চরচা ডেস্ক

দখলকৃত পশ্চিম তীরে একদল ফিলিস্তিনি গ্রামবাসী, কর্মী ও সাংবাদিকের ওপর ইসরায়েলি অবৈধ বসতি স্থাপনকারীরা হামলা চালিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার ফিলিস্তিনি গ্রামবাসীরা সেখানে জলপাই সংগ্রহ করতে গিয়েছিল।
নাবলুস শহরের দক্ষিণের ফিলিস্তিনি গ্রাম বেইতার কাছে এই ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স। হামলায় রয়টার্সের দুই কর্মী, একজন সাংবাদিক ও তার সঙ্গে থাকা নিরাপত্তা পরামর্শক আহত হন। লাঠি, রড ও বড় পাথর হাতে নিয়ে ওই ইসরায়েলিরা হামলা চালানো হয়।
গত কয়েক বছর এ এলাকায় ইসরায়েলি অবৈধ বসতি স্থাপনকারীরা হামলা করে চলেছে। দুই বছর আগে গাজায় যুদ্ধে শুরু হওয়ার পর থেকে পশ্চিম তীরজুড়ে এমন হামলার সংখ্যা আরও বেড়েছে। চলতি বছরের অক্টোবরে শুরু হওয়া জলপাই সংগ্রহ মৌসুমেও এসব হামলা বেড়েছে।
পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলার ঘটনা বাড়তে থাকায়, ইসরায়েলি ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কর্মীরা ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। তারা জলপাই বাগান থেকে ফল সংগ্রহের অধিকার রক্ষায় এবং হামলার ঘটনা নথিবদ্ধ করতে সাহায্য করছেন।সাধারণত যেসব এলাকায় এই অবৈধ বসতি বেশি, সেসব এলাকায় জলপাই সংগ্রহ করতে গেলে মানবাধিকার কর্মীরা বা স্থানীয় ফিলিস্তিনিরা প্রায়ই সাংবাদিকদের আগেই জানিয়ে দেন কোথায় জলপাই সংগ্রহ হবে, যাতে তারা উপস্থিত থেকে প্রতিবেদন করতে পারেন।
এই বসতিগুলো সাধারণত কয়েকটি ক্যারাভান বা ছোট স্থায়ী কাঠামোর সমন্বয়ে গঠিত হয়, যেগুলোর কোনো আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেয়নি ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী পশ্চিম তীরের সব বসতি অবৈধ বলে গণ্য হলেও ইসরায়েল সে দাবি অস্বীকার করে।
ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, সংঘর্ষের খবর পাওয়ার পর তারা সৈন্য পাঠিয়েছিল। তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন, ঘটনাস্থলে কোনো ইসরায়েলি সেনাকে দেখা যায়নি।
আইডিএফ এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘‘আমরা যেকোনো ধরনের সহিংসতাকে নিন্দা জানাই এবং এলাকায় নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কাজ চালিয়ে যাব।’’ তারা আরও জানায়, ঘটনার তদন্ত পুলিশ করবে।
রয়টার্সের পক্ষ থেকে মন্তব্য চাইলে ইসরায়েলি পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

দখলকৃত পশ্চিম তীরে একদল ফিলিস্তিনি গ্রামবাসী, কর্মী ও সাংবাদিকের ওপর ইসরায়েলি অবৈধ বসতি স্থাপনকারীরা হামলা চালিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার ফিলিস্তিনি গ্রামবাসীরা সেখানে জলপাই সংগ্রহ করতে গিয়েছিল।
নাবলুস শহরের দক্ষিণের ফিলিস্তিনি গ্রাম বেইতার কাছে এই ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স। হামলায় রয়টার্সের দুই কর্মী, একজন সাংবাদিক ও তার সঙ্গে থাকা নিরাপত্তা পরামর্শক আহত হন। লাঠি, রড ও বড় পাথর হাতে নিয়ে ওই ইসরায়েলিরা হামলা চালানো হয়।
গত কয়েক বছর এ এলাকায় ইসরায়েলি অবৈধ বসতি স্থাপনকারীরা হামলা করে চলেছে। দুই বছর আগে গাজায় যুদ্ধে শুরু হওয়ার পর থেকে পশ্চিম তীরজুড়ে এমন হামলার সংখ্যা আরও বেড়েছে। চলতি বছরের অক্টোবরে শুরু হওয়া জলপাই সংগ্রহ মৌসুমেও এসব হামলা বেড়েছে।
পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলার ঘটনা বাড়তে থাকায়, ইসরায়েলি ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কর্মীরা ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। তারা জলপাই বাগান থেকে ফল সংগ্রহের অধিকার রক্ষায় এবং হামলার ঘটনা নথিবদ্ধ করতে সাহায্য করছেন।সাধারণত যেসব এলাকায় এই অবৈধ বসতি বেশি, সেসব এলাকায় জলপাই সংগ্রহ করতে গেলে মানবাধিকার কর্মীরা বা স্থানীয় ফিলিস্তিনিরা প্রায়ই সাংবাদিকদের আগেই জানিয়ে দেন কোথায় জলপাই সংগ্রহ হবে, যাতে তারা উপস্থিত থেকে প্রতিবেদন করতে পারেন।
এই বসতিগুলো সাধারণত কয়েকটি ক্যারাভান বা ছোট স্থায়ী কাঠামোর সমন্বয়ে গঠিত হয়, যেগুলোর কোনো আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেয়নি ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী পশ্চিম তীরের সব বসতি অবৈধ বলে গণ্য হলেও ইসরায়েল সে দাবি অস্বীকার করে।
ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, সংঘর্ষের খবর পাওয়ার পর তারা সৈন্য পাঠিয়েছিল। তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন, ঘটনাস্থলে কোনো ইসরায়েলি সেনাকে দেখা যায়নি।
আইডিএফ এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘‘আমরা যেকোনো ধরনের সহিংসতাকে নিন্দা জানাই এবং এলাকায় নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কাজ চালিয়ে যাব।’’ তারা আরও জানায়, ঘটনার তদন্ত পুলিশ করবে।
রয়টার্সের পক্ষ থেকে মন্তব্য চাইলে ইসরায়েলি পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।