চরচা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া অঙ্গরাজ্যের মাসকাটিন শহরে পারিবারিক কলহের জেরে পরিবারের ছয়জনকে গুলি করে হত্যা করে পরে নিজে আত্মহত্যা করেছেন বন্দুকধারী।
স্থানীয় সময় সোমবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহত সন্দেহভাজন বন্দুকধারীর নাম রায়ান উইলিস ম্যাকফারল্যান্ড (৫২), তিনি আইওয়ার মাসকাটিন শহরের বাসিন্দা ছিলেন।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সেখানে একই পরিবারের চারজনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। পুলিশ পৌঁছানোর আগেই হামলাকারী সেখান থেকে পালিয়ে যান। পরে তদন্তের সূত্র ধরে পুলিশ আরও দুই স্থান থেকে আরও দুজন পুরুষের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করে। যাদের মধ্যে একজন অন্য একটি বাড়িতে এবং দ্বিতীয়জন কাছের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে মৃত অবস্থায় পড়েছিলেন।
পরে শহরের নদীতীরের একটি পথের কাছে হামলাকারীকে পাওয়া যায়। তার শরীরে নিজের গুলির আঘাত ছিল। চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও ঘটনাস্থলেই তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক বিরোধ থেকেই এসব হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। নিহতরা সবাই সন্দেহভাজন হামলাকারীর পরিবারের সদস্য বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে নিহতদের নাম বা বয়স এখনো প্রকাশ করা হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত এখনও চলছে। তারা আরও জানিয়েছে, ওই বন্দুকধারীর বিরুদ্ধে আগে থেকেই অপরাধের রেকর্ড ছিল, তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া অঙ্গরাজ্যের মাসকাটিন শহরে পারিবারিক কলহের জেরে পরিবারের ছয়জনকে গুলি করে হত্যা করে পরে নিজে আত্মহত্যা করেছেন বন্দুকধারী।
স্থানীয় সময় সোমবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহত সন্দেহভাজন বন্দুকধারীর নাম রায়ান উইলিস ম্যাকফারল্যান্ড (৫২), তিনি আইওয়ার মাসকাটিন শহরের বাসিন্দা ছিলেন।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সেখানে একই পরিবারের চারজনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। পুলিশ পৌঁছানোর আগেই হামলাকারী সেখান থেকে পালিয়ে যান। পরে তদন্তের সূত্র ধরে পুলিশ আরও দুই স্থান থেকে আরও দুজন পুরুষের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করে। যাদের মধ্যে একজন অন্য একটি বাড়িতে এবং দ্বিতীয়জন কাছের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে মৃত অবস্থায় পড়েছিলেন।
পরে শহরের নদীতীরের একটি পথের কাছে হামলাকারীকে পাওয়া যায়। তার শরীরে নিজের গুলির আঘাত ছিল। চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও ঘটনাস্থলেই তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক বিরোধ থেকেই এসব হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। নিহতরা সবাই সন্দেহভাজন হামলাকারীর পরিবারের সদস্য বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে নিহতদের নাম বা বয়স এখনো প্রকাশ করা হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত এখনও চলছে। তারা আরও জানিয়েছে, ওই বন্দুকধারীর বিরুদ্ধে আগে থেকেই অপরাধের রেকর্ড ছিল, তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।