সিলেট প্রতিনিধি

সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.)–এর মাজারের দানবাক্সে প্রশাসনের নজরদারির অংশ হিসেবে দানবাক্স পাহারায় এবার সিসিটিভি স্থাপন করা হয়েছে। আজ শনিবার বিকেল ৩টার পর সিলেট জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মাজার প্রাঙ্গণে দানবাক্সের উপরে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমের নির্দেশনায় এ ক্যামেরা স্থাপন করা হয় বলে জানা যায়।
গত কয়েকদিন ধরে লাগাতার আলোচনার তুঙ্গে থাকা হযরত শাহজালাল (রহ.) ও শাহ পরাণ (রহ.) মাজারের দানবক্সের টাকায় ব্যবস্থাপনায় প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের পর এসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে অনেকেই এর বিরোধিতা করছেন। তবে প্রশাসন বলছে, এখানে স্বচ্ছতা আনা জরুরী। এখান থেকে সরকার কোনো টাকা নেবে না।
এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে সিলেট জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বলেন, হযরত শাহজালাল (রহ.) অবিবাহিত ছিলেন। তাঁর কোনো উত্তরসূরী ছিলো না। তবে ডিসির এ কথার প্রেক্ষিতে মাজারের সংশ্লিষ্ট অনেকেই দাবি করে বলেন, বাবা হযরত শাহজালাল (রহ.) তরিকার পথের অনুসারীরা ও খেদমতকারীরাই যুগ যুগ ধরে বাবার উত্তরসূরী।
এর আগে গত বৃহস্পতিবারে মাজারের দানের ডেগ সিলগালা করে নতুন দানবাক্স বসিয়েছে জেলা প্রশাসন। ওইদিনই ডেগ ও দানবাক্স পাহারার জন্য আনসার সদস্যও মোতায়েন করা হয়।
জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, এই উদ্যোগের ফলে মাজারে আগত দর্শনার্থী ও ভক্তদের দান কার্যক্রমে আস্থা, দান বাক্সে অর্থ জমা ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খল ও পর্যবেক্ষণের আওতায় আসবে এবং মাজার কেন্দ্রীক স্বচ্ছতা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে মাজারের ঐতিহাসিক তিনটি ডেগ সিলগালার পর রাতে একদল ভক্ত দরগাহ প্রাঙ্গণে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। তারা ‘লালে লাল-বাবা শাহজালাল’ স্লোগান দেন ও প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় দানবাক্স স্থাপনের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অনুসারী বলেন, প্রায় সাতশ বছর ধরে যেভাবে মাজার পরিচালিত হয়ে আসছে, সে রেওয়াজ ও ঐতিহ্যকে বিনষ্ট করতেই এই কাজ করা হচ্ছে।
নতুন দানবাক্স বসানোর পর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়, মাজারের দান সংগ্রহের প্রক্রিয়াকে আরও সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আগে যেমনটা হাতে হাতে দানের টাকা নেওয়া হতো, এখন আর এমনটা করা যাবে না।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মাজারে দানের টাকা ভাগ-বাঁটোয়ারা করে নেওয়ার একটা অনিয়মতান্ত্রিক পরম্পরা চালু হয়েছে। এখানে দানের যে টাকা আসে, সেটা পাবলিক সম্পত্তি। স্থানীয় প্রশাসন দানের টাকার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির আওতায় আনতেই উদ্যোগী হয়েছে।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, দানের কোনো টাকা সরকার নেবে না। যাবতীয় অনিয়ম দূর করে সব টাকাই মাজার এবং মাজারের মসজিদ, মাদ্রাসার উন্নয়নে ব্যয় হবে। এ ছাড়া মাজার, মসজিদ ও মাদ্রাসার উন্নয়নে একটা মহাপরিকল্পনাও নেওয়া হচ্ছে। এ জন্য একজন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে আহ্বায়ক করে খাদেম, মসজিদ ও মাদ্রাসা প্রতিনিধিসহ ১০ সদস্যের একটি কমিটিও গঠন করে দেওয়া হয়েছে।

সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.)–এর মাজারের দানবাক্সে প্রশাসনের নজরদারির অংশ হিসেবে দানবাক্স পাহারায় এবার সিসিটিভি স্থাপন করা হয়েছে। আজ শনিবার বিকেল ৩টার পর সিলেট জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মাজার প্রাঙ্গণে দানবাক্সের উপরে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমের নির্দেশনায় এ ক্যামেরা স্থাপন করা হয় বলে জানা যায়।
গত কয়েকদিন ধরে লাগাতার আলোচনার তুঙ্গে থাকা হযরত শাহজালাল (রহ.) ও শাহ পরাণ (রহ.) মাজারের দানবক্সের টাকায় ব্যবস্থাপনায় প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের পর এসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে অনেকেই এর বিরোধিতা করছেন। তবে প্রশাসন বলছে, এখানে স্বচ্ছতা আনা জরুরী। এখান থেকে সরকার কোনো টাকা নেবে না।
এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে সিলেট জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বলেন, হযরত শাহজালাল (রহ.) অবিবাহিত ছিলেন। তাঁর কোনো উত্তরসূরী ছিলো না। তবে ডিসির এ কথার প্রেক্ষিতে মাজারের সংশ্লিষ্ট অনেকেই দাবি করে বলেন, বাবা হযরত শাহজালাল (রহ.) তরিকার পথের অনুসারীরা ও খেদমতকারীরাই যুগ যুগ ধরে বাবার উত্তরসূরী।
এর আগে গত বৃহস্পতিবারে মাজারের দানের ডেগ সিলগালা করে নতুন দানবাক্স বসিয়েছে জেলা প্রশাসন। ওইদিনই ডেগ ও দানবাক্স পাহারার জন্য আনসার সদস্যও মোতায়েন করা হয়।
জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, এই উদ্যোগের ফলে মাজারে আগত দর্শনার্থী ও ভক্তদের দান কার্যক্রমে আস্থা, দান বাক্সে অর্থ জমা ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খল ও পর্যবেক্ষণের আওতায় আসবে এবং মাজার কেন্দ্রীক স্বচ্ছতা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে মাজারের ঐতিহাসিক তিনটি ডেগ সিলগালার পর রাতে একদল ভক্ত দরগাহ প্রাঙ্গণে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। তারা ‘লালে লাল-বাবা শাহজালাল’ স্লোগান দেন ও প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় দানবাক্স স্থাপনের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অনুসারী বলেন, প্রায় সাতশ বছর ধরে যেভাবে মাজার পরিচালিত হয়ে আসছে, সে রেওয়াজ ও ঐতিহ্যকে বিনষ্ট করতেই এই কাজ করা হচ্ছে।
নতুন দানবাক্স বসানোর পর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়, মাজারের দান সংগ্রহের প্রক্রিয়াকে আরও সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আগে যেমনটা হাতে হাতে দানের টাকা নেওয়া হতো, এখন আর এমনটা করা যাবে না।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মাজারে দানের টাকা ভাগ-বাঁটোয়ারা করে নেওয়ার একটা অনিয়মতান্ত্রিক পরম্পরা চালু হয়েছে। এখানে দানের যে টাকা আসে, সেটা পাবলিক সম্পত্তি। স্থানীয় প্রশাসন দানের টাকার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির আওতায় আনতেই উদ্যোগী হয়েছে।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, দানের কোনো টাকা সরকার নেবে না। যাবতীয় অনিয়ম দূর করে সব টাকাই মাজার এবং মাজারের মসজিদ, মাদ্রাসার উন্নয়নে ব্যয় হবে। এ ছাড়া মাজার, মসজিদ ও মাদ্রাসার উন্নয়নে একটা মহাপরিকল্পনাও নেওয়া হচ্ছে। এ জন্য একজন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে আহ্বায়ক করে খাদেম, মসজিদ ও মাদ্রাসা প্রতিনিধিসহ ১০ সদস্যের একটি কমিটিও গঠন করে দেওয়া হয়েছে।