
নির্ভয়ে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
“সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এই দেশে প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করতে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।”
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান (এমবিএস) এবং টেসলা প্রধান ইলন মাস্ক স্থানীয় সময় মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে এক বিশেষ নৈশভোজে মিলিত হয়েছেন। এ বছরের শুরুর দিকে জনসমক্ষে তিক্ত বিরোধ প্রকাশের পর এটি ট্রাম্প ও মাস্কের মধ্যে দ্বিতীয় সাক্ষাৎ। এ নৈশভোজের মাধ্যমে ট্রাম্প-মাস্কের সম্পর্কের বরফ গলতে পারে বলে ধারণা করছে বিশ্লেষকদের ধারণা।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
গত বছর ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারে সমর্থন ও অর্থায়ন করে মাস্ক প্রশাসনের ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা হয়ে ওঠেন। তিনি সরকারি দক্ষতা বিভাগের এর নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। তবে ফেডারেল ব্যয় ও করবিষয়ক বড় বিল নিয়ে মতবিরোধ ছড়িয়ে পড়ার পর সম্পর্ক দ্রুত অবনতির দিকে যায়। মাস্ক প্রকাশ্যে ট্রাম্পের আর্থিক নীতি সমালোচনা করেন এবং নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের পরিকল্পনার কথা জানান। জবাবে ট্রাম্প হুমকি দেন, মাস্কের কোম্পানিগুলো যে বিপুল ফেডারেল ভর্তুকি পায় তা বন্ধ করে দেওয়া হবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই উত্তেজনার প্রভাব পড়ে টেসলার ব্র্যান্ড ইমেজ, বিক্রি ও শেয়ার মূল্যে। এরপর থেকে দুইজনকে খুব কমই একসঙ্গে দেখা গেছে। সর্বশেষ গত সেপ্টেম্বরে কনজারভেটিভ অ্যাকটিভিস্ট চার্লি কার্কের স্মরণসভায় তারা অল্পসময়ের জন্য একসঙ্গে মিলিত হন।
এদিকে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে নৈশভোজ বৈঠককে ট্রাম্প প্রশাসন ও রিয়াদের সম্পর্ক জোরদারের প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বৈশ্বিক মানচিত্রে নিজস্ব ভাবমূর্তি পুনর্গঠনের চেষ্টা করছেন এমবিএস।

নির্ভয়ে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
“সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এই দেশে প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করতে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।”

উড়ন্ত গাড়ি উন্মোচন করল টেসলা
বিশেষজ্ঞদের মতে, একই যানবাহনকে সড়কে চলার পাশাপাশি আকাশে ওড়ার উপযোগী করে তৈরি করা বড় ধরনের প্রকৌশলগত চ্যালেঞ্জ। উড়ন্ত যানবাহনের ক্ষেত্রে ওজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নিশ্চিন্তে উৎসব করুন: হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি প্রধানমন্ত্রী
‘শারদীয় দুর্গাপূজা’ উপলক্ষে আজ শুক্রবার দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ধর্ম যার যার- রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার-নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার। হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই ও বোনেরা, আপনারা উৎসাহ উদ্দীপনা সহকারে, নিশ্চিন্তে, নিরাপদে সারা দেশে উৎসব আনন্দ উদযাপন করুন।”

আবারও আটক অভিজিৎ দীপকে ও নেহা বোরা
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, নিজের বসার ঘরে হলুদাভ রঙের সোফায় বসে আছেন দীপকে। তার কাঁধে ছোট একটি জাতীয় পতাকা জড়ানো। সামনে থাকা পুলিশ সদস্যকে তিনি প্রশ্ন করেন, ‘আপনি আমার বিরুদ্ধে কী ধরনের অভিযোগ এনেছেন?’