চরচা ডেস্ক

অবৈধ পথে ইতালি যাওয়ার সময় ৮ বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় মানব পাচার চক্রের দুই সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত চক্রের দুই সদস্যকে গত ১২ জানুয়ারি মাদারীপুর জেলার রাজৈর থানাধীন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন, গুরুদাস বারই ও মো. মোতালেব মাতব্বর।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, গ্রেপ্তার আসামিরা আন্তর্জাতিক মানব পাচার চক্রের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত এবং এজাহারনামীয় মূল পাচারকারীদের নির্দেশে অর্থ ও লোক সংগ্রহের কাজ করছিল। তারা ভুক্তভোগীদের বিদেশে পাচারের পুরো প্রক্রিয়ায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত ছিল।
২০২৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তিউনিশিয়া উপকূলে পৌঁছানোর আগেই নৌকাটি ডুবে গেলে বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন সজল বৈরাগী, মামুন শেখ, নয়ন বিশ্বাস, কাজী সজিব, কায়সার খলিফা, মো. রিফাত শেখ, রাসেল শেখ এবং ইমরুল কায়েস আপন।
নৌকাডুবির পর নিহতদের মধ্যে চারজনের মরদেহ গাবেস বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল এবং অন্য চারজনের মরদেহ জেব্রা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে সংরক্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে সরকারি প্রক্রিয়ায় মরদেহগুলো বাংলাদেশে আনা হয় এবং স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ঘটনার পর নিহত সজল বৈরাগীর পিতা সুনিল বৈরাগী বাদী হয়ে ঢাকা মহানগরের বিমানবন্দর থানা থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য পলাতক ও অজ্ঞাতনামা সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে সিআইডি।

অবৈধ পথে ইতালি যাওয়ার সময় ৮ বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় মানব পাচার চক্রের দুই সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত চক্রের দুই সদস্যকে গত ১২ জানুয়ারি মাদারীপুর জেলার রাজৈর থানাধীন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন, গুরুদাস বারই ও মো. মোতালেব মাতব্বর।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, গ্রেপ্তার আসামিরা আন্তর্জাতিক মানব পাচার চক্রের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত এবং এজাহারনামীয় মূল পাচারকারীদের নির্দেশে অর্থ ও লোক সংগ্রহের কাজ করছিল। তারা ভুক্তভোগীদের বিদেশে পাচারের পুরো প্রক্রিয়ায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত ছিল।
২০২৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তিউনিশিয়া উপকূলে পৌঁছানোর আগেই নৌকাটি ডুবে গেলে বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন সজল বৈরাগী, মামুন শেখ, নয়ন বিশ্বাস, কাজী সজিব, কায়সার খলিফা, মো. রিফাত শেখ, রাসেল শেখ এবং ইমরুল কায়েস আপন।
নৌকাডুবির পর নিহতদের মধ্যে চারজনের মরদেহ গাবেস বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল এবং অন্য চারজনের মরদেহ জেব্রা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে সংরক্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে সরকারি প্রক্রিয়ায় মরদেহগুলো বাংলাদেশে আনা হয় এবং স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ঘটনার পর নিহত সজল বৈরাগীর পিতা সুনিল বৈরাগী বাদী হয়ে ঢাকা মহানগরের বিমানবন্দর থানা থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য পলাতক ও অজ্ঞাতনামা সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে সিআইডি।

জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তীর সবচেয়ে বড় অর্জনের ২ টা হলো তার অহিংস প্রতিবাদের ডাকে আমেরিকার সংবিধানে ২৪তম সংশোধনীর অনুমোদন হয় যার মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকারের ওপর আরোপিত কর বিলুপ্ত করা হয় এবং দ্বিতীয়টি হলো ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন (Civil Rights Act) পাস করা হয়।

সিআইডি জানিয়েছে, দীর্ঘ দিন ধরেই প্রতারক চক্রের এই দুই সদস্য অর্থের বিনিময়ে ও যোগসাজসে ওটিপি ট্রান্সফারের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের এনআইডির মূল সার্ভারে প্রবেশ করে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে ও তা বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়াকে প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করে বিক্রি করত।