চরচা ডেস্ক

খাগড়াছড়ি জেলায় সহিংসতার ঘটনায় উদ্বেগ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।
আসক বলছে, অতীতের ঘটনাগুলোর তদন্ত না হওয়ায় বারবার পাহাড়ে সহিংসতা হচ্ছে।
আজ সোমবার এক বিবৃতিতে খাগড়াছড়ির সহিংসতায় হতাহত এবং সাধারণ মানুষের বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। পাশাপাশি বিচার বিভাগীয় তদন্তের আহ্বান জানানো হয়েছে।
গত মঙ্গলবার রাতে খাগড়াছড়ির সদর উপজেলায় মারমা এক কিশোরীকে দলবেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর থেকেই বিক্ষোভ ও উত্তেজনা চলছে পার্বত্য জেলাটিতে।
শনিবার থেকে ‘জুম্ম-ছাত্র জনতা’ ব্যানারে তিন পার্বত্য জেলায় অবরোধ চলছে। পরিস্থিতি অবনতি হলে শনিবার দুপুরে খাগড়াছড়ির গুইমারায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।’
কিন্তু এর মধ্যেই সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে এবং একটি বাজারে আগুন দেওয়া হয়। পরে অবরোধকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংঘর্ষে তিনজন নিহতের খবর আসে।
গতকাল রোববার রাতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে সহিংসতার জন্য পাহাড়ি সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট–ইউপিডিএফকে দায়ী করে।
আসক বিবৃতিতে বলে, সংঘটিত ঘটনায় যদি কোনো অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের ঘটনা ঘটে থাকে, সরকার যেন তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত করে এবং যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা লক্ষ্য করছি, পার্বত্য এলাকায় প্রায়ই উত্তেজনা সৃষ্টি হচ্ছে, যা জনজীবন ও জানমালের ক্ষয়ক্ষতির কারণও হচ্ছে। অতীতে সংঘটিত এ ধরনের ঘটনাগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত এবং পেছনের অন্তর্নিহিত কারণ নিরূপণ না হওয়ায় এই ধরনের ঘটনা বারবার ঘটছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।’
‘পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা কেবল পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জন্য নয়, বরং জাতীয় ঐক্য ও দেশের ভাবমূর্তির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সহিংসতা, ভীতি ও উসকানি কখনোই সমাধান নয়। এগুলো কেবল পারস্পরিক অবিশ্বাস ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে এবং রাষ্ট্রের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করে।’
আইন ও সালিশ কেন্দ্র দ্রুত একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন করে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায়ীদের চিহ্নিত করার দাবি করেছে।

খাগড়াছড়ি জেলায় সহিংসতার ঘটনায় উদ্বেগ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।
আসক বলছে, অতীতের ঘটনাগুলোর তদন্ত না হওয়ায় বারবার পাহাড়ে সহিংসতা হচ্ছে।
আজ সোমবার এক বিবৃতিতে খাগড়াছড়ির সহিংসতায় হতাহত এবং সাধারণ মানুষের বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। পাশাপাশি বিচার বিভাগীয় তদন্তের আহ্বান জানানো হয়েছে।
গত মঙ্গলবার রাতে খাগড়াছড়ির সদর উপজেলায় মারমা এক কিশোরীকে দলবেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর থেকেই বিক্ষোভ ও উত্তেজনা চলছে পার্বত্য জেলাটিতে।
শনিবার থেকে ‘জুম্ম-ছাত্র জনতা’ ব্যানারে তিন পার্বত্য জেলায় অবরোধ চলছে। পরিস্থিতি অবনতি হলে শনিবার দুপুরে খাগড়াছড়ির গুইমারায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।’
কিন্তু এর মধ্যেই সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে এবং একটি বাজারে আগুন দেওয়া হয়। পরে অবরোধকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংঘর্ষে তিনজন নিহতের খবর আসে।
গতকাল রোববার রাতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে সহিংসতার জন্য পাহাড়ি সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট–ইউপিডিএফকে দায়ী করে।
আসক বিবৃতিতে বলে, সংঘটিত ঘটনায় যদি কোনো অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের ঘটনা ঘটে থাকে, সরকার যেন তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত করে এবং যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা লক্ষ্য করছি, পার্বত্য এলাকায় প্রায়ই উত্তেজনা সৃষ্টি হচ্ছে, যা জনজীবন ও জানমালের ক্ষয়ক্ষতির কারণও হচ্ছে। অতীতে সংঘটিত এ ধরনের ঘটনাগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত এবং পেছনের অন্তর্নিহিত কারণ নিরূপণ না হওয়ায় এই ধরনের ঘটনা বারবার ঘটছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।’
‘পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা কেবল পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জন্য নয়, বরং জাতীয় ঐক্য ও দেশের ভাবমূর্তির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সহিংসতা, ভীতি ও উসকানি কখনোই সমাধান নয়। এগুলো কেবল পারস্পরিক অবিশ্বাস ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে এবং রাষ্ট্রের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করে।’
আইন ও সালিশ কেন্দ্র দ্রুত একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন করে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায়ীদের চিহ্নিত করার দাবি করেছে।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।