চবি প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) প্রতিটি নিয়োগের প্রক্রিয়া, নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তির পরিচয় ও যোগ্যতা শিক্ষার্থীদের সামনে প্রকাশের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা।
আজ বুধবার দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সংস্কার আন্দোলনের’ ব্যানারে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ‘বাপ-মেয়ে একাকার, চবি কি তার বাপ-দাদার?’, ‘মামু–ভাইগ্না একাকার, চবি কি তার বাপ-দাদার?’, ‘এ প্রশাসন কি চাই, নিয়োগ ছাড়া আর কী’, ‘নিয়োগ যদি স্বচ্ছ হয়, প্রকাশ করতে কিসের ভয়’, ‘কয় বছরে কয়শো, দেড় বছরে চারশো’, ‘দোসরদের হয় না কোট, ভিসি বসায় নিয়োগ বোর্ড’, ‘বাহ ভিসি, চমৎকার নিয়োগের ঠিকাদার’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।
এ সময় গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সংগঠক ধ্রুব বড়ুয়া বলেন, “৫৪ বছর ধরে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় দলীয় নিয়োগের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। যে সরকার এসেছে, সে তার লোক নিয়োগ দিয়েছে। এর ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে শিক্ষার্থীদের। বর্তমান প্রশাসনও এর বাইরে গিয়ে কার্যকর কোনো সমাধান দিতে পারছে না।”
এই শিক্ষার্থী আরও বলেন, “আইন বিভাগের এক শিক্ষককে ঘিরে ওঠা অভিযোগের ক্ষেত্রেও তারা কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি। অতীতেও আমরা দেখেছি অন্যায়ভাবে বহিষ্কারের ঘটনা। শিক্ষার্থীদের ভোটে নির্বাচিত চাকসু আজ নিশ্চুপ। যিনি ক্ষমতায় থাকেন, তার লোকই নিয়োগ পান- এই সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে।”
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র মজলিসের সভাপতি সাকিব মাহমুদ রুমি বলেন, “আমাদের অধিকার আছে জানার, কে আমাদের পড়াবে, কে আমাদের সেবা দেবে। বর্তমান চাকসু যে ভূমিকা রেখেছে, তাতে শিক্ষার্থীরা বুঝে গেছে এই চাকসু তাদের প্রতিনিধিত্ব করে না। নাম আর পরিচয় দেখলেই বোঝা যায়, কে কার আত্মীয়। স্ক্রিপ্ট সাজিয়ে আমাদের বিভ্রান্ত করা যাবে না।”
যারা সত্যিকার অর্থে কাজ করবে, এমন লোকদের চান উল্লেখ করে এই শিক্ষার্থী বলেন, “শ্যালক-শালা-ভাই কোটায় নিয়োগ আমরা মানব না। উপাচার্য শিরিনের আমলে সব যোগ্য মানুষ চট্টগ্রাম থেকে আসত, এখন সবাই নোয়াখালী থেকে আসে, এ কেমন যোগ্যতার মাপকাঠি? আমাদের বোকা ভাববেন না, আমাদের যথেষ্ট বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা রয়েছে।”
আবেদন থেকে শুরু করে নিয়োগ পর্যন্ত সব তথ্য যোগ্যতা ও ভৌগোলিক পরিচয়সহ প্রকাশ করতে হবে বলে দাবি করেছেন তিনি।
এদিকে, অনিয়মের অভিযোগে আজ চবিতে দুদকের চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক সায়েদ আলমের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) প্রতিটি নিয়োগের প্রক্রিয়া, নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তির পরিচয় ও যোগ্যতা শিক্ষার্থীদের সামনে প্রকাশের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা।
আজ বুধবার দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সংস্কার আন্দোলনের’ ব্যানারে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ‘বাপ-মেয়ে একাকার, চবি কি তার বাপ-দাদার?’, ‘মামু–ভাইগ্না একাকার, চবি কি তার বাপ-দাদার?’, ‘এ প্রশাসন কি চাই, নিয়োগ ছাড়া আর কী’, ‘নিয়োগ যদি স্বচ্ছ হয়, প্রকাশ করতে কিসের ভয়’, ‘কয় বছরে কয়শো, দেড় বছরে চারশো’, ‘দোসরদের হয় না কোট, ভিসি বসায় নিয়োগ বোর্ড’, ‘বাহ ভিসি, চমৎকার নিয়োগের ঠিকাদার’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।
এ সময় গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সংগঠক ধ্রুব বড়ুয়া বলেন, “৫৪ বছর ধরে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় দলীয় নিয়োগের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। যে সরকার এসেছে, সে তার লোক নিয়োগ দিয়েছে। এর ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে শিক্ষার্থীদের। বর্তমান প্রশাসনও এর বাইরে গিয়ে কার্যকর কোনো সমাধান দিতে পারছে না।”
এই শিক্ষার্থী আরও বলেন, “আইন বিভাগের এক শিক্ষককে ঘিরে ওঠা অভিযোগের ক্ষেত্রেও তারা কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি। অতীতেও আমরা দেখেছি অন্যায়ভাবে বহিষ্কারের ঘটনা। শিক্ষার্থীদের ভোটে নির্বাচিত চাকসু আজ নিশ্চুপ। যিনি ক্ষমতায় থাকেন, তার লোকই নিয়োগ পান- এই সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে।”
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র মজলিসের সভাপতি সাকিব মাহমুদ রুমি বলেন, “আমাদের অধিকার আছে জানার, কে আমাদের পড়াবে, কে আমাদের সেবা দেবে। বর্তমান চাকসু যে ভূমিকা রেখেছে, তাতে শিক্ষার্থীরা বুঝে গেছে এই চাকসু তাদের প্রতিনিধিত্ব করে না। নাম আর পরিচয় দেখলেই বোঝা যায়, কে কার আত্মীয়। স্ক্রিপ্ট সাজিয়ে আমাদের বিভ্রান্ত করা যাবে না।”
যারা সত্যিকার অর্থে কাজ করবে, এমন লোকদের চান উল্লেখ করে এই শিক্ষার্থী বলেন, “শ্যালক-শালা-ভাই কোটায় নিয়োগ আমরা মানব না। উপাচার্য শিরিনের আমলে সব যোগ্য মানুষ চট্টগ্রাম থেকে আসত, এখন সবাই নোয়াখালী থেকে আসে, এ কেমন যোগ্যতার মাপকাঠি? আমাদের বোকা ভাববেন না, আমাদের যথেষ্ট বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা রয়েছে।”
আবেদন থেকে শুরু করে নিয়োগ পর্যন্ত সব তথ্য যোগ্যতা ও ভৌগোলিক পরিচয়সহ প্রকাশ করতে হবে বলে দাবি করেছেন তিনি।
এদিকে, অনিয়মের অভিযোগে আজ চবিতে দুদকের চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক সায়েদ আলমের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা হচ্ছে।