায় বক্তারা স্থানীয় প্রশাসন এবং সরকারের কাছে অবিলম্বে সোনারগাঁওয়ের সমস্ত নদী ও খাল খনন, সীমানা নির্ধারণ এবং অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে তা পুনরুদ্ধারের দাবি জানান।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক কবি রহমান মুজিব, লেখক ও সাংবাদিক মিজানুর রহমান, সোনারগাঁও সাহিত্য নিকেতনের সভাপতি আসমা আখতারী, উপদেষ্টা মতিউর রহমান, উদীচী শিল্পগোষ্ঠী সোনারগাঁও শাখার সভাপতি শংকর প্রকাশ, লেখক মোয়াজ্জেনুল হক, সোনারগাঁও সাহিত্য নিকেতনের অর্থ সম্পাদক সেলিম আহমেদ প্রধান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোফাখখার সাগর, সাংবাদিক এরশাদ হুসাইন অন্য এবং কামরুল ইসলাম পাপ্পুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের পঙ্খীরাজ নদীসহ স্থানীয় অন্যান্য নদী-খাল রক্ষা এবং জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ শুক্রবার সকালে সোনারগাঁও প্রেস ক্লাব কার্যালয়ে এই সভার আয়োজন করা হয়।
সংগঠনের আহ্বায়ক, কবি ও প্রাবন্ধিক শাহেদ কায়েসের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব রবিউল হুসাইনের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন স্থানীয় বিশিষ্ট লেখক, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক কর্মীবৃন্দ।
সভায় বক্তারা সোনারগাঁয়ের নদী ও খালগুলোর বর্তমান করুণ দশা তুলে ধরে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
সোনারগাঁয়ে একসময় শতাধিক খাল থাকলেও মাত্র কয়েক দশকের ব্যবধানে তার অধিকাংশই অবৈধ দখলদারদের কবলে চলে গেছে। সচল থাকা খালগুলোতেও বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের রাসায়নিক ও দূষিত বর্জ্য অবাধে ফেলা হচ্ছে, যা পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করছে।
নদী-খাল ভরাট ও সংকুচিত হয়ে পড়ার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো সোনারগাঁও জুড়ে চরম জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে, যার ফলে সাধারণ মানুষকে পোহাতে হচ্ছে সীমাহীন দুর্ভোগ। সোনারগাঁওয়ের তিন পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া মেঘনা, শীতলক্ষ্যা ও ব্রহ্মপুত্রের মধ্যে শীতলক্ষ্যা ও ব্রহ্মপুত্র ইতোমধ্যে দখল-দূষণে বিপর্যস্ত। একমাত্র মেঘনার প্রবাহ কোনো রকমে স্বাভাবিক থাকলেও সেটিও এখন তীব্র দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে।
আলোচনা সভায় বক্তারা স্থানীয় প্রশাসন এবং সরকারের কাছে অবিলম্বে সোনারগাঁওয়ের সমস্ত নদী ও খাল খনন, সীমানা নির্ধারণ এবং অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে তা পুনরুদ্ধারের দাবি জানান।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক কবি রহমান মুজিব, লেখক ও সাংবাদিক মিজানুর রহমান, সোনারগাঁও সাহিত্য নিকেতনের সভাপতি আসমা আখতারী, উপদেষ্টা মতিউর রহমান, উদীচী শিল্পগোষ্ঠী সোনারগাঁও শাখার সভাপতি শংকর প্রকাশ, লেখক মোয়াজ্জেনুল হক, সোনারগাঁও সাহিত্য নিকেতনের অর্থ সম্পাদক সেলিম আহমেদ প্রধান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোফাখখার সাগর, সাংবাদিক এরশাদ হুসাইন অন্য এবং কামরুল ইসলাম পাপ্পুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।