চরচা প্রতিবেদক

কোনো পরীক্ষা ছাড়াই প্রথমবারের মত প্রবাসীদের পোস্টাল ব্যালটে ভোট নেওয়া বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
আজ সোমবার পোস্টাল ব্যালটে ভোটদান পদ্ধতি নিয়ে প্রবাসী ভোটারদের সঙ্গে এক ভার্চুয়াল সভায় এ কথা বলেন তিনি।
আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সভাপতিত্বে এ সভায় ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ ও জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীরসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সানাউল্লাহ বলেন, “১৮ নভেম্বর পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানের জন্য অ্যাপ চালু হবে। এরপর অনলাইনে যে ফর্মটা পাওয়া যাবে সেটা ডাউনলোড করে পূরণ করতে হবে। নির্বাচনের তিন সপ্তাহ আগে প্রার্থীর তালিকা হয়ে যাবে। এরপর ভোট দিয়ে নিকটস্থ পোস্ট বক্সে ড্রপ করতে হবে। নির্বাচনের অন্তত ১৭ দিন আগে পোস্টাল ভোট পাঠিয়ে দিতে হবে। না হলে নির্বাচনের পরে ভোট পৌঁছাতে পারে। সেক্ষেত্রে ভোটটি নেওয়া যাবে না।”
তিনি আরও বলেন, প্রবাসী ভোটারদের নির্বাচনের ২০ দিন আগে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে হবে। ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া ছাড়া এই নির্বাচনে ভোট দেওয়া সম্ভব না।

কোনো পরীক্ষা ছাড়াই প্রথমবারের মত প্রবাসীদের পোস্টাল ব্যালটে ভোট নেওয়া বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
আজ সোমবার পোস্টাল ব্যালটে ভোটদান পদ্ধতি নিয়ে প্রবাসী ভোটারদের সঙ্গে এক ভার্চুয়াল সভায় এ কথা বলেন তিনি।
আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সভাপতিত্বে এ সভায় ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ ও জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীরসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সানাউল্লাহ বলেন, “১৮ নভেম্বর পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানের জন্য অ্যাপ চালু হবে। এরপর অনলাইনে যে ফর্মটা পাওয়া যাবে সেটা ডাউনলোড করে পূরণ করতে হবে। নির্বাচনের তিন সপ্তাহ আগে প্রার্থীর তালিকা হয়ে যাবে। এরপর ভোট দিয়ে নিকটস্থ পোস্ট বক্সে ড্রপ করতে হবে। নির্বাচনের অন্তত ১৭ দিন আগে পোস্টাল ভোট পাঠিয়ে দিতে হবে। না হলে নির্বাচনের পরে ভোট পৌঁছাতে পারে। সেক্ষেত্রে ভোটটি নেওয়া যাবে না।”
তিনি আরও বলেন, প্রবাসী ভোটারদের নির্বাচনের ২০ দিন আগে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে হবে। ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া ছাড়া এই নির্বাচনে ভোট দেওয়া সম্ভব না।

জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তীর সবচেয়ে বড় অর্জনের ২ টা হলো তার অহিংস প্রতিবাদের ডাকে আমেরিকার সংবিধানে ২৪তম সংশোধনীর অনুমোদন হয় যার মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকারের ওপর আরোপিত কর বিলুপ্ত করা হয় এবং দ্বিতীয়টি হলো ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন (Civil Rights Act) পাস করা হয়।

সিআইডি জানিয়েছে, দীর্ঘ দিন ধরেই প্রতারক চক্রের এই দুই সদস্য অর্থের বিনিময়ে ও যোগসাজসে ওটিপি ট্রান্সফারের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের এনআইডির মূল সার্ভারে প্রবেশ করে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে ও তা বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়াকে প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করে বিক্রি করত।