চরচা ডেস্ক

রংপুরে পুলিশ হেফাজতে এক আসামির মৃত্যুর অভিযোগের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ, উৎকণ্ঠা ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ)। আজ এ সংক্রান্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই নিন্দা জানানো হয়।
এতে বলা হয়, রংপুরে পুলিশ হেফাজতে এক আসামির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার রংপুর নগরের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের ধাপ চিকলী ভাটা এলাকার ট্রাকচালক মুকুল মিয়াকে (৪৫) রাতে কোতোয়ালি থানার এসআই মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের পুলিশ দল সাদা পোশাকে বাড়ি থেকে আটক করে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পরই রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে মোবাইল ফোনে পরিবারকে জানানো হয়, মুকুল মিয়া মারা গেছেন।
পরিবারের দাবি, সুস্থ ও পরিষ্কার শরীরে তাকে আটক করে নিয়ে গেলেও হাসপাতালে যেয়ে শরীরে বালুচাপা দেওয়ার মতো অবস্থায় পেয়েছেন।
এমএসএস বলছে, পুলিশ নির্যাতন করে মুকুল মিয়াকে মেরে ফেলে তার লাশ হাসপাতালের জরুরী বিভাগের সামনে ফেলে রেখে যায়। পুলিশের দাবি, আটকের পার মুকুল মিয়া অসুস্থ হয়ে পড়লে তাৎক্ষণিক রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এমএফএস বলছে, এ ঘটনায় নগরীর মেডিকেল মোড়ে মৃতের স্বজন ও এলাকাবাসী মরদেহ নিয়ে অভিযুক্ত এসআই মনিরুল ইসলামসহ অন্যদের বিচারের দাবিতে অবরোধ ও বিক্ষোভ করেন। ঘটনাস্থলে কোতোয়ালী থানার ওসি শাজাহান আলী এসে জানান, একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে দিয়ে কমিটি করা হয়েছে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এমএসএফের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পুলিশের বিরুদ্ধে আনীত নির্যাতনে মৃত্যুর অভিযোগের বিষয়টি অনাকাঙ্খিত ও অনভিপ্রেত যা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন ও কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। যে কোনো ব্যক্তির সুরক্ষা নিশ্চিত করা পুলিশের আইনি দায়িত্ব। ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে ও নির্যাতনে মৃত্যুর ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জবাবদিহি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মানবাধিকার ও সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা।
এমএসএফ ঘটনায় নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করে পুলিশ বাহিনীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত নির্যাতনে মৃত্যুর অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছে।

রংপুরে পুলিশ হেফাজতে এক আসামির মৃত্যুর অভিযোগের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ, উৎকণ্ঠা ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ)। আজ এ সংক্রান্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই নিন্দা জানানো হয়।
এতে বলা হয়, রংপুরে পুলিশ হেফাজতে এক আসামির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার রংপুর নগরের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের ধাপ চিকলী ভাটা এলাকার ট্রাকচালক মুকুল মিয়াকে (৪৫) রাতে কোতোয়ালি থানার এসআই মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের পুলিশ দল সাদা পোশাকে বাড়ি থেকে আটক করে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পরই রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে মোবাইল ফোনে পরিবারকে জানানো হয়, মুকুল মিয়া মারা গেছেন।
পরিবারের দাবি, সুস্থ ও পরিষ্কার শরীরে তাকে আটক করে নিয়ে গেলেও হাসপাতালে যেয়ে শরীরে বালুচাপা দেওয়ার মতো অবস্থায় পেয়েছেন।
এমএসএস বলছে, পুলিশ নির্যাতন করে মুকুল মিয়াকে মেরে ফেলে তার লাশ হাসপাতালের জরুরী বিভাগের সামনে ফেলে রেখে যায়। পুলিশের দাবি, আটকের পার মুকুল মিয়া অসুস্থ হয়ে পড়লে তাৎক্ষণিক রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এমএফএস বলছে, এ ঘটনায় নগরীর মেডিকেল মোড়ে মৃতের স্বজন ও এলাকাবাসী মরদেহ নিয়ে অভিযুক্ত এসআই মনিরুল ইসলামসহ অন্যদের বিচারের দাবিতে অবরোধ ও বিক্ষোভ করেন। ঘটনাস্থলে কোতোয়ালী থানার ওসি শাজাহান আলী এসে জানান, একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে দিয়ে কমিটি করা হয়েছে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এমএসএফের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পুলিশের বিরুদ্ধে আনীত নির্যাতনে মৃত্যুর অভিযোগের বিষয়টি অনাকাঙ্খিত ও অনভিপ্রেত যা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন ও কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। যে কোনো ব্যক্তির সুরক্ষা নিশ্চিত করা পুলিশের আইনি দায়িত্ব। ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে ও নির্যাতনে মৃত্যুর ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জবাবদিহি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মানবাধিকার ও সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা।
এমএসএফ ঘটনায় নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করে পুলিশ বাহিনীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত নির্যাতনে মৃত্যুর অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছে।