চরচা ডেস্ক

মিয়ানমারের সাবেক নেত্রী অং সান সু চির সাজা কমিয়ে কারাবন্দী থেকে গৃহবন্দী করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। এ নিয়ে গত দুই সপ্তাহের মধ্যে নোবেলজয়ী অং সান সুচির দ্বিতীয়বারের মতো সাজা কমালো মিয়ানমার জান্তা।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংজানান, তিনি সু চির অবশিষ্ট সাজা কমিয়ে নির্ধারিত বাসস্থানে ভোগ করার ব্যবস্থা করেছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সু চির এক আইনজীবী বলেছেন, ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে কারাবন্দি এই নোবেলজয়ীর বর্তমান সাজার মেয়াদ কমে এখন ১৮ বছরের কিছু বেশি।
২০২২ সালে দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে দুর্নীতির অভিযোগ, নির্বাচনে জালিয়াতিতে উসকানি এবং রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘনের মতো বিভিন্ন মামলায় ৮০ বছর বয়সী অং সান সু চিকে মোট ৩৩ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। সু চির সহযোগীরা শুরু থেকেই বলে আসছেন, এই বিচার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তাকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে রাখার একটি কৌশল।
এর আগে, সু চির সাজা কমিয়ে ২৭ বছর করা হয়েছিল। এরপর গত ১৭ এপ্রিল মিয়ানমারের নববর্ষ উপলক্ষে ঘোষিত সাধারণ ক্ষমার আওতায় সু চির সাজা এক-ষষ্ঠাংশ কমানো হয়। এই ক্ষমার আওতায় ৪ হাজার ৩৩৫ জন বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে।
মিয়ানমারের সেনা-সমর্থিত সরকারের একজন মুখপাত্র এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া দেননি বলে জানিয়েছে রয়টার্স।
মিয়ানমারে স্বাধীনতা দিবস বা নতুন বছর উপলক্ষে এ ধরণের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হয়। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে একে মানবিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, তবুও দেশটিতে এখনো প্রায় ৩০ হাজার রাজনৈতিক বন্দি আটক রয়েছেন বলে ধারণা করা হয়।
২০২১ সালে মিন অং হ্লাইং এক সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করেন। এতে দেশটি রাজনৈতিক অস্থিরতায় পড়ে। ওই সময় থেকে জান্তা সরকারকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন মিন অং হ্লাইং। ৩ এপ্রিল তিনি মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

মিয়ানমারের সাবেক নেত্রী অং সান সু চির সাজা কমিয়ে কারাবন্দী থেকে গৃহবন্দী করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। এ নিয়ে গত দুই সপ্তাহের মধ্যে নোবেলজয়ী অং সান সুচির দ্বিতীয়বারের মতো সাজা কমালো মিয়ানমার জান্তা।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংজানান, তিনি সু চির অবশিষ্ট সাজা কমিয়ে নির্ধারিত বাসস্থানে ভোগ করার ব্যবস্থা করেছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সু চির এক আইনজীবী বলেছেন, ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে কারাবন্দি এই নোবেলজয়ীর বর্তমান সাজার মেয়াদ কমে এখন ১৮ বছরের কিছু বেশি।
২০২২ সালে দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে দুর্নীতির অভিযোগ, নির্বাচনে জালিয়াতিতে উসকানি এবং রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘনের মতো বিভিন্ন মামলায় ৮০ বছর বয়সী অং সান সু চিকে মোট ৩৩ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। সু চির সহযোগীরা শুরু থেকেই বলে আসছেন, এই বিচার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তাকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে রাখার একটি কৌশল।
এর আগে, সু চির সাজা কমিয়ে ২৭ বছর করা হয়েছিল। এরপর গত ১৭ এপ্রিল মিয়ানমারের নববর্ষ উপলক্ষে ঘোষিত সাধারণ ক্ষমার আওতায় সু চির সাজা এক-ষষ্ঠাংশ কমানো হয়। এই ক্ষমার আওতায় ৪ হাজার ৩৩৫ জন বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে।
মিয়ানমারের সেনা-সমর্থিত সরকারের একজন মুখপাত্র এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া দেননি বলে জানিয়েছে রয়টার্স।
মিয়ানমারে স্বাধীনতা দিবস বা নতুন বছর উপলক্ষে এ ধরণের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হয়। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে একে মানবিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, তবুও দেশটিতে এখনো প্রায় ৩০ হাজার রাজনৈতিক বন্দি আটক রয়েছেন বলে ধারণা করা হয়।
২০২১ সালে মিন অং হ্লাইং এক সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করেন। এতে দেশটি রাজনৈতিক অস্থিরতায় পড়ে। ওই সময় থেকে জান্তা সরকারকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন মিন অং হ্লাইং। ৩ এপ্রিল তিনি মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

ইরান যুদ্ধে নিয়োজিত মার্কিন সেনাদের প্রত্যাহার এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একক যুদ্ধক্ষমতা সীমিত করার লক্ষ্যে ডেমোক্র্যাটদের আনা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে নাকচ হয়ে গেছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে ৪৭-৫০ ভোটে প্রস্তাবটি পরাজিত হয়।

আজ শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা। এ উপলক্ষে রাজধানীসহ দেশজুড়ে বৌদ্ধ বিহারগুলোতে বুদ্ধ পূজা, প্রদীপ প্রজ্বলন, শান্তি শোভাযাত্রা, ধর্মীয় আলোচনা সভা, প্রভাত ফেরি, সমবেত প্রার্থনা, আলোচনা সভা ও বুদ্ধ পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এছাড়াও মানব জাতির সর্বাঙ্গীণ শান্তি ও মঙ্গল কামনায় বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে।