সিলেট প্রতিনিধি

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তুলে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও স্টাফদের সঙ্গে রোগীর স্বজনদের তর্ক, ভাঙচুর ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে।
আটকরা হলেন সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক থানার খৈতর গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে শিমুল আহমদ, তার স্ত্রী নাজিরা সিদ্দিকা ও ছাতক থানার দৌলতপুর গ্রামের বাসিন্দা জাবেদ মিয়া।
এদিকে আজ সকাল থেকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মবিরতি পালন করছেন হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
পুলিশের ভাষ্য, শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে রোগীর স্বজনরা চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তুলে প্রথমে নার্স ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরে তারা ওয়ার্ডের ভেতরে ভাঙচুর শুরু করেন এবং শিক্ষানবিশ চিকিৎসকসহ দায়িত্বরতদের ওপর হামলা চালান। হামলার ঘটনার সময় খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশের একটি দল শুক্রবার রাতেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সিলেট কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুল জাকির জানান, পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে হাসপাতালে অতিরিক্ত পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে। একই সঙ্গে হামলার ঘটনার পর পরই পুলিশ নারীসহ তিনজকে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তুলে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও স্টাফদের সঙ্গে রোগীর স্বজনদের তর্ক, ভাঙচুর ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে।
আটকরা হলেন সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক থানার খৈতর গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে শিমুল আহমদ, তার স্ত্রী নাজিরা সিদ্দিকা ও ছাতক থানার দৌলতপুর গ্রামের বাসিন্দা জাবেদ মিয়া।
এদিকে আজ সকাল থেকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মবিরতি পালন করছেন হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
পুলিশের ভাষ্য, শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে রোগীর স্বজনরা চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তুলে প্রথমে নার্স ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরে তারা ওয়ার্ডের ভেতরে ভাঙচুর শুরু করেন এবং শিক্ষানবিশ চিকিৎসকসহ দায়িত্বরতদের ওপর হামলা চালান। হামলার ঘটনার সময় খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশের একটি দল শুক্রবার রাতেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সিলেট কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুল জাকির জানান, পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে হাসপাতালে অতিরিক্ত পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে। একই সঙ্গে হামলার ঘটনার পর পরই পুলিশ নারীসহ তিনজকে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।