চরচা প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর এবং ফেরার সময় বিমানবন্দরে উপস্থিত ব্যক্তির সংখ্যা কমাল সরকার।
আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক চিঠিতে বলা হয়, এখন থেকে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি ও রাষ্ট্রীয় সফরে বিদেশযাত্রা এবং দেশে ফেরার সময় মন্ত্রিসভার একজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী, সংসদের চিফ হুইপ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব বিমানবন্দরে থাকবেন।
এই চিঠির মাধ্যমে ২০২৪ সালে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এ সংক্রান্ত রাষ্ট্রাচার বাতিল করা হয়েছে। আগে প্রধান উপদেষ্টার বিদেশে সফর এবং দেশে ফেরার সময় উপদেষ্টা পরিষদের জ্যেষ্ঠতম একজন উপদেষ্টা, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে সংযুক্ত উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার, ডিপ্লোমেটিক কোরের প্রধান, স্বাগতিক দেশ/দেশগুলোর মিশন প্রধানরা, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর প্রধান, মুখ্যসচিব, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব, জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের মহাপরিচালক, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাষ্ট্রাচার প্রধানকে বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকতে হতো।
তার আগে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ও মন্ত্রিসভার সদস্যসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকতেন।
তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার আগের দুই আমলের এই রাষ্ট্রাচার সংশোধন করল।

প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর এবং ফেরার সময় বিমানবন্দরে উপস্থিত ব্যক্তির সংখ্যা কমাল সরকার।
আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক চিঠিতে বলা হয়, এখন থেকে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি ও রাষ্ট্রীয় সফরে বিদেশযাত্রা এবং দেশে ফেরার সময় মন্ত্রিসভার একজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী, সংসদের চিফ হুইপ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব বিমানবন্দরে থাকবেন।
এই চিঠির মাধ্যমে ২০২৪ সালে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এ সংক্রান্ত রাষ্ট্রাচার বাতিল করা হয়েছে। আগে প্রধান উপদেষ্টার বিদেশে সফর এবং দেশে ফেরার সময় উপদেষ্টা পরিষদের জ্যেষ্ঠতম একজন উপদেষ্টা, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে সংযুক্ত উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার, ডিপ্লোমেটিক কোরের প্রধান, স্বাগতিক দেশ/দেশগুলোর মিশন প্রধানরা, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর প্রধান, মুখ্যসচিব, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব, জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের মহাপরিচালক, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাষ্ট্রাচার প্রধানকে বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকতে হতো।
তার আগে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ও মন্ত্রিসভার সদস্যসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকতেন।
তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার আগের দুই আমলের এই রাষ্ট্রাচার সংশোধন করল।