চরচা ডেস্ক

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সমাবেশে পুলিশ হামলা চালিয়েছে উল্লেখ করে এর নিন্দা ও উদ্বেগ জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।
রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই নিন্দা জানায় আসক।
আসক বলছে, সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, শাহবাগে তিন দফা দাবিতে শান্তিপূর্ণ পদযাত্রায় অংশ নেওয়া শিক্ষকদের ওপর পুলিশ নির্বিচারে লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস শেল, সাউন্ড গ্রেনেড এবং জলকামান থেকে পানি নিক্ষেপ করে। এতে কমপক্ষে দেড় শতাধিক শিক্ষক আহত হয়েছেন।
সংবিধানের আইনের কথা উল্লেখ করে আসক বলছে, বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৭ অনুচ্ছেদে বলা আছে, শান্তিপূর্ণভাবে সভা-সমাবেশ করার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের রয়েছে। কিন্তু এই ঘটনায় পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ মৌলিক অধিকার ও নাগরিক স্বাধীনতার স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র ।
আসক আরও জানিয়েছে, শিক্ষক সমাজ জাতির ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনের মূল ভিত্তি। তাদের ওপর হামলা শুধু মানবাধিকার লঙ্ঘন নয়, বরং শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।
সংগঠনটির দাবি, আহত শিক্ষকদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত এবং অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের ঘটনায় দায়ীদের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এছাড়া, শিক্ষকদের দাবিগুলো গুরুত্ব সহকারে পর্যালোচনা করে সংলাপের মাধ্যমে স্থায়ী সমাধান করতে সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানিয়েছে আসক।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সমাবেশে পুলিশ হামলা চালিয়েছে উল্লেখ করে এর নিন্দা ও উদ্বেগ জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।
রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই নিন্দা জানায় আসক।
আসক বলছে, সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, শাহবাগে তিন দফা দাবিতে শান্তিপূর্ণ পদযাত্রায় অংশ নেওয়া শিক্ষকদের ওপর পুলিশ নির্বিচারে লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস শেল, সাউন্ড গ্রেনেড এবং জলকামান থেকে পানি নিক্ষেপ করে। এতে কমপক্ষে দেড় শতাধিক শিক্ষক আহত হয়েছেন।
সংবিধানের আইনের কথা উল্লেখ করে আসক বলছে, বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৭ অনুচ্ছেদে বলা আছে, শান্তিপূর্ণভাবে সভা-সমাবেশ করার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের রয়েছে। কিন্তু এই ঘটনায় পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ মৌলিক অধিকার ও নাগরিক স্বাধীনতার স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র ।
আসক আরও জানিয়েছে, শিক্ষক সমাজ জাতির ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনের মূল ভিত্তি। তাদের ওপর হামলা শুধু মানবাধিকার লঙ্ঘন নয়, বরং শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।
সংগঠনটির দাবি, আহত শিক্ষকদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত এবং অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের ঘটনায় দায়ীদের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এছাড়া, শিক্ষকদের দাবিগুলো গুরুত্ব সহকারে পর্যালোচনা করে সংলাপের মাধ্যমে স্থায়ী সমাধান করতে সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানিয়েছে আসক।

আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, ১৯৭২ সালেও মহান মুক্তিযুদ্ধের পর মুক্তিযুদ্ধকালীন কর্মকাণ্ডের জন্য দায়মুক্তি আইন করা হয়েছিল। তবে সেই আইন ১৯৭২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। আমরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সংজ্ঞা ও জুলাই সনদকে বিবেচনায় রেখে দায়মুক্তির সময়সীমা শুধুমাত্র জুলাই-আগস্ট মাসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তীর সবচেয়ে বড় অর্জনের ২ টা হলো তার অহিংস প্রতিবাদের ডাকে আমেরিকার সংবিধানে ২৪তম সংশোধনীর অনুমোদন হয় যার মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকারের ওপর আরোপিত কর বিলুপ্ত করা হয় এবং দ্বিতীয়টি হলো ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন (Civil Rights Act) পাস করা হয়।