রাজধানীর গেন্ডারিয়ার মুন্সিরটেক এলাকায় মাদক কারবারের আধিপত্যকে কেন্দ্র করে গোলাগুলির ঘটনায় অস্ত্রসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। গতকাল বুধবার রাত ১১টার দিকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে যাত্রাবাড়ীর দয়াগঞ্জের একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবির মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম।
গ্রেপ্তাররা হলেন- ফরিদ বেপারি (২৩), মো. সবুজ (২২), আমজাদ হোসেন আলিফ ১৮ ও রিফাত হোসেন (১৯)।
শফিকুল ইসলাম বলেন, “গ্রেপ্তারের পর ফরিদ বেপারীর দেহ তল্লাশি করে একটি ৭.৬৫ মিলিমিটার বিদেশি পিস্তল, একটি স্টিলের ম্যাগজিন ও দুই রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়। তার প্যান্টের সামনের পকেট থেকে ১৬০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। সবুজের দেহ তল্লাশি করে একটি ৭.৬৫ মিলিমিটার বিদেশি পিস্তল ও একটি স্টিলের ম্যাগজিন জব্দ করা হয়। এছাড়া, শাহাদাত হোসেন আলিফের নিকট থেকে একটি সুইচ গিয়ার চাকু ও রিফাত হোসেনের থেকে একটি লোহার তৈরি কাঠের বাটযুক্ত ছুরি উদ্ধার করা হয়।”
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতার ব্যক্তিরা একটি সংঘবদ্ধ অবৈধ অস্ত্রধারী, সন্ত্রাসী ও মাদক ক্রয়-বিক্রয় চক্রের সক্রিয় সদস্য। গত ৩০ আগস্ট স্বামীবাগ এলাকায় গোলাগুলি ও দেশীয় অস্ত্রের মহড়ার ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজে তাদের ছবি প্রকাশ পাওয়ার পর তারা বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিল। তারা সবাই সন্ত্রাসী অটো সজলের অনুসারী।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শফিকুল ইসলাম বলেন, “সিসি ক্যামরায় যাদের হাতে অস্ত্র দেখা গেছে তাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। অপরাধীদের ধরার ক্ষেত্রে কোনো পক্ষ, রাজনৈতিক দল বিবেচনা করা হবে না।”
গেন্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান খান চরচাকে বলেন, “পুলিশ বাদি হয়ে একটি মামলা করেছে। যেখানে ৩০ থেকে ৪০ জনকে অজ্ঞাতনামা করা হয়েছে।”