চরচা ডেস্ক

প্রকাশনা আইন লঙ্ঘন করায় ময়মনসিংহ থেকে প্রকাশিত ১১টি দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিল করেছে জেলা প্রশাসন।
গত বৃহস্পতিবার এসব পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশকদের কাছে ডিক্লারেশন বাতিলের চিঠি পাঠানো হয়েছে। ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে হাবিবা মীরা এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ডিক্লারেশন বাতিল হওয়া পত্রিকাগুলোর মধ্যে রয়েছে- দৈনিক আজকের ময়মনসিংহ, দৈনিক দেশের খবর, দৈনিক বিশ্বের মুখপত্র, দৈনিক ঈষিকা, দৈনিক অদম্য বাংলা, দৈনিক আলোকিত ময়মনসিংহ, দিগন্ত বাংলা, দৈনিক জাহান, দৈনিক কিষানের দেশ, দৈনিক হৃদয়ে বাংলাদেশ এবং সাপ্তাহিক পরিধি।
জেলা প্রশাসন জানায়, গত ১০ ও ১৩ এপ্রিল এই ১১টি পত্রিকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় পাতায় হুবহু একই সংবাদ ও ছবি ছাপা হয়। তদন্তে দেখা যায়, পত্রিকাগুলোর এই সংখ্যাগুলো অনুমোদিত ছাপাখানায় মুদ্রিত হয়নি।
এ ঘটনায় প্রথমে পত্রিকাগুলোর সম্পাদক ও প্রকাশকদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তবে তাদের দেওয়া জবাব সন্তোষজনক ছিল না।
পরবর্তীতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের তদন্তে প্রমাণিত হয়, পত্রিকাগুলো অনুমোদিত ছাপাখানায় নয়, অন্যত্র মুদ্রিত হচ্ছে। যা ছাপাখানা ও প্রকাশনা আইন-১৯৭৩ এর ৪ ও ৭ ধারার স্পষ্ট লঙ্ঘন।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে হাবিবা মীরা জানান, আইন অনুযায়ী গুরুতর লঙ্ঘনের দায়ে আইনের ১০ ধারার বিধান অনুযায়ী ওই ১১টি পত্রিকার ঘোষণাপত্র বা ডিক্লারেশন বাতিল করা হয়েছে।

প্রকাশনা আইন লঙ্ঘন করায় ময়মনসিংহ থেকে প্রকাশিত ১১টি দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিল করেছে জেলা প্রশাসন।
গত বৃহস্পতিবার এসব পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশকদের কাছে ডিক্লারেশন বাতিলের চিঠি পাঠানো হয়েছে। ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে হাবিবা মীরা এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ডিক্লারেশন বাতিল হওয়া পত্রিকাগুলোর মধ্যে রয়েছে- দৈনিক আজকের ময়মনসিংহ, দৈনিক দেশের খবর, দৈনিক বিশ্বের মুখপত্র, দৈনিক ঈষিকা, দৈনিক অদম্য বাংলা, দৈনিক আলোকিত ময়মনসিংহ, দিগন্ত বাংলা, দৈনিক জাহান, দৈনিক কিষানের দেশ, দৈনিক হৃদয়ে বাংলাদেশ এবং সাপ্তাহিক পরিধি।
জেলা প্রশাসন জানায়, গত ১০ ও ১৩ এপ্রিল এই ১১টি পত্রিকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় পাতায় হুবহু একই সংবাদ ও ছবি ছাপা হয়। তদন্তে দেখা যায়, পত্রিকাগুলোর এই সংখ্যাগুলো অনুমোদিত ছাপাখানায় মুদ্রিত হয়নি।
এ ঘটনায় প্রথমে পত্রিকাগুলোর সম্পাদক ও প্রকাশকদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তবে তাদের দেওয়া জবাব সন্তোষজনক ছিল না।
পরবর্তীতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের তদন্তে প্রমাণিত হয়, পত্রিকাগুলো অনুমোদিত ছাপাখানায় নয়, অন্যত্র মুদ্রিত হচ্ছে। যা ছাপাখানা ও প্রকাশনা আইন-১৯৭৩ এর ৪ ও ৭ ধারার স্পষ্ট লঙ্ঘন।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে হাবিবা মীরা জানান, আইন অনুযায়ী গুরুতর লঙ্ঘনের দায়ে আইনের ১০ ধারার বিধান অনুযায়ী ওই ১১টি পত্রিকার ঘোষণাপত্র বা ডিক্লারেশন বাতিল করা হয়েছে।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।