চরচা প্রতিবেদক

বাংলাদেশে শিশুদের মধ্যে স্মার্টফোন ব্যবহার এবং অনলাইন ঝুঁকি উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে বলে জানানো হয় এক জরিপে। গবেষণায় দেখা গেছে, দেশের ৯৪.৬ শতাংশ শিশুর নিজস্ব স্মার্টফোন রয়েছে। যাদের মধ্যে ৭ শতাংশ সরাসরি অনলাইন যৌন প্রস্তাব বা হয়রানির শিকার হয়েছে।
আজ সোমবার রাজধানীর গুলশানে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এবং টেরে দেস হোমস নেদারল্যান্ডস্-এর যৌথ উদ্যোগে এক সেমিনারে ‘স্টেপ আপ দি ফাইট এগেনস্ট সেক্সচুয়াল এক্সপ্লয়টেশন অব চিলড্রেন’ প্রকল্পের এই গবেষণা ফলাফল উপস্থাপন করা হয়।
ঢাকা, গাজীপুর ও সাতক্ষীরা অঞ্চলে ১১ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশুদের ওপর এই জরিপ করা হয়।
জরিপে জানানো হয়, ৬৩ শতাংশ শিশু প্রতিদিন ইন্টারনেট ব্যবহার করলেও মাত্র ৩১ শতাংশ শিশু নিয়মিত অভিভাবক তদারকির মধ্যে থাকে। পাশাপাশি ৮ শতাংশ শিশু যৌন চাপের মুখে পড়ে এবং ৭ শতাংশ শিশু সরাসরি যৌন প্রস্তাব পেয়েছে। অপরাধীদের মধ্যে ৩৯ শতাংশই ভুক্তভোগীর পরিচিত ব্যক্তি ছিল।
পাশাপাশি হ্যাকিং ২৪ শতাংশ, গেমিং আসক্তি ১৫ শতাংশ এবং ভুয়া প্রোফাইলের মাধ্যমে প্রতারণা ৬৪ শতাংশ এখন প্রতিদিনের ঘটনা বলে দাবি করা হয়।
অনলাইন শোষণের ফলে শিশুদের জীবনে দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। গবেষণায় দেখা যায়, ৫৩.৬ শতাংশ শিশু মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। প্রায় ২০ শতাংশ ঘুমের সমস্যায় ভুগছে।২৪.৬ শতাংশ শিশু পড়াশোনায় মনোযোগ হারিয়েছে এবং ১৩ শতাংশ নিয়মিত ক্লাস মিস করছে।
সেমিনারে ডিএমপির অতিরিক্ত উপ–পুলিশ কমিশনার ফারহানা মৃধা জানান, সচেতনতার অভাবই বড় সমস্যা। তিনি অভিভাবকদের সন্তানদের 'স্ক্রিন টাইম' নির্ধারণ এবং টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন ব্যবহারের পরামর্শ দেন।
বিটিআরসি-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক শিবলি ইমতিয়াজ জানান, গত এক বছরে নারী ও শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত ১ হাজার ২২৩ টি কনটেন্ট অপসারণের অনুরোধের মধ্যে ৯৮ শতাংশই সফল হয়েছে। তবে তিনি আক্ষেপ করে বলেন, “বাজারের অনেক কমদামি রাউটারে ‘প্যারেন্টাল কন্ট্রোল’ ব্যবস্থা না থাকায় তদারকি কঠিন হয়ে পড়ছে।”

বাংলাদেশে শিশুদের মধ্যে স্মার্টফোন ব্যবহার এবং অনলাইন ঝুঁকি উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে বলে জানানো হয় এক জরিপে। গবেষণায় দেখা গেছে, দেশের ৯৪.৬ শতাংশ শিশুর নিজস্ব স্মার্টফোন রয়েছে। যাদের মধ্যে ৭ শতাংশ সরাসরি অনলাইন যৌন প্রস্তাব বা হয়রানির শিকার হয়েছে।
আজ সোমবার রাজধানীর গুলশানে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এবং টেরে দেস হোমস নেদারল্যান্ডস্-এর যৌথ উদ্যোগে এক সেমিনারে ‘স্টেপ আপ দি ফাইট এগেনস্ট সেক্সচুয়াল এক্সপ্লয়টেশন অব চিলড্রেন’ প্রকল্পের এই গবেষণা ফলাফল উপস্থাপন করা হয়।
ঢাকা, গাজীপুর ও সাতক্ষীরা অঞ্চলে ১১ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশুদের ওপর এই জরিপ করা হয়।
জরিপে জানানো হয়, ৬৩ শতাংশ শিশু প্রতিদিন ইন্টারনেট ব্যবহার করলেও মাত্র ৩১ শতাংশ শিশু নিয়মিত অভিভাবক তদারকির মধ্যে থাকে। পাশাপাশি ৮ শতাংশ শিশু যৌন চাপের মুখে পড়ে এবং ৭ শতাংশ শিশু সরাসরি যৌন প্রস্তাব পেয়েছে। অপরাধীদের মধ্যে ৩৯ শতাংশই ভুক্তভোগীর পরিচিত ব্যক্তি ছিল।
পাশাপাশি হ্যাকিং ২৪ শতাংশ, গেমিং আসক্তি ১৫ শতাংশ এবং ভুয়া প্রোফাইলের মাধ্যমে প্রতারণা ৬৪ শতাংশ এখন প্রতিদিনের ঘটনা বলে দাবি করা হয়।
অনলাইন শোষণের ফলে শিশুদের জীবনে দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। গবেষণায় দেখা যায়, ৫৩.৬ শতাংশ শিশু মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। প্রায় ২০ শতাংশ ঘুমের সমস্যায় ভুগছে।২৪.৬ শতাংশ শিশু পড়াশোনায় মনোযোগ হারিয়েছে এবং ১৩ শতাংশ নিয়মিত ক্লাস মিস করছে।
সেমিনারে ডিএমপির অতিরিক্ত উপ–পুলিশ কমিশনার ফারহানা মৃধা জানান, সচেতনতার অভাবই বড় সমস্যা। তিনি অভিভাবকদের সন্তানদের 'স্ক্রিন টাইম' নির্ধারণ এবং টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন ব্যবহারের পরামর্শ দেন।
বিটিআরসি-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক শিবলি ইমতিয়াজ জানান, গত এক বছরে নারী ও শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত ১ হাজার ২২৩ টি কনটেন্ট অপসারণের অনুরোধের মধ্যে ৯৮ শতাংশই সফল হয়েছে। তবে তিনি আক্ষেপ করে বলেন, “বাজারের অনেক কমদামি রাউটারে ‘প্যারেন্টাল কন্ট্রোল’ ব্যবস্থা না থাকায় তদারকি কঠিন হয়ে পড়ছে।”