চরচা ডেস্ক

এলিয়েনরা এক অলৌকিক যানে চড়ে পৃথিবী ভ্রমণ করেছে এবং মানুষের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সরকারি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এমনটাই দাবি করেছেন মার্কিন কংগ্রেস সদস্য টিম বারচেট। রুশভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আরটির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রে ইউএফও (ইউএফও) এবং এ সংক্রান্ত রহস্যময় ঘটনার প্রতি আগ্রহ বেড়েছে।
গত সোমবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম টিএমজেডকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বারচেট বলেন, ‘‘তারা সুনির্দিষ্ট তথ্য দিয়েছে। তারা ঠিকানা, সময়, তারিখ এবং সেই মিটিংয়ে উপস্থিত ব্যক্তিদের নামও জানিয়েছে। এটি বর্তমান প্রেসিডেন্ট নয় বরং পূর্ববর্তী প্রেসিডেন্টদের নির্বাহী শাখা পর্যন্ত গড়িয়েছে।’’
বারচেট আরও জানান যে, ভিনগ্রহের প্রাণীরা মানবতার জন্য কোনো হুমকি বলে তিনি বিশ্বাস করেন না। তিনি বলেন, ‘‘আমি মনে করি না আমরা কোনো বিপদে আছি। আমি বলতে চাচ্ছি, এই জিনিসগুলো যদি সত্যিই থেকে থাকে এবং তারা যদি আমাদের ধ্বংস করতে চাইত, তবে চোখের পলকেই তা করতে পারত। কিন্তু আমি তেমন কিছু দেখছি না।’’
এক সপ্তাহ আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউজম্যাক্সে প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে এই আইনপ্রণেতা সতর্ক করে বলেছিলেন, এলিয়েনদের সাথে কথিত সাক্ষাতের গোপন তথ্য প্রকাশ করা হলে তা জনমনে আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে।
তিনি বলেন, ‘‘আমি প্রায় প্রতিটি গোয়েন্দা সংস্থার কাছ থেকে ব্রিফিং পেয়েছি। আমি যা দেখেছি তা যদি তারা প্রকাশ করে দেয়, তবে আপনি রাতে ঘুমাতে পারবেন না, দুশ্চিন্তায় জেগে থাকবেন।’’
টিম বারচেট অভিযোগ করেছেন যে, নাসাসহ বিভিন্ন সংস্থা তাদের জানা তথ্যের বিষয়ে মিথ্যা বলছে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন, প্রচুর আগ্রহের কারণে তিনি ইউএফও সংক্রান্ত সরকারি ফাইলগুলো প্রকাশের নির্দেশ দেবেন।
এর পরপরই মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ নিশ্চিত করেন যে, এলিয়েনদের অস্তিত্ব প্রমাণ করার মতো কোনো রেকর্ড তার দপ্তরের কাছে আছে কি না, তা মার্কিন জনগণ জানতে পারবে। তবে তিনি দ্রুত ফাইল প্রকাশের বিষয়ে সতর্কবার্তা দেন।
অবশ্য ২০২৪ সালের মার্চ মাসে পেন্টাগন জানিয়েছিল যে, কোনো রহস্যময় আকাশযান রয়েছে এমন কোনো প্রমাণ তাদের কাছে নেই। তারা আরও যোগ করে যে, অনেক ক্ষেত্রেই এসব ঘটনা আসলে আবহাওয়া বেলুন, স্পাই প্লেন, স্যাটেলাইট বা অন্য কোনো নিয়মিত কর্মকাণ্ডের অংশ ছিল।

এলিয়েনরা এক অলৌকিক যানে চড়ে পৃথিবী ভ্রমণ করেছে এবং মানুষের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সরকারি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এমনটাই দাবি করেছেন মার্কিন কংগ্রেস সদস্য টিম বারচেট। রুশভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আরটির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রে ইউএফও (ইউএফও) এবং এ সংক্রান্ত রহস্যময় ঘটনার প্রতি আগ্রহ বেড়েছে।
গত সোমবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম টিএমজেডকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বারচেট বলেন, ‘‘তারা সুনির্দিষ্ট তথ্য দিয়েছে। তারা ঠিকানা, সময়, তারিখ এবং সেই মিটিংয়ে উপস্থিত ব্যক্তিদের নামও জানিয়েছে। এটি বর্তমান প্রেসিডেন্ট নয় বরং পূর্ববর্তী প্রেসিডেন্টদের নির্বাহী শাখা পর্যন্ত গড়িয়েছে।’’
বারচেট আরও জানান যে, ভিনগ্রহের প্রাণীরা মানবতার জন্য কোনো হুমকি বলে তিনি বিশ্বাস করেন না। তিনি বলেন, ‘‘আমি মনে করি না আমরা কোনো বিপদে আছি। আমি বলতে চাচ্ছি, এই জিনিসগুলো যদি সত্যিই থেকে থাকে এবং তারা যদি আমাদের ধ্বংস করতে চাইত, তবে চোখের পলকেই তা করতে পারত। কিন্তু আমি তেমন কিছু দেখছি না।’’
এক সপ্তাহ আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউজম্যাক্সে প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে এই আইনপ্রণেতা সতর্ক করে বলেছিলেন, এলিয়েনদের সাথে কথিত সাক্ষাতের গোপন তথ্য প্রকাশ করা হলে তা জনমনে আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে।
তিনি বলেন, ‘‘আমি প্রায় প্রতিটি গোয়েন্দা সংস্থার কাছ থেকে ব্রিফিং পেয়েছি। আমি যা দেখেছি তা যদি তারা প্রকাশ করে দেয়, তবে আপনি রাতে ঘুমাতে পারবেন না, দুশ্চিন্তায় জেগে থাকবেন।’’
টিম বারচেট অভিযোগ করেছেন যে, নাসাসহ বিভিন্ন সংস্থা তাদের জানা তথ্যের বিষয়ে মিথ্যা বলছে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন, প্রচুর আগ্রহের কারণে তিনি ইউএফও সংক্রান্ত সরকারি ফাইলগুলো প্রকাশের নির্দেশ দেবেন।
এর পরপরই মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ নিশ্চিত করেন যে, এলিয়েনদের অস্তিত্ব প্রমাণ করার মতো কোনো রেকর্ড তার দপ্তরের কাছে আছে কি না, তা মার্কিন জনগণ জানতে পারবে। তবে তিনি দ্রুত ফাইল প্রকাশের বিষয়ে সতর্কবার্তা দেন।
অবশ্য ২০২৪ সালের মার্চ মাসে পেন্টাগন জানিয়েছিল যে, কোনো রহস্যময় আকাশযান রয়েছে এমন কোনো প্রমাণ তাদের কাছে নেই। তারা আরও যোগ করে যে, অনেক ক্ষেত্রেই এসব ঘটনা আসলে আবহাওয়া বেলুন, স্পাই প্লেন, স্যাটেলাইট বা অন্য কোনো নিয়মিত কর্মকাণ্ডের অংশ ছিল।