চরচা প্রতিবেদক

রোববার (১৯ অক্টোবর) থেকে আধঘণ্টা আগেই মেট্রোরেলে চড়তে পারবেন নগরবাসী। সকাল ৭টার পরিবর্তে আজ থেকে সাড়ে ৬টায় উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে শুরু হবে মেট্রোরেলের যাত্রা। রাত ১০টা ১০ মিনিটে মতিঝিল স্টেশন থেকে ছাড়বে দিনের শেষ ট্রেনটি।
২০২২ সালের ডিসেম্বরে যাত্রা শুরু হয়েছিল ঢাকা মেট্রোরেলের। এমআরটি–৬ নামে পরিচিত মেট্রোর প্রথম লাইনের শুরুতে চালু হয়েছিল উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত। এরপর ২০২৩ সালের নভেম্বরে আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রো চালু হয়। এরপর দুই ধাপে মেট্রোর সময়সূচি বাড়ানো হয়।
চালুর পর থেকেই দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠে মেট্রোরেল। মেট্রোরেলে উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত প্রতিদিন ৪ লাখের বেশি যাত্রী যাতায়াত করে। ঢাকার গণপরিবহনে এটি যুক্ত করেছে ভিন্নমাত্রা।
২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় আরও ৫টি মেট্রো লাইন নির্মাণের পরিকল্পনা আছে সরকারের। এমআরটি–৫ (নর্দান লাইন) ও এমআরটি–১ এর কাজ এরই মধ্যে এগিয়ে চলেছে।

রোববার (১৯ অক্টোবর) থেকে আধঘণ্টা আগেই মেট্রোরেলে চড়তে পারবেন নগরবাসী। সকাল ৭টার পরিবর্তে আজ থেকে সাড়ে ৬টায় উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে শুরু হবে মেট্রোরেলের যাত্রা। রাত ১০টা ১০ মিনিটে মতিঝিল স্টেশন থেকে ছাড়বে দিনের শেষ ট্রেনটি।
২০২২ সালের ডিসেম্বরে যাত্রা শুরু হয়েছিল ঢাকা মেট্রোরেলের। এমআরটি–৬ নামে পরিচিত মেট্রোর প্রথম লাইনের শুরুতে চালু হয়েছিল উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত। এরপর ২০২৩ সালের নভেম্বরে আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রো চালু হয়। এরপর দুই ধাপে মেট্রোর সময়সূচি বাড়ানো হয়।
চালুর পর থেকেই দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠে মেট্রোরেল। মেট্রোরেলে উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত প্রতিদিন ৪ লাখের বেশি যাত্রী যাতায়াত করে। ঢাকার গণপরিবহনে এটি যুক্ত করেছে ভিন্নমাত্রা।
২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় আরও ৫টি মেট্রো লাইন নির্মাণের পরিকল্পনা আছে সরকারের। এমআরটি–৫ (নর্দান লাইন) ও এমআরটি–১ এর কাজ এরই মধ্যে এগিয়ে চলেছে।

আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, ১৯৭২ সালেও মহান মুক্তিযুদ্ধের পর মুক্তিযুদ্ধকালীন কর্মকাণ্ডের জন্য দায়মুক্তি আইন করা হয়েছিল। তবে সেই আইন ১৯৭২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। আমরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সংজ্ঞা ও জুলাই সনদকে বিবেচনায় রেখে দায়মুক্তির সময়সীমা শুধুমাত্র জুলাই-আগস্ট মাসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তীর সবচেয়ে বড় অর্জনের ২ টা হলো তার অহিংস প্রতিবাদের ডাকে আমেরিকার সংবিধানে ২৪তম সংশোধনীর অনুমোদন হয় যার মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকারের ওপর আরোপিত কর বিলুপ্ত করা হয় এবং দ্বিতীয়টি হলো ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন (Civil Rights Act) পাস করা হয়।