রাজশাহী প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) গত ১৭-১৮ মাসে নিয়োগ বাণিজ্য, অনিয়ম এবং প্রায় তিন শতাধিক ‘বহিরাগত সন্ত্রাসীকে’ নিয়োগ দিয়ে ক্যাম্পাসকে অনিরাপদ করে তোলার অভিযোগ করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ হাবিবুর রহমান হলের সহায়ক কর্মচারী এবং বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় জাতীয়তাবাদী কর্মচারী ফেডারেশনের যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান।
মাসুদুর রহমান জানান, গত ১০ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে একটি আবেদন জমা দেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর কোনো স্বায়ত্তশাসিত বা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নতুন নিয়োগ বা নীতি নির্ধারণী সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। প্রশাসন নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে না পারে এমন কাজ থেকে বিরত থাকা।
মাসুদুর রহমান আরও দাবি করেন, এই প্রতিবাদের জেরে তৎকালীন উপাচার্য ডক্টর সালেহ হাসান নকীবের সন্ত্রাসী বাহিনী ও তথাকথিত ‘জুলাই যোদ্ধা’ নামক বাহিনীর প্রায় অর্ধশতাধিক সদস্য ১৭টি মোটরসাইকেলে এসে তাকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা চালায়। তবে সাধারণ ছাত্রদের হস্তক্ষেপে তিনি রক্ষা পান।
ঘটনার পর মাসুদুর রহমান হল প্রাধ্যক্ষ ও প্রক্টরের কাছে লিখিত আবেদন করলেও কোনো সুরাহা মেলেনি। এমনকি প্রাধ্যক্ষ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উপাচার্যকে লিখিতভাবে জানালেও তৎকালীন প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। উল্টো প্রক্টর ও উপাচার্যের প্রভাবে পুলিশ তার সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ করেন মাসুদুর রহমান।
মাসুদুর রহমানের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় তিন শতাধিক বহিরাগতকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যারা মূলত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত। এই বহিরাগতদের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা লাঞ্ছিত হয়েছেন, এমনকি প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতনের ঘটনাগুলোকে মাসুদুর রহমান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে বিরল ও কলঙ্কজনক বলে অভিহিত করেন।
সাবেক উপাচার্যের বিরুদ্ধে অনৈতিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা বাতিলের অভিযোগ তুলে মাসুদুর রহমান বলেন, “বাংলাদেশের সব প্রতিষ্ঠানে এই সুবিধা চালু থাকলেও রাবিতে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া গত দেড় বছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশপন্থী কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষকদের প্রতি চরম বৈষম্য করা হয়েছে এবং স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে অযোগ্যদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।”
অন্যদিকে অভিযোগ রয়েছে, একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের অনুসারীদের প্রাধান্য দিয়ে এই নিয়োগ সম্পন্ন করা হয়েছে। নিয়োগ চলাকালীন স্বজনপ্রীতিসহ আরও কিছু অভিযোগ আনা হয়। বিভিন্ন সময় নিয়োগ বাতিল চেয়ে বিক্ষোভ, সংবাদ সম্মেলন ও অনশনের ঘটনাও ঘটেছে। তবে এসব কিছুর তোয়াক্কা না করে নিয়োগ পক্রিয়া চালিয়ে গিয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য সালেহ হাসান নকীব।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) গত ১৭-১৮ মাসে নিয়োগ বাণিজ্য, অনিয়ম এবং প্রায় তিন শতাধিক ‘বহিরাগত সন্ত্রাসীকে’ নিয়োগ দিয়ে ক্যাম্পাসকে অনিরাপদ করে তোলার অভিযোগ করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ হাবিবুর রহমান হলের সহায়ক কর্মচারী এবং বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় জাতীয়তাবাদী কর্মচারী ফেডারেশনের যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান।
মাসুদুর রহমান জানান, গত ১০ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে একটি আবেদন জমা দেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর কোনো স্বায়ত্তশাসিত বা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নতুন নিয়োগ বা নীতি নির্ধারণী সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। প্রশাসন নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে না পারে এমন কাজ থেকে বিরত থাকা।
মাসুদুর রহমান আরও দাবি করেন, এই প্রতিবাদের জেরে তৎকালীন উপাচার্য ডক্টর সালেহ হাসান নকীবের সন্ত্রাসী বাহিনী ও তথাকথিত ‘জুলাই যোদ্ধা’ নামক বাহিনীর প্রায় অর্ধশতাধিক সদস্য ১৭টি মোটরসাইকেলে এসে তাকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা চালায়। তবে সাধারণ ছাত্রদের হস্তক্ষেপে তিনি রক্ষা পান।
ঘটনার পর মাসুদুর রহমান হল প্রাধ্যক্ষ ও প্রক্টরের কাছে লিখিত আবেদন করলেও কোনো সুরাহা মেলেনি। এমনকি প্রাধ্যক্ষ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উপাচার্যকে লিখিতভাবে জানালেও তৎকালীন প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। উল্টো প্রক্টর ও উপাচার্যের প্রভাবে পুলিশ তার সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ করেন মাসুদুর রহমান।
মাসুদুর রহমানের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় তিন শতাধিক বহিরাগতকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যারা মূলত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত। এই বহিরাগতদের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা লাঞ্ছিত হয়েছেন, এমনকি প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতনের ঘটনাগুলোকে মাসুদুর রহমান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে বিরল ও কলঙ্কজনক বলে অভিহিত করেন।
সাবেক উপাচার্যের বিরুদ্ধে অনৈতিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা বাতিলের অভিযোগ তুলে মাসুদুর রহমান বলেন, “বাংলাদেশের সব প্রতিষ্ঠানে এই সুবিধা চালু থাকলেও রাবিতে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া গত দেড় বছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশপন্থী কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষকদের প্রতি চরম বৈষম্য করা হয়েছে এবং স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে অযোগ্যদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।”
অন্যদিকে অভিযোগ রয়েছে, একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের অনুসারীদের প্রাধান্য দিয়ে এই নিয়োগ সম্পন্ন করা হয়েছে। নিয়োগ চলাকালীন স্বজনপ্রীতিসহ আরও কিছু অভিযোগ আনা হয়। বিভিন্ন সময় নিয়োগ বাতিল চেয়ে বিক্ষোভ, সংবাদ সম্মেলন ও অনশনের ঘটনাও ঘটেছে। তবে এসব কিছুর তোয়াক্কা না করে নিয়োগ পক্রিয়া চালিয়ে গিয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য সালেহ হাসান নকীব।