চরচা ডেস্ক

সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়টি সংসদের ভেতরেই আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে চায় জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। তবে সংসদে এর সুষ্ঠু সমাধান না হলে রাজপথে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।
আজ রোববার সংসদের অধিবেশন মুলতবি হওয়ার পর সংসদ ভবনের গেটে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। জামায়াতে ইসলামীর ফেসবুক পেজ থেকে এই তথ্য জানা যায়।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “স্পিকারের অনুরোধ অনুযায়ী আমরা নিয়ম অনুযায়ী নোটিশ দেব। আমরা আন্তরিকভাবেই চাই এই সমস্যার সমাধান সংসদের ভেতরেই হোক। কিন্তু কোনো কারণে যদি সংসদের ভেতরে স্বাভাবিক সমাধান না পাওয়া যায়, তবে বাধ্য হয়ে আমাদের রাজপথে আন্দোলনে যেতে হবে। যদিও আমরা তা চাই না।”
জামায়াত আমির বলেন, যেহেতু বিষয়টি উত্থাপন করা হয়েছে এবং স্পিকার নোটিশ দিতে বলেছেন, তাই সংসদীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই বিষয়টি এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।
শফিকুর রহমান বলেন, “সংবিধানে ২০২৬ সালে কোনো ভোটের কথা ছিল না, কিন্তু রাষ্ট্রপতির আদেশের মাধ্যমে তা হয়েছে। সরকারের উদ্দেশ্যে বলতে চাই— রাষ্ট্রপতির আদেশের একটি অংশ সংবিধানের বাইরে গেলেও আপনারা মানবেন, আর অন্য অংশ মানবেন না, এটা হয় না। মানলে পুরোটাই মানতে হবে, না হলে কোনোটিই নয়।”
তিনি আরও বলেন, জনগণের ইচ্ছাই হলো সর্বোচ্চ সংবিধান। গণভোটে ওনারাও (সরকারি দল) সম্মত ছিলেন, আমরাও ছিলাম। আমাদের দাবি ছিল গণভোট আগে হওয়ার, আর ওনাদের দাবি ছিল নির্বাচনের দিনই হোক। শেষ পর্যন্ত ওনাদের দাবিই বাস্তবায়িত হয়েছে এবং গণভোটে সংস্কারের পক্ষের প্রস্তাব জয়ী হয়েছে। সুতরাং এখন পিছিয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।

সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়টি সংসদের ভেতরেই আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে চায় জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। তবে সংসদে এর সুষ্ঠু সমাধান না হলে রাজপথে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।
আজ রোববার সংসদের অধিবেশন মুলতবি হওয়ার পর সংসদ ভবনের গেটে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। জামায়াতে ইসলামীর ফেসবুক পেজ থেকে এই তথ্য জানা যায়।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “স্পিকারের অনুরোধ অনুযায়ী আমরা নিয়ম অনুযায়ী নোটিশ দেব। আমরা আন্তরিকভাবেই চাই এই সমস্যার সমাধান সংসদের ভেতরেই হোক। কিন্তু কোনো কারণে যদি সংসদের ভেতরে স্বাভাবিক সমাধান না পাওয়া যায়, তবে বাধ্য হয়ে আমাদের রাজপথে আন্দোলনে যেতে হবে। যদিও আমরা তা চাই না।”
জামায়াত আমির বলেন, যেহেতু বিষয়টি উত্থাপন করা হয়েছে এবং স্পিকার নোটিশ দিতে বলেছেন, তাই সংসদীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই বিষয়টি এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।
শফিকুর রহমান বলেন, “সংবিধানে ২০২৬ সালে কোনো ভোটের কথা ছিল না, কিন্তু রাষ্ট্রপতির আদেশের মাধ্যমে তা হয়েছে। সরকারের উদ্দেশ্যে বলতে চাই— রাষ্ট্রপতির আদেশের একটি অংশ সংবিধানের বাইরে গেলেও আপনারা মানবেন, আর অন্য অংশ মানবেন না, এটা হয় না। মানলে পুরোটাই মানতে হবে, না হলে কোনোটিই নয়।”
তিনি আরও বলেন, জনগণের ইচ্ছাই হলো সর্বোচ্চ সংবিধান। গণভোটে ওনারাও (সরকারি দল) সম্মত ছিলেন, আমরাও ছিলাম। আমাদের দাবি ছিল গণভোট আগে হওয়ার, আর ওনাদের দাবি ছিল নির্বাচনের দিনই হোক। শেষ পর্যন্ত ওনাদের দাবিই বাস্তবায়িত হয়েছে এবং গণভোটে সংস্কারের পক্ষের প্রস্তাব জয়ী হয়েছে। সুতরাং এখন পিছিয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।