চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর কদমতলী থানার কুদার বাজার এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জেরে শাহাবুদ্দিন নামে এক গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসায়ীকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।
৪০ বছর বয়সী শাহাবুদ্দিন জুরাইন এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। দীর্ঘ দিন ভাঙারি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও গত দুই মাস ধরে তিনি নিজ বাসার নিচে গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবসা শুরু করেছিলেন।
স্বজনরা জানান, রাতে কুদার বাজার এলাকায় দুর্বৃত্তরা শাহাবুদ্দিনকে লক্ষ্য করে অতর্কিত হামলা চালায়। চাপাতি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কোপানোর ফলে তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত ১১টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শাহাবুদ্দিনের বড় ভাই মহিউদ্দিন বলেন, ‘‘কে বা কারা কী কারণে আমার ভাইকে এভাবে হত্যা করল, তা এখনো বুঝতে পারছি না।’’
কদমতলী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শাফায়েত হোসেন জানান, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে পূর্ব শত্রুতার জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। হামলাকারীরা ওই এলাকারই স্থানীয় বলে শনাক্ত করা হয়েছে।
পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, ‘‘হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে। এই ঘটনায় একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।’’

রাজধানীর কদমতলী থানার কুদার বাজার এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জেরে শাহাবুদ্দিন নামে এক গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসায়ীকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।
৪০ বছর বয়সী শাহাবুদ্দিন জুরাইন এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। দীর্ঘ দিন ভাঙারি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও গত দুই মাস ধরে তিনি নিজ বাসার নিচে গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবসা শুরু করেছিলেন।
স্বজনরা জানান, রাতে কুদার বাজার এলাকায় দুর্বৃত্তরা শাহাবুদ্দিনকে লক্ষ্য করে অতর্কিত হামলা চালায়। চাপাতি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কোপানোর ফলে তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত ১১টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শাহাবুদ্দিনের বড় ভাই মহিউদ্দিন বলেন, ‘‘কে বা কারা কী কারণে আমার ভাইকে এভাবে হত্যা করল, তা এখনো বুঝতে পারছি না।’’
কদমতলী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শাফায়েত হোসেন জানান, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে পূর্ব শত্রুতার জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। হামলাকারীরা ওই এলাকারই স্থানীয় বলে শনাক্ত করা হয়েছে।
পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, ‘‘হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে। এই ঘটনায় একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।’’