চরচা প্রতিবেদক

ঢাকার কেরানীগঞ্জে শিক্ষিকার ফ্ল্যাট থেকে নিখোঁজ ছাত্রী ও তার মায়ের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় শিক্ষিকা মিম আক্তার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এছাড়াও নুরজাহান নামে ১৫ বছরের এক কিশোরীকে গাজীপুরের কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্র পাঠানো হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার রাতে ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাজুল ইসলাম সোহাগের আদালত আসামির জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
ঢাকা জেলা পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক সুমাইয়া আক্তার এতথ্য নিশ্চিত করেন।
এর আগে, আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর আসামিরা স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মতি হওয়ায় তা রেকর্ডের আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত মিম আক্তারের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে শিশু হওয়ায় নুরজাহানের জবানবন্দি রেকর্ডের জন্য আগামী রোববার দিন ধার্য করে গাজীপুরের কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
গত ২৫ ডিসেম্বর নিহত ছাত্রী জোবাইদা রহমান ফাতেমা শিক্ষিকা মিমের বাসায় প্রাইভেট পড়তে যায়। এ সময় আগের ঝগড়ার সূত্রে মিম আক্তার ও তার ছোট বোন নুসরাত নুরজাহান মিলে জোবাইদা রহমান ফাতেমাকে গলায় ওড়না পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে লাশটি গুম করার জন্য তাদের ফ্ল্যাটের ফলস ছাদের ওপর লুকিয়ে রাখে। এরপর মা রোকেয়া রহমানকে ডেকে নিয়ে তাকেও হত্যা করা হয়।
ফাতেমার বাবা শাহিন আহমেদের করা মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ফাতেমা ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য মিমের বাসায় নিয়মিত পড়াশোনা করত। ঘটনার দিন ২৫ ডিসেম্বর বিকেল ৫টার দিকে ফাতেমা মিমের বাসায় পড়তে যায়। পরে সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে মিম কল করে মেয়েকে নিয়ে যেতে বলে। মেয়েকে আনতে মা রোকেয়া রহমান বাসা থেকে বের হয়। আসামিরা সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে ফোন করে জানায়, তার স্ত্রীর যাওয়ার প্রয়োজন নেই, মেয়ে বাসার উদ্দেশে বের হয়ে গেছে। পরে আসামিদের বারবার জিজ্ঞাসা করেও তার স্ত্রীর কোনো সন্ধান পাননি। পরে আত্নীয়সহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করে না পেয়ে দুদিন পর থানায় একটি জিডি করেন। এই ঘটনায় শাহিন আহমেদ গত ২৫ ডিসেম্বর কেরাণীগঞ্জ মডেল থানায় একটি নিখোঁজ জিডি করেন। পরে তিনি একই থানায় ৬ জানুয়ারি বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামি করে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন।
পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গৃহশিক্ষক মিম আক্তার ও নিহতেরা আগে থেকেই পরিচিত। একই এলাকায় থাকতেন। এরই সূত্র ধরে রোকেয়া রহমানকে জামিনদার করে মিম আক্তার একটি এনজিও থেকে দেড় লাখ টাকা ঋণ নেন। পরে গৃহশিক্ষক এই ঋণের টাকা পরিশোধ করতে বিলম্ব হওয়ায় এনজিও কর্মকর্তারা রোকেয়া রহমানের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। এই নিয়ে মিম আক্তার ও তার বোন নুসরাত নুরজাহানের সাথে রোকেয়া রহমানের প্রায় ঝগড়াঝাঁটি হয়। দুই মাস আগে গৃহশিক্ষক মিম আক্তার বাসা ছেড়ে দিয়ে মুক্তিরবাগ ডায়াবেটিস বাজার এলাকায় শামীমের বাসায় একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে সেখানে চলে আসেন।

ঢাকার কেরানীগঞ্জে শিক্ষিকার ফ্ল্যাট থেকে নিখোঁজ ছাত্রী ও তার মায়ের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় শিক্ষিকা মিম আক্তার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এছাড়াও নুরজাহান নামে ১৫ বছরের এক কিশোরীকে গাজীপুরের কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্র পাঠানো হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার রাতে ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাজুল ইসলাম সোহাগের আদালত আসামির জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
ঢাকা জেলা পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক সুমাইয়া আক্তার এতথ্য নিশ্চিত করেন।
এর আগে, আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর আসামিরা স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মতি হওয়ায় তা রেকর্ডের আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত মিম আক্তারের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে শিশু হওয়ায় নুরজাহানের জবানবন্দি রেকর্ডের জন্য আগামী রোববার দিন ধার্য করে গাজীপুরের কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
গত ২৫ ডিসেম্বর নিহত ছাত্রী জোবাইদা রহমান ফাতেমা শিক্ষিকা মিমের বাসায় প্রাইভেট পড়তে যায়। এ সময় আগের ঝগড়ার সূত্রে মিম আক্তার ও তার ছোট বোন নুসরাত নুরজাহান মিলে জোবাইদা রহমান ফাতেমাকে গলায় ওড়না পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে লাশটি গুম করার জন্য তাদের ফ্ল্যাটের ফলস ছাদের ওপর লুকিয়ে রাখে। এরপর মা রোকেয়া রহমানকে ডেকে নিয়ে তাকেও হত্যা করা হয়।
ফাতেমার বাবা শাহিন আহমেদের করা মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ফাতেমা ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য মিমের বাসায় নিয়মিত পড়াশোনা করত। ঘটনার দিন ২৫ ডিসেম্বর বিকেল ৫টার দিকে ফাতেমা মিমের বাসায় পড়তে যায়। পরে সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে মিম কল করে মেয়েকে নিয়ে যেতে বলে। মেয়েকে আনতে মা রোকেয়া রহমান বাসা থেকে বের হয়। আসামিরা সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে ফোন করে জানায়, তার স্ত্রীর যাওয়ার প্রয়োজন নেই, মেয়ে বাসার উদ্দেশে বের হয়ে গেছে। পরে আসামিদের বারবার জিজ্ঞাসা করেও তার স্ত্রীর কোনো সন্ধান পাননি। পরে আত্নীয়সহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করে না পেয়ে দুদিন পর থানায় একটি জিডি করেন। এই ঘটনায় শাহিন আহমেদ গত ২৫ ডিসেম্বর কেরাণীগঞ্জ মডেল থানায় একটি নিখোঁজ জিডি করেন। পরে তিনি একই থানায় ৬ জানুয়ারি বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামি করে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন।
পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গৃহশিক্ষক মিম আক্তার ও নিহতেরা আগে থেকেই পরিচিত। একই এলাকায় থাকতেন। এরই সূত্র ধরে রোকেয়া রহমানকে জামিনদার করে মিম আক্তার একটি এনজিও থেকে দেড় লাখ টাকা ঋণ নেন। পরে গৃহশিক্ষক এই ঋণের টাকা পরিশোধ করতে বিলম্ব হওয়ায় এনজিও কর্মকর্তারা রোকেয়া রহমানের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। এই নিয়ে মিম আক্তার ও তার বোন নুসরাত নুরজাহানের সাথে রোকেয়া রহমানের প্রায় ঝগড়াঝাঁটি হয়। দুই মাস আগে গৃহশিক্ষক মিম আক্তার বাসা ছেড়ে দিয়ে মুক্তিরবাগ ডায়াবেটিস বাজার এলাকায় শামীমের বাসায় একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে সেখানে চলে আসেন।