চরচা ডেস্ক

দেশের সকল নাগরিকের জন্য সংবিধানে ঘোষিত সমতা, মর্যাদা ও ন্যায়বিচারের অধিকার নিশ্চিত করতে এবং বৈষম্যের শিকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা জোরদার করতে একটি সমন্বিত বৈষম্যবিরোধী আইন দ্রুত প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংলাপের বক্তারা। আজ বুধবার রাজধানীর হোটেল সারিনায় নাগরিক উদ্যোগ, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (এমজেএফ), বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত অধিকার আন্দোলন (বিডিইআরএম) এবং বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট)-এর যৌথ উদ্যোগে ‘বৈষম্যবিরোধী আইন’ শীর্ষক জাতীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।
সংলাপে সভাপতিত্ব করেন নাগরিক উদ্যোগের চেয়ারপারসন ড. মেঘনা গুহঠাকুরতা। সূচনা বক্তব্য প্রদান ও আলোচনা সঞ্চালনা করেন মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক বনশ্রী মিত্র নিয়োগী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নাগরিক উদ্যোগের প্রধান নির্বাহী জাকির হোসেন।
স্বাগত বক্তব্যে বনশ্রী মিত্র নিয়োগী কেবল আইন প্রণয়নের চেয়ে তার কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন এবং বৈষম্যের শিকার মানুষের অধিকার রক্ষায় একটি সহজলভ্য আইনি কাঠামোর দাবি জানান।
মূল প্রবন্ধে জাকির হোসেন দেশের কাঠামোগত ও প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্য তুলে ধরে জানান, সংবিধানে সমতার কথা থাকলেও দলিত, চা-শ্রমিক, বেদে, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী ও জেন্ডার বৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠী এখনও বঞ্চনার শিকার; কারণ দেশে কোনো সমন্বিত বৈষম্যবিরোধী আইন নেই।
বিশেষ অতিথি ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বৈষম্যবিরোধী আইনকে সংবিধান, আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার ও এসডিজি অর্জনের জন্য জরুরি উল্লেখ করে বৈষম্যের স্পষ্ট সংজ্ঞা এবং সহজ প্রতিকার ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেন।
আইন কমিশনের নয়ন বড়াল প্রস্তাবিত আইনে ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি বৈষম্যমূলক সামাজিক চর্চা বদলানোর ব্যবস্থা ও শক্তিশালী তদারকি কাঠামোর আহ্বান জানান।
প্রান্তিক প্রতিনিধিদের মধ্যে খন্দকার জাহুরুল আলম প্রতিবন্ধীদের বিচারপ্রাপ্তির বাধা এবং উত্তম কুমার ভক্ত দলিতদের প্রতি সামাজিক কলঙ্কের কথা তুলে ধরেন।
সবশেষে, ড. মেঘনা গুহঠাকুরতা বলেন, এসব বাস্তব অভিজ্ঞতা আইন প্রণয়নে ভূমিকা রাখবে। বক্তারা দেশের সব নাগরিকের সম-অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করে একটি বৈষম্যহীন, অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়তে দ্রুত একটি শক্তিশালী ও কার্যকর বৈষম্যবিরোধী আইন পাসের জন্য সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান।

দেশের সকল নাগরিকের জন্য সংবিধানে ঘোষিত সমতা, মর্যাদা ও ন্যায়বিচারের অধিকার নিশ্চিত করতে এবং বৈষম্যের শিকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা জোরদার করতে একটি সমন্বিত বৈষম্যবিরোধী আইন দ্রুত প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংলাপের বক্তারা। আজ বুধবার রাজধানীর হোটেল সারিনায় নাগরিক উদ্যোগ, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (এমজেএফ), বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত অধিকার আন্দোলন (বিডিইআরএম) এবং বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট)-এর যৌথ উদ্যোগে ‘বৈষম্যবিরোধী আইন’ শীর্ষক জাতীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।
সংলাপে সভাপতিত্ব করেন নাগরিক উদ্যোগের চেয়ারপারসন ড. মেঘনা গুহঠাকুরতা। সূচনা বক্তব্য প্রদান ও আলোচনা সঞ্চালনা করেন মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক বনশ্রী মিত্র নিয়োগী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নাগরিক উদ্যোগের প্রধান নির্বাহী জাকির হোসেন।
স্বাগত বক্তব্যে বনশ্রী মিত্র নিয়োগী কেবল আইন প্রণয়নের চেয়ে তার কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন এবং বৈষম্যের শিকার মানুষের অধিকার রক্ষায় একটি সহজলভ্য আইনি কাঠামোর দাবি জানান।
মূল প্রবন্ধে জাকির হোসেন দেশের কাঠামোগত ও প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্য তুলে ধরে জানান, সংবিধানে সমতার কথা থাকলেও দলিত, চা-শ্রমিক, বেদে, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী ও জেন্ডার বৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠী এখনও বঞ্চনার শিকার; কারণ দেশে কোনো সমন্বিত বৈষম্যবিরোধী আইন নেই।
বিশেষ অতিথি ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বৈষম্যবিরোধী আইনকে সংবিধান, আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার ও এসডিজি অর্জনের জন্য জরুরি উল্লেখ করে বৈষম্যের স্পষ্ট সংজ্ঞা এবং সহজ প্রতিকার ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেন।
আইন কমিশনের নয়ন বড়াল প্রস্তাবিত আইনে ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি বৈষম্যমূলক সামাজিক চর্চা বদলানোর ব্যবস্থা ও শক্তিশালী তদারকি কাঠামোর আহ্বান জানান।
প্রান্তিক প্রতিনিধিদের মধ্যে খন্দকার জাহুরুল আলম প্রতিবন্ধীদের বিচারপ্রাপ্তির বাধা এবং উত্তম কুমার ভক্ত দলিতদের প্রতি সামাজিক কলঙ্কের কথা তুলে ধরেন।
সবশেষে, ড. মেঘনা গুহঠাকুরতা বলেন, এসব বাস্তব অভিজ্ঞতা আইন প্রণয়নে ভূমিকা রাখবে। বক্তারা দেশের সব নাগরিকের সম-অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করে একটি বৈষম্যহীন, অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়তে দ্রুত একটি শক্তিশালী ও কার্যকর বৈষম্যবিরোধী আইন পাসের জন্য সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান।