ads

১০ লাখ টাকায় মাদকের চালান ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে ৪ পুলিশ প্রত্যাহার

চরচা ডেস্ক
চরচা ডেস্ক
১০ লাখ টাকায় মাদকের চালান ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে ৪ পুলিশ প্রত্যাহার
ক্লোজড হওয়া হাতীবান্ধা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তুহিন ও রিমন মিয়া এবং সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল হাকিম ও লুৎফর রহমান। ফাইল ছবি

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় মাদক উদ্ধার অভিযানে গিয়ে ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে একটি প্রাইভেটকারসহ মাদকের চালান ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগের সত্যতা মেলায় থানার চার পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করে (ক্লোজ) পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানায়, আজ শনিবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুজ্জামান সরকার।

Advertisement

অভিযুক্তরা হলেন হাতীবান্ধা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তুহিন, এসআই রিমন মিয়া, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল হাকিম ও এএসআই লুৎফর রহমান।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ জুলাই দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার বোর্ডেরহাট বাজার এলাকায় এক চিহ্নিত মাদক কারবারির বাড়িতে অভিযান চালান ওই চার কর্মকর্তা। অভিযানে একটি সাদা প্রাইভেটকার, একটি মোটরসাইকেল এবং বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, জব্দ করা আলামত থানায় না নিয়ে কয়েক কিলোমিটার দূরে ভেলাগুড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে নেওয়া হয়। সেখানে দরকষাকষির একপর্যায়ে ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে মাদকের চালান ও প্রাইভেটকারটি ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে ওই স্থানের সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে।

এদিকে, গত ১৮ জুলাই উপজেলার ভবানীপুর গ্রামে আরেকটি অভিযানে গেলে ওই দলটি স্থানীয়দের তোপের মুখে পড়ে। পরবর্তী সময়ে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে অভিযুক্ত চার কর্মকর্তাকে লালমনিরহাট পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করে। একই সঙ্গে ঘটনাটি তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ওসি আশরাফুজ্জামান সরকার বলেন, “প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় চার কর্মকর্তাকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ঘটনার বিস্তারিত তদন্তে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।“

সম্পর্কিত