চরচা প্রতিবেদক

প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের সব প্রস্তুতি শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
আজ বুধবার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে প্রেস সচিব এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, এই প্রস্তুতির মূল লক্ষ্য হল নির্বাচনকে সুন্দর, উৎসবমুখর ও চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা।
নির্বাচন নিয়ে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক শেষে এই ব্রিফিং করেন প্রেস সচিব।
প্রেস সচিব বলেন, “আজকের প্রায় দুই ঘণ্টার এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় প্রধান উপদেষ্টা ছাড়াও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরোয়ার ফারুকী, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা লেফট্যানেন্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, বিশেষ সহকারী লে. জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ এবং আইসিটি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব, মুখ্য সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক সহ বিভিন্ন বাহিনীর (এনএসআই, ডিজিএফআই) উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।”
শফিকুল আলম বলেন, মূলত চারটি বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা হয়। প্রথমত, সোশ্যাল ডিসইনফরমেশন বা এআই-সহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়ানো অপপ্রচার, ভুল তথ্য (মিসইনফরমেশন/ডিসইনফরমেশন) দ্রুততার সাথে মোকাবিলা করা।
দ্বিতীয়ত, পদায়ন ও বদলি বিষয়ে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের জন্য মাঠ প্রশাসনে যোগ্যতা ও নিরপেক্ষতার ভিত্তিতে কর্মকর্তাদের পদায়ন।
তৃতীয়ত, নির্বাচনী কর্মকর্তাদের কার্যকর প্রশিক্ষণ, বিশেষ করে আনসার সদস্যদের প্রশিক্ষণ জোরদার করা।
চতুর্থত, নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও ডেপ্লয়মেন্ট এর বিষয়ে নির্বাচনের আগে ও পরের ৭২ ঘণ্টাসহ সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও বাহিনীর ডেপ্লয়মেন্ট।

প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের সব প্রস্তুতি শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
আজ বুধবার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে প্রেস সচিব এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, এই প্রস্তুতির মূল লক্ষ্য হল নির্বাচনকে সুন্দর, উৎসবমুখর ও চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা।
নির্বাচন নিয়ে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক শেষে এই ব্রিফিং করেন প্রেস সচিব।
প্রেস সচিব বলেন, “আজকের প্রায় দুই ঘণ্টার এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় প্রধান উপদেষ্টা ছাড়াও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরোয়ার ফারুকী, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা লেফট্যানেন্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, বিশেষ সহকারী লে. জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ এবং আইসিটি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব, মুখ্য সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক সহ বিভিন্ন বাহিনীর (এনএসআই, ডিজিএফআই) উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।”
শফিকুল আলম বলেন, মূলত চারটি বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা হয়। প্রথমত, সোশ্যাল ডিসইনফরমেশন বা এআই-সহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়ানো অপপ্রচার, ভুল তথ্য (মিসইনফরমেশন/ডিসইনফরমেশন) দ্রুততার সাথে মোকাবিলা করা।
দ্বিতীয়ত, পদায়ন ও বদলি বিষয়ে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের জন্য মাঠ প্রশাসনে যোগ্যতা ও নিরপেক্ষতার ভিত্তিতে কর্মকর্তাদের পদায়ন।
তৃতীয়ত, নির্বাচনী কর্মকর্তাদের কার্যকর প্রশিক্ষণ, বিশেষ করে আনসার সদস্যদের প্রশিক্ষণ জোরদার করা।
চতুর্থত, নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও ডেপ্লয়মেন্ট এর বিষয়ে নির্বাচনের আগে ও পরের ৭২ ঘণ্টাসহ সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও বাহিনীর ডেপ্লয়মেন্ট।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।