চরচা ডেস্ক

‘সরকারি ছুটি’ শব্দটি শুনলেই চাকরিজীবীদের মনের ভেতর এক সুখের অনুভূতি কাজ করে। একঘেয়ে কর্মজীবনে এক বা দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটির বাইরে এই সরকারি ছুটি যেন হাতে চাঁদ পাওয়ার মতো।
সরকারি ছুটির এই ধারণা দেশভেদে যেমন ভিন্ন, তেমনই ছুটির সংখ্যা ও উপলক্ষও আলাদা। সম্প্রতি সবচেয়ে বেশি ও কম সরকারি ছুটি থাকে, এমন ১৯০টি দেশের তালিকা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠান পিউ রিসার্চ সেন্টার।
তাদের তথ্যমতে, ২০২৬ সালে সাপ্তাহিক ছুটির বাইরে বিভিন্ন উপলক্ষে ৩০ দিন সরকারি ছুটি রয়েছে মিয়ানমারে। ছুটির এই সংখ্যা নিয়ে দেশটি আছে তালিকার প্রথমে। এরপরই আছে বাংলাদেশের নাম। চলতি বছরে ২৯টি সরকারি ছুটি নিয়ে তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে বাংলাদেশ।
তারপর ২৫ দিন ছুটি নিয়ে তালিকায় আছে শ্রীলঙ্কার নাম। এরপর আছে কম্বোডিয়া, ইরান ও লেবানন। এ দেশগুলোর বছরে সরকারি ছুটির সংখ্যা ২০ দিনের বেশি। নেপালে সরকারি ছুটি বেশি থাকলেও চলতি বছরের ছুটির তালিকা এখনো প্রকাশ করেনি দেশটি।
পিউ রিসার্চ সেন্টারের মতে, সবচেয়ে কম সরকারি ছুটি কাটান সুইজারল্যান্ড, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা এবং উরুগুয়ের চাকরিজীবীরা।
সুইজারল্যান্ডে ফেডারেল পর্যায়ে প্রযুক্তিগতভাবে মাত্র একটি সরকারি ছুটি রয়েছে। সেটি হলো ১ আগস্টের সুইস ন্যাশনাল ডে। তবে দেশটির ২৬টি ক্যান্টন নিজেদের মতো করে অন্যান্য ছুটি নির্ধারণ করে। এ বছর প্রতিটি ক্যান্টন অন্তত আটটি সরকারি ছুটি স্বীকৃতি দিয়েছে, যার মধ্যে সুইস ন্যাশনাল ডে-ও রয়েছে।

বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা এবং উরুগুয়েতে যথাক্রমে চারটি এবং পাঁচটি করে সরকারি ছুটি রয়েছে।
মিয়ানমার ও শ্রীলঙ্কা প্রধানত বৌদ্ধপ্রধান দেশ হওয়ায় তাদের ছুটির ক্যালেন্ডার চন্দ্রপঞ্জিকার ওপর নির্ভরশীল। মিয়ানমারের ছুটির তালিকায় লুনার নিউ ইয়ার ও বৌদ্ধ নববর্ষ (থিংযান) উপলক্ষে একাধিক দিনের ছুটি রয়েছে। এছাড়া বুদ্ধের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো স্মরণে নির্দিষ্ট পূর্ণিমার দিনগুলোতেও ছুটি পালন করা হয়।
অন্যদিকে শ্রীলঙ্কায় প্রতি পূর্ণিমার দিনই সরকারি ছুটি হিসেবে পালিত হয়, যা সেখানে ‘পোয়া ডে’ নামে পরিচিত।
বাংলাদেশের জনসংখ্যার বড় অংশ মুসলিম হলেও উল্লেখযোগ্য হিন্দু এবং তুলনামূলক কম বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায় রয়েছে। ফলে দেশের সরকারি ছুটির ক্যালেন্ডারে চারটি ধর্মের বিভিন্ন উৎসব অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা উপলক্ষে কয়েক দিনের ছুটি, জন্মাষ্টমী, বুদ্ধ পূর্ণিমা ও বড়দিন উপলক্ষে সরকারি ছুটি। এছাড়া চলতি বছরে জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশে আরও দুটি সরকারি ছুটি নির্ধারিত হয়েছে।
পিউ রিসার্চ সেন্টারের তথ্যমতে, ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে ১লা জানুয়ারি সবচেয়ে বেশি দেশে সরকারি ছুটি পালন করা হয়। অন্তত ১৬৯টি দেশ এই দিনে ছুটি দিয়ে থাকে।
এ ছাড়া, বিশ্বের অন্তত ১৪৪টি দেশে ১লা মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে সরকারি ছুটি পালন করা হয়। আর নিজ নিজ দেশের জাতীয় দিবস বা স্বাধীনতা দিবসে প্রায় সব দেশেই ছুটি দেওয়া হয়। আর ২৩টি দেশে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে সরকারি ছুটি রয়েছে।
ধর্মীয় ছুটির মধ্যে বড়দিনে ছুটি কাটায় ১৫৪টি দেশের চাকুরীজীবীরা। তাছাড়া ৭১টি দেশে ঈদুল ফিতরে ও ৭০টি দেশে ঈদুল আজহায় সরকারি ছুটি দেওয়া হয়।
পিউ রিসার্চ সেন্টারের মতে, বিশ্বজুড়ে প্রচলিত অন্যান্য ছুটির ধরনগুলোর মধ্যে রয়েছে—নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক বা আদর্শিক নেতাকে উদযাপন করার দিন, সশস্ত্র বাহিনী ও তাদের সদস্যদের সম্মান জানাতে পালিত দিবস, এবং সামাজিক নিপীড়নের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে নির্ধারিত দিবসগুলো।

‘সরকারি ছুটি’ শব্দটি শুনলেই চাকরিজীবীদের মনের ভেতর এক সুখের অনুভূতি কাজ করে। একঘেয়ে কর্মজীবনে এক বা দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটির বাইরে এই সরকারি ছুটি যেন হাতে চাঁদ পাওয়ার মতো।
সরকারি ছুটির এই ধারণা দেশভেদে যেমন ভিন্ন, তেমনই ছুটির সংখ্যা ও উপলক্ষও আলাদা। সম্প্রতি সবচেয়ে বেশি ও কম সরকারি ছুটি থাকে, এমন ১৯০টি দেশের তালিকা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠান পিউ রিসার্চ সেন্টার।
তাদের তথ্যমতে, ২০২৬ সালে সাপ্তাহিক ছুটির বাইরে বিভিন্ন উপলক্ষে ৩০ দিন সরকারি ছুটি রয়েছে মিয়ানমারে। ছুটির এই সংখ্যা নিয়ে দেশটি আছে তালিকার প্রথমে। এরপরই আছে বাংলাদেশের নাম। চলতি বছরে ২৯টি সরকারি ছুটি নিয়ে তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে বাংলাদেশ।
তারপর ২৫ দিন ছুটি নিয়ে তালিকায় আছে শ্রীলঙ্কার নাম। এরপর আছে কম্বোডিয়া, ইরান ও লেবানন। এ দেশগুলোর বছরে সরকারি ছুটির সংখ্যা ২০ দিনের বেশি। নেপালে সরকারি ছুটি বেশি থাকলেও চলতি বছরের ছুটির তালিকা এখনো প্রকাশ করেনি দেশটি।
পিউ রিসার্চ সেন্টারের মতে, সবচেয়ে কম সরকারি ছুটি কাটান সুইজারল্যান্ড, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা এবং উরুগুয়ের চাকরিজীবীরা।
সুইজারল্যান্ডে ফেডারেল পর্যায়ে প্রযুক্তিগতভাবে মাত্র একটি সরকারি ছুটি রয়েছে। সেটি হলো ১ আগস্টের সুইস ন্যাশনাল ডে। তবে দেশটির ২৬টি ক্যান্টন নিজেদের মতো করে অন্যান্য ছুটি নির্ধারণ করে। এ বছর প্রতিটি ক্যান্টন অন্তত আটটি সরকারি ছুটি স্বীকৃতি দিয়েছে, যার মধ্যে সুইস ন্যাশনাল ডে-ও রয়েছে।

বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা এবং উরুগুয়েতে যথাক্রমে চারটি এবং পাঁচটি করে সরকারি ছুটি রয়েছে।
মিয়ানমার ও শ্রীলঙ্কা প্রধানত বৌদ্ধপ্রধান দেশ হওয়ায় তাদের ছুটির ক্যালেন্ডার চন্দ্রপঞ্জিকার ওপর নির্ভরশীল। মিয়ানমারের ছুটির তালিকায় লুনার নিউ ইয়ার ও বৌদ্ধ নববর্ষ (থিংযান) উপলক্ষে একাধিক দিনের ছুটি রয়েছে। এছাড়া বুদ্ধের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো স্মরণে নির্দিষ্ট পূর্ণিমার দিনগুলোতেও ছুটি পালন করা হয়।
অন্যদিকে শ্রীলঙ্কায় প্রতি পূর্ণিমার দিনই সরকারি ছুটি হিসেবে পালিত হয়, যা সেখানে ‘পোয়া ডে’ নামে পরিচিত।
বাংলাদেশের জনসংখ্যার বড় অংশ মুসলিম হলেও উল্লেখযোগ্য হিন্দু এবং তুলনামূলক কম বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায় রয়েছে। ফলে দেশের সরকারি ছুটির ক্যালেন্ডারে চারটি ধর্মের বিভিন্ন উৎসব অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা উপলক্ষে কয়েক দিনের ছুটি, জন্মাষ্টমী, বুদ্ধ পূর্ণিমা ও বড়দিন উপলক্ষে সরকারি ছুটি। এছাড়া চলতি বছরে জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশে আরও দুটি সরকারি ছুটি নির্ধারিত হয়েছে।
পিউ রিসার্চ সেন্টারের তথ্যমতে, ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে ১লা জানুয়ারি সবচেয়ে বেশি দেশে সরকারি ছুটি পালন করা হয়। অন্তত ১৬৯টি দেশ এই দিনে ছুটি দিয়ে থাকে।
এ ছাড়া, বিশ্বের অন্তত ১৪৪টি দেশে ১লা মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে সরকারি ছুটি পালন করা হয়। আর নিজ নিজ দেশের জাতীয় দিবস বা স্বাধীনতা দিবসে প্রায় সব দেশেই ছুটি দেওয়া হয়। আর ২৩টি দেশে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে সরকারি ছুটি রয়েছে।
ধর্মীয় ছুটির মধ্যে বড়দিনে ছুটি কাটায় ১৫৪টি দেশের চাকুরীজীবীরা। তাছাড়া ৭১টি দেশে ঈদুল ফিতরে ও ৭০টি দেশে ঈদুল আজহায় সরকারি ছুটি দেওয়া হয়।
পিউ রিসার্চ সেন্টারের মতে, বিশ্বজুড়ে প্রচলিত অন্যান্য ছুটির ধরনগুলোর মধ্যে রয়েছে—নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক বা আদর্শিক নেতাকে উদযাপন করার দিন, সশস্ত্র বাহিনী ও তাদের সদস্যদের সম্মান জানাতে পালিত দিবস, এবং সামাজিক নিপীড়নের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে নির্ধারিত দিবসগুলো।