চরচা প্রতিবেদক

নতুন সরকারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় নিয়োগ পাওয়া উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের মধ্যে আটজনের দপ্তর বণ্টন করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে উপদেষ্টাদের নতুন দায়িত্বের কথা জানানো হয়। গত মঙ্গলবার ১০ জন উপদেষ্টাকে নিয়োগ দিয়েছিল সরকার।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, নজরুল ইসলাম খান ও রুহুল কবীর রিজভী আহমেদকে প্রধানমন্ত্রীর ‘রাজনৈতিক উপদেষ্টা’ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
মো. ইসমাইল জবিউল্লাহকে জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার তিন উপদেষ্টাকে একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলামকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
মাহদী আমিনকে শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
রেহান আসিফ আসাদকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

নতুন সরকারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় নিয়োগ পাওয়া উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের মধ্যে আটজনের দপ্তর বণ্টন করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে উপদেষ্টাদের নতুন দায়িত্বের কথা জানানো হয়। গত মঙ্গলবার ১০ জন উপদেষ্টাকে নিয়োগ দিয়েছিল সরকার।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, নজরুল ইসলাম খান ও রুহুল কবীর রিজভী আহমেদকে প্রধানমন্ত্রীর ‘রাজনৈতিক উপদেষ্টা’ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
মো. ইসমাইল জবিউল্লাহকে জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার তিন উপদেষ্টাকে একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলামকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
মাহদী আমিনকে শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
রেহান আসিফ আসাদকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, চলমান বৃত্তি পরীক্ষাটি গত বছর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যেকোনো কারণে তারা নিতে পারেনি। আগামী বছরগুলোতে সঠিক সময়ে এ পরীক্ষা নেওয়া হবে।