বরিশাল প্রতিনিধি

বরিশালের বানারীপাড়ায় কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক সাকিবুল ইসলাম সুমনের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
গতকাল সোমবার দুপুরে উপজেলার ফেরিঘাট থেকে বন্দর বাজারের দিকে যাওয়ার পথে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
এ হামলার ঘটনায় সাকিবুল ইসলাম নিজ দলের অঙ্গ সংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হামলায় গুরুতর আহত সুমনকে প্রথমে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে মাথায় সেলাই ও প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে শেবাচিম হাসপাতালে পাঠানো হয়।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাকিবুল ইসলাম সুমন অভিযোগ করেন, ঘটনার আগে তিনি ফেরিঘাট এলাকার একটি রড-সিমেন্টের দোকানে বসেছিলেন। সে সময় দেশীয় অস্ত্রধারী একদল ব্যক্তি তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
তিনি দাবি করেন, বানারীপাড়া থানা যুবদলের সভাপতি সাব্বির আহম্মেদ সুমন হাওলাদারের নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়েছে।
তার ভাষ্য, চাখার ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান, বাইশারী ইউনিয়ন যুবদলের সেক্রেটারি মাকসুদুর রহমান ডালিম, সহ-সভাপতি রফিক মল্লিক, রাজমিস্ত্রী মিজানসহ ২৫ থেকে ৩০ জন এ ঘটনায় জড়িত ছিলেন।
সুমন বলেন, “আমি দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রামে ছিলাম। এখন হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।”
এদিকে আহত সুমনের স্ত্রী অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওয়ায় ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তিনি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
তবে অভিযুক্ত হিসেবে নাম উল্লেখ করা বানারীপাড়া থানা যুবদলের সভাপতি সাব্বির আহম্মেদ সুমনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন বানারীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমান।

বরিশালের বানারীপাড়ায় কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক সাকিবুল ইসলাম সুমনের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
গতকাল সোমবার দুপুরে উপজেলার ফেরিঘাট থেকে বন্দর বাজারের দিকে যাওয়ার পথে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
এ হামলার ঘটনায় সাকিবুল ইসলাম নিজ দলের অঙ্গ সংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হামলায় গুরুতর আহত সুমনকে প্রথমে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে মাথায় সেলাই ও প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে শেবাচিম হাসপাতালে পাঠানো হয়।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাকিবুল ইসলাম সুমন অভিযোগ করেন, ঘটনার আগে তিনি ফেরিঘাট এলাকার একটি রড-সিমেন্টের দোকানে বসেছিলেন। সে সময় দেশীয় অস্ত্রধারী একদল ব্যক্তি তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
তিনি দাবি করেন, বানারীপাড়া থানা যুবদলের সভাপতি সাব্বির আহম্মেদ সুমন হাওলাদারের নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়েছে।
তার ভাষ্য, চাখার ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান, বাইশারী ইউনিয়ন যুবদলের সেক্রেটারি মাকসুদুর রহমান ডালিম, সহ-সভাপতি রফিক মল্লিক, রাজমিস্ত্রী মিজানসহ ২৫ থেকে ৩০ জন এ ঘটনায় জড়িত ছিলেন।
সুমন বলেন, “আমি দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রামে ছিলাম। এখন হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।”
এদিকে আহত সুমনের স্ত্রী অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওয়ায় ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তিনি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
তবে অভিযুক্ত হিসেবে নাম উল্লেখ করা বানারীপাড়া থানা যুবদলের সভাপতি সাব্বির আহম্মেদ সুমনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন বানারীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমান।

গত ১২ জানুয়ারি ঠিকাদারের সঙ্গে চুক্তি সাক্ষর হয়। চুক্তি মোতাবেক ১৮ জানুয়ারি কাজ শুরু করে ২৬ জুনের মধ্যে শেষ করার কথা ছিল। কিন্তু সড়ক খুঁড়ে, কিছু গাইডওয়াল নির্মাণ করে এবং প্রায় ২০ শতাংশ কাজ সম্পন্নের পর প্রথমে বিল হিসেবে ১৮ লাখ টাকা উত্তোলন করে কাজ বন্ধ করে দেয় প্রতিষ্ঠানটি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, কোনো একটি ভাষা বা সংস্কৃতিকে প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে অন্য ভাষা বা সংস্কৃতিকে অস্বীকার করার সুযোগ নেই। বাংলাদেশের সকল ভাষা, সংস্কৃতি, ধর্মীয় বিশ্বাস ও নৃগোষ্ঠীর পরিচয়কে সম্মান ও ধারণ করেই বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ বিকশিত হয়েছে।

অনৈতিক সম্পর্কের প্রতিবাদ এবং ভিডিও ফাঁসের সন্দেহে মারধর ও শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে রাজধানীর পল্লবী থানায় মামলা হয়েছে। এ মামলায় গ্রেপ্তার এক আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।