চরচা প্রতিবেদক

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কর্মকর্তা ‘ছাগলকাণ্ডের’ জন্য আলোচিত মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের মামলায় আগামী ১১ মে চার্জগঠন শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত।
আজ সোমবার বিভাগীয় স্পেশাল জজ শারমিন আফরোজ এ দিন ধার্য করেন। মতিউর রহমানের আইনজীবী মো. ওয়াহিদুজ্জামান লিটন ঢালি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
দুদকের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মতিউর রহমান তার সম্পদ বিবরণীতে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে’ ১ কোটি ২৪ লাখ ২৫ হাজার ২১১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেন। সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অপরাধলব্ধ আয় থেকে নিজ নামে গোপনসহ মোট ৫ কোটি ৪০ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭২ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।
২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর মতিউর রহমান ও তার দ্বিতীয় স্ত্রীর বিরুদ্ধে ১১ কোটি ১৮ লাখ ৮৬ হাজার ১২০ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে দুটি মামলা হয়।
প্রথম মামলায় মতিউরের বিরুদ্ধে ৫ কোটি ২৮ লাখ ৭৫ হাজার ৯৩৯ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং ১ কোটি ২৭ লাখ ৬৬ হাজার ২১৬ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ করা হয়। এই মামলারই অভিযোগপত্র অনুমোদন দিয়েছে দুদক।
অপরদিকে দ্বিতীয় মামলায় মতিউরের সঙ্গে আসামি করা হয়েছে তার দ্বিতীয় স্ত্রী শাম্মী আখতার শিবলীকে। শিবলীর বিরুদ্ধে ১ কোটি ৮৭ লাখ ১৫ হাজার ৪৯০ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ২ কোটি ৭৫ লাখ ২৮ হাজার ৪৭৫ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এ মামলার তদন্ত এখনো চলছে।
মতিউর ও তার প্রথম স্ত্রী লায়লা কানিজ লাকিকে ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।
২০২৪ সালে কোরবানির জন্য ঢাকার মোহাম্মদপুরের সাদিক অ্যাগ্রো থেকে ইফাত নামের এক তরুণের ১৫ লাখ টাকা দামের ছাগল কেনার ফেইসবুক পোস্ট ঘিরে মতিউর রহমানকে নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কর্মকর্তা ‘ছাগলকাণ্ডের’ জন্য আলোচিত মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের মামলায় আগামী ১১ মে চার্জগঠন শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত।
আজ সোমবার বিভাগীয় স্পেশাল জজ শারমিন আফরোজ এ দিন ধার্য করেন। মতিউর রহমানের আইনজীবী মো. ওয়াহিদুজ্জামান লিটন ঢালি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
দুদকের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মতিউর রহমান তার সম্পদ বিবরণীতে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে’ ১ কোটি ২৪ লাখ ২৫ হাজার ২১১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেন। সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অপরাধলব্ধ আয় থেকে নিজ নামে গোপনসহ মোট ৫ কোটি ৪০ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭২ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।
২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর মতিউর রহমান ও তার দ্বিতীয় স্ত্রীর বিরুদ্ধে ১১ কোটি ১৮ লাখ ৮৬ হাজার ১২০ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে দুটি মামলা হয়।
প্রথম মামলায় মতিউরের বিরুদ্ধে ৫ কোটি ২৮ লাখ ৭৫ হাজার ৯৩৯ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং ১ কোটি ২৭ লাখ ৬৬ হাজার ২১৬ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ করা হয়। এই মামলারই অভিযোগপত্র অনুমোদন দিয়েছে দুদক।
অপরদিকে দ্বিতীয় মামলায় মতিউরের সঙ্গে আসামি করা হয়েছে তার দ্বিতীয় স্ত্রী শাম্মী আখতার শিবলীকে। শিবলীর বিরুদ্ধে ১ কোটি ৮৭ লাখ ১৫ হাজার ৪৯০ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ২ কোটি ৭৫ লাখ ২৮ হাজার ৪৭৫ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এ মামলার তদন্ত এখনো চলছে।
মতিউর ও তার প্রথম স্ত্রী লায়লা কানিজ লাকিকে ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।
২০২৪ সালে কোরবানির জন্য ঢাকার মোহাম্মদপুরের সাদিক অ্যাগ্রো থেকে ইফাত নামের এক তরুণের ১৫ লাখ টাকা দামের ছাগল কেনার ফেইসবুক পোস্ট ঘিরে মতিউর রহমানকে নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো.তৌফিক আলম বলেন, “যে নিয়মে শিক্ষকেরা পদোন্নতি চাচ্ছেন, তাতে ইউজিসির আপত্তি আছে। ইউজিসি বলেছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অভিন্ন নীতিমালায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পদোন্নতি দিতে হবে। ইতোমধ্যে এ-সংক্রান্ত পত্র দিয়েছে ইউজিসি।”