চরচা ডেস্ক

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) সহায়ক কর্মীদের ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘ডিজিটাল সিটিজেনশিপ অ্যান্ড মিসইনফরমেশন অ্যাওয়ারনেস ট্রেনিং ২০২৬’ শীর্ষক একটি বিশেষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গতকাল রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা, মিডিয়া ও যোগাযোগ বিভাগের মিডিয়া ল্যাবে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
বিভাগের ১৫ জন শিক্ষার্থী তাদের ‘কমিউনিটি অ্যাকশন প্রজেক্ট’-এর অংশ হিসেবে এই উদ্ভাবনী উদ্যোগটি গ্রহণ ও পরিচালনা করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সহায়ক কর্মীদের দৈনন্দিন ডিজিটাল জীবনের নিরাপত্তা ও সচেতনতা বৃদ্ধিই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
চারটি বিশেষ মডিউলে বিভক্ত এই প্রশিক্ষণে সহায়ক কর্মীদের হাতে-কলমে শিক্ষা দেওয়া হয়। কর্মশালায় আলোচিত ইন্টারনেট নিরাপত্তা, ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট এবং ব্যক্তিগত তথ্য চুরির ঝুঁকি সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়। বিশেষ করে মোবাইল আর্থিক সেবায় প্রতারণা এবং ভুয়া লটারি জেতার বার্তার মাধ্যমে সাধারণ মানুষ যেভাবে প্রতারিত হয়, সে বিষয়ে কর্মীদের সতর্ক করা হয়।
পাশাপাশি, শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরির কৌশল ও ডিজিটাল অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখার উপায় শেখানো হয়। মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন মোকাবিলায় তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা যাচাই এবং সঠিক উৎস চেনার পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
অন্যদিকে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি করা ভুয়া কনটেন্ট শনাক্তকরণ এবং সাইবার বুলিংয়ের শিকার হলে ব্লক করা, রিপোর্ট করা ও প্রমাণ সংরক্ষণের মতো বাস্তবমুখী পরামর্শ দেওয়া হয়।
উদ্যোগের প্রশংসা করে সাংবাদিকতা, মিডিয়া ও যোগাযোগ বিভাগের প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক ড. আফতাব হোসেন বলেন, “সাংবাদিকতার শিক্ষার্থীরা ডিজিটাল নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতন হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহায়ক কর্মীদের এ বিষয়ে জানার সুযোগ তুলনামূলকভাবে কম। তাই তাদের জন্যই এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে।”
কর্মশালাটি বাস্তবায়নে পৃষ্ঠপোষকতা করেছে ব্রিটিশ কাউন্সিল এবং ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব)। আয়োজন সহযোগী হিসেবে সার্বিক সহায়তা প্রদান করেছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) সহায়ক কর্মীদের ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘ডিজিটাল সিটিজেনশিপ অ্যান্ড মিসইনফরমেশন অ্যাওয়ারনেস ট্রেনিং ২০২৬’ শীর্ষক একটি বিশেষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গতকাল রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা, মিডিয়া ও যোগাযোগ বিভাগের মিডিয়া ল্যাবে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
বিভাগের ১৫ জন শিক্ষার্থী তাদের ‘কমিউনিটি অ্যাকশন প্রজেক্ট’-এর অংশ হিসেবে এই উদ্ভাবনী উদ্যোগটি গ্রহণ ও পরিচালনা করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সহায়ক কর্মীদের দৈনন্দিন ডিজিটাল জীবনের নিরাপত্তা ও সচেতনতা বৃদ্ধিই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
চারটি বিশেষ মডিউলে বিভক্ত এই প্রশিক্ষণে সহায়ক কর্মীদের হাতে-কলমে শিক্ষা দেওয়া হয়। কর্মশালায় আলোচিত ইন্টারনেট নিরাপত্তা, ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট এবং ব্যক্তিগত তথ্য চুরির ঝুঁকি সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়। বিশেষ করে মোবাইল আর্থিক সেবায় প্রতারণা এবং ভুয়া লটারি জেতার বার্তার মাধ্যমে সাধারণ মানুষ যেভাবে প্রতারিত হয়, সে বিষয়ে কর্মীদের সতর্ক করা হয়।
পাশাপাশি, শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরির কৌশল ও ডিজিটাল অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখার উপায় শেখানো হয়। মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন মোকাবিলায় তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা যাচাই এবং সঠিক উৎস চেনার পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
অন্যদিকে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি করা ভুয়া কনটেন্ট শনাক্তকরণ এবং সাইবার বুলিংয়ের শিকার হলে ব্লক করা, রিপোর্ট করা ও প্রমাণ সংরক্ষণের মতো বাস্তবমুখী পরামর্শ দেওয়া হয়।
উদ্যোগের প্রশংসা করে সাংবাদিকতা, মিডিয়া ও যোগাযোগ বিভাগের প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক ড. আফতাব হোসেন বলেন, “সাংবাদিকতার শিক্ষার্থীরা ডিজিটাল নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতন হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহায়ক কর্মীদের এ বিষয়ে জানার সুযোগ তুলনামূলকভাবে কম। তাই তাদের জন্যই এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে।”
কর্মশালাটি বাস্তবায়নে পৃষ্ঠপোষকতা করেছে ব্রিটিশ কাউন্সিল এবং ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব)। আয়োজন সহযোগী হিসেবে সার্বিক সহায়তা প্রদান করেছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।