চরচা প্রতিবেদক

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোট করতে আগামী ৩-৪ কার্যদিবসের মধ্যে আইন ‘পাস করা’ হবে বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
বৃহস্পতিবার ঢাকার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য দেন।
আইন উপদেষ্টা বলেন, “গণভোট আইন আমরা খুব দ্রুত করতে যাচ্ছি। এই সপ্তাহে করে ফেলব। ধরেন, আজ কী বার, বৃহস্পতিবার বার তো? ধরেন, আগামী তিন-চার কার্য দিবসের মধ্যে হয়ে যাবে।”
আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে সংসদ নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।
কিন্তু সেই গণভোট নিয়ে এখনো অধ্যাদেশ জারি হয়নি। আর অধ্যাদেশ জারি না হওয়ায় গণভোট নিয়ে নিজেদের করণীয় নির্ধারণ করা যাচ্ছে না বলে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে।
গতকাল বুধবার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে গণভোটের প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্নের মুখেও পড়েন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন।
উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ চূড়ান্ত অনুমোদনের কথা জানান আইন উপদেষ্টা। তিনি বলেন, নিম্ন আদালতের বিচারকদের শৃঙ্খলা, পদায়ন, ছুটিসহ সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করবে সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয়।

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোট করতে আগামী ৩-৪ কার্যদিবসের মধ্যে আইন ‘পাস করা’ হবে বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
বৃহস্পতিবার ঢাকার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য দেন।
আইন উপদেষ্টা বলেন, “গণভোট আইন আমরা খুব দ্রুত করতে যাচ্ছি। এই সপ্তাহে করে ফেলব। ধরেন, আজ কী বার, বৃহস্পতিবার বার তো? ধরেন, আগামী তিন-চার কার্য দিবসের মধ্যে হয়ে যাবে।”
আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে সংসদ নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।
কিন্তু সেই গণভোট নিয়ে এখনো অধ্যাদেশ জারি হয়নি। আর অধ্যাদেশ জারি না হওয়ায় গণভোট নিয়ে নিজেদের করণীয় নির্ধারণ করা যাচ্ছে না বলে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে।
গতকাল বুধবার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে গণভোটের প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্নের মুখেও পড়েন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন।
উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ চূড়ান্ত অনুমোদনের কথা জানান আইন উপদেষ্টা। তিনি বলেন, নিম্ন আদালতের বিচারকদের শৃঙ্খলা, পদায়ন, ছুটিসহ সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করবে সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয়।

আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, ১৯৭২ সালেও মহান মুক্তিযুদ্ধের পর মুক্তিযুদ্ধকালীন কর্মকাণ্ডের জন্য দায়মুক্তি আইন করা হয়েছিল। তবে সেই আইন ১৯৭২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। আমরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সংজ্ঞা ও জুলাই সনদকে বিবেচনায় রেখে দায়মুক্তির সময়সীমা শুধুমাত্র জুলাই-আগস্ট মাসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তীর সবচেয়ে বড় অর্জনের ২ টা হলো তার অহিংস প্রতিবাদের ডাকে আমেরিকার সংবিধানে ২৪তম সংশোধনীর অনুমোদন হয় যার মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকারের ওপর আরোপিত কর বিলুপ্ত করা হয় এবং দ্বিতীয়টি হলো ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন (Civil Rights Act) পাস করা হয়।