চরচা ডেস্ক

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, “জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য এবছর ঈদুল ফিতর ও স্বাধীনতা দিবসে দেশব্যাপী আলোকসজ্জা বাতিল করেছে সরকার।"
আজ রোববার সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কমিটির বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন তিনি। বাসসের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এই দিবসগুলোতে আমরা ঐতিহ্যগতভাবে আলোকসজ্জা করে থাকি। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যেন ফুয়েল ক্রাইসিস না হয় এবং কৃচ্ছতা সাধন করতে পারি-সেজন্য এবার আলোকসজ্জা করা হবে না।”
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “বিশ্বব্যাপী প্রেক্ষাপটের বিপরীতে জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য আমরা সারা দেশে আলোকসজ্জা বন্ধের এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “আগামী ২৫ মার্চ ‘গণহত্যা দিবস’ পালন করা হবে অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে। যথাযথ মর্যাদায় অতীতের মতো করেই আমরা দিনটি পালন করব। এখানে ধর্ম মন্ত্রণালয়েরও ভূমিকা আছে। তবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রধান লিড মিনিস্ট্রি হিসেবে দিবসটি পালন করে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব হচ্ছে নিরাপত্তার সমস্ত বিষয়াদি দেখাশোনা করা।”
মহান স্বাধীনতা দিবসে কর্মসূচির বিষয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “২৬ মার্চ সকালে সাভার স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ করবেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও বিরোধীদলীয় নেতারাসহ অন্যান্য সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন। এই কর্মসূচি নিরাপদে সম্পন্ন এবং যাতায়াত ব্যবস্থা সহজতর করার বিষয়ে সমন্বয় করেছি।”

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, “জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য এবছর ঈদুল ফিতর ও স্বাধীনতা দিবসে দেশব্যাপী আলোকসজ্জা বাতিল করেছে সরকার।"
আজ রোববার সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কমিটির বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন তিনি। বাসসের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এই দিবসগুলোতে আমরা ঐতিহ্যগতভাবে আলোকসজ্জা করে থাকি। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যেন ফুয়েল ক্রাইসিস না হয় এবং কৃচ্ছতা সাধন করতে পারি-সেজন্য এবার আলোকসজ্জা করা হবে না।”
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “বিশ্বব্যাপী প্রেক্ষাপটের বিপরীতে জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য আমরা সারা দেশে আলোকসজ্জা বন্ধের এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “আগামী ২৫ মার্চ ‘গণহত্যা দিবস’ পালন করা হবে অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে। যথাযথ মর্যাদায় অতীতের মতো করেই আমরা দিনটি পালন করব। এখানে ধর্ম মন্ত্রণালয়েরও ভূমিকা আছে। তবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রধান লিড মিনিস্ট্রি হিসেবে দিবসটি পালন করে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব হচ্ছে নিরাপত্তার সমস্ত বিষয়াদি দেখাশোনা করা।”
মহান স্বাধীনতা দিবসে কর্মসূচির বিষয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “২৬ মার্চ সকালে সাভার স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ করবেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও বিরোধীদলীয় নেতারাসহ অন্যান্য সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন। এই কর্মসূচি নিরাপদে সম্পন্ন এবং যাতায়াত ব্যবস্থা সহজতর করার বিষয়ে সমন্বয় করেছি।”