সাবেক সিআইএ কর্মকর্তার দাবি
চরচা ডেস্ক

নাইন ইলেভেনের জঙ্গি হামলার পর আমেরিকার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ তালিকায় থাকা ওসামা বিন লাদেন নারীর ছদ্মবেশে পালিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন সাবেক সিআইএ কর্মকর্তা জন কিরিয়াকো। তিনি ১৫ বছর সিআইএ-তে কাজ করেছেন এবং পাকিস্তানে সিআইএ কাউন্টারটেররিজম অপারেশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এশিয়ান নিউজ ইন্টারন্যাশনাল (এএনআই)-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই দাবি করেন।
কিরিয়াকো জানান, সেসময় সেন্ট্রাল কমান্ডের দোভাষী হিসেবে কর্মরত এক ব্যক্তি আল-কায়েদার সহযোগী ছিলেন, যা তাদের অজানা ছিল। তিনি বলেন, “৯/১১-এর পর আমেরিকা প্রতিক্রিয়াশীল ছিল। আমরা আফগানিস্তানে বোমা হামলা শুরুর আগে এক মাসেরও বেশি সময় অপেক্ষা করেছিলাম। আমরা পরিকল্পিতভাবে কাজ করতে চেয়েছিলাম, যাতে আবেগ বিচারবুদ্ধিকে প্রভাবিত না করে। তাই পর্যাপ্ত প্রস্তুতির জন্য সময় নিয়েছিলাম। অক্টোবর ২০০১-এ আমরা বুঝতে পারি যে ওসামা বিন লাদেনসহ আল-কায়েদাকে তোরা বোরায় ঘিরে ফেলেছি।”
কিরিয়াকো আরও বলেন, “আমরা জানতাম না যে সেন্ট্রাল কমান্ডের দোভাষী আল-কায়েদার সদস্য ছিলেন, যিনি আমেরিকান সামরিক বাহিনীতে অনুপ্রবেশ করেছিলেন। আমরা নিশ্চিত ছিলাম যে বিন লাদেনকে ঘিরে ফেলেছি। তাকে পাহাড় থেকে নামতে বলা হয়েছিল। দোভাষীর মাধ্যমে বিন লাদেন জানান, ‘ভোর পর্যন্ত সময় দিন, আমরা নারী ও শিশুদের সরিয়ে নেব, তারপর আত্মসমর্পণ করব।’
এই প্রস্তাবে আমেরিকান সেনাদের রাজি করান দোভাষী। কিন্তু বিন লাদেন নারীর ছদ্মবেশে রাতের আঁধারে একটি পিকআপ ট্রাকের পেছনে চেপে পাকিস্তানে পালিয়ে যান। ভোরে দেখা গেল, তোরা বোরায় আত্মসমর্পণ করার মতো কেউ নেই।

নাইন ইলেভেনের জঙ্গি হামলার পর আমেরিকার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ তালিকায় থাকা ওসামা বিন লাদেন নারীর ছদ্মবেশে পালিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন সাবেক সিআইএ কর্মকর্তা জন কিরিয়াকো। তিনি ১৫ বছর সিআইএ-তে কাজ করেছেন এবং পাকিস্তানে সিআইএ কাউন্টারটেররিজম অপারেশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এশিয়ান নিউজ ইন্টারন্যাশনাল (এএনআই)-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই দাবি করেন।
কিরিয়াকো জানান, সেসময় সেন্ট্রাল কমান্ডের দোভাষী হিসেবে কর্মরত এক ব্যক্তি আল-কায়েদার সহযোগী ছিলেন, যা তাদের অজানা ছিল। তিনি বলেন, “৯/১১-এর পর আমেরিকা প্রতিক্রিয়াশীল ছিল। আমরা আফগানিস্তানে বোমা হামলা শুরুর আগে এক মাসেরও বেশি সময় অপেক্ষা করেছিলাম। আমরা পরিকল্পিতভাবে কাজ করতে চেয়েছিলাম, যাতে আবেগ বিচারবুদ্ধিকে প্রভাবিত না করে। তাই পর্যাপ্ত প্রস্তুতির জন্য সময় নিয়েছিলাম। অক্টোবর ২০০১-এ আমরা বুঝতে পারি যে ওসামা বিন লাদেনসহ আল-কায়েদাকে তোরা বোরায় ঘিরে ফেলেছি।”
কিরিয়াকো আরও বলেন, “আমরা জানতাম না যে সেন্ট্রাল কমান্ডের দোভাষী আল-কায়েদার সদস্য ছিলেন, যিনি আমেরিকান সামরিক বাহিনীতে অনুপ্রবেশ করেছিলেন। আমরা নিশ্চিত ছিলাম যে বিন লাদেনকে ঘিরে ফেলেছি। তাকে পাহাড় থেকে নামতে বলা হয়েছিল। দোভাষীর মাধ্যমে বিন লাদেন জানান, ‘ভোর পর্যন্ত সময় দিন, আমরা নারী ও শিশুদের সরিয়ে নেব, তারপর আত্মসমর্পণ করব।’
এই প্রস্তাবে আমেরিকান সেনাদের রাজি করান দোভাষী। কিন্তু বিন লাদেন নারীর ছদ্মবেশে রাতের আঁধারে একটি পিকআপ ট্রাকের পেছনে চেপে পাকিস্তানে পালিয়ে যান। ভোরে দেখা গেল, তোরা বোরায় আত্মসমর্পণ করার মতো কেউ নেই।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।