চরচা প্রতিবেদক

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ডায়ালাইসিসের চতুর্থ সেশন শেষ হয়েছে। আজ রোববার দুপুরে এই সেশন শেষ হয় বলে জানিয়েয়েছে তার চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা মেডিকেল বোর্ড। এ ছাড়া তিনি ডাকলে সাড়া দিচ্ছেন বলেও জানায় বোর্ডের একটি সূত্র।
মেডিকেল বোর্ড বলছে, আজ দুপুরে ডায়ালাইসিসের চতুর্থ সেশন শেষ হয়েছে। প্রয়োজনে আরও সেশন চলবে। অক্সিজেন লেভেল এবং রক্তের বিভিন্ন প্যারামিটার সাপোর্ট দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।
খালেদা জিয়া পুরোপুরি জ্ঞানে নেই, তবে ডাকলে সাড়া দিচ্ছেন বলেও জানায় মেডিকেল বোর্ড।
৮০ বছর বয়সী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে হৃদ্রোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস, কিডনির জটিলতাসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। গত রোববার শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দ্রুত তাঁকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। তিনি এখন হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) রয়েছেন। মেডিকেল বোর্ডের দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর চিকিৎসা চলছে।
তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন গতকাল শনিবার রাতে জানান, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। চিকিৎসকদের দেওয়া চিকিৎসা খালেদা জিয়া গ্রহণ করতে পারছেন। বিদেশে যাওয়া নিয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি, হলে সাংবাদিকদের জানানো হবে।
ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘‘প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার চিকিৎসকরা সিদ্ধান্ত নেন যে খালেদা জিয়ার আরও নিবিড় তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা দরকার। এরপর তার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তক্রমে গত ২৭ তারিখ সকালে খালেদা জিয়াকে সিসিইউতে নেওয়া হয়।’’
আমেরিকা, চীনসহ বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শক্রমে এই হাসপাতালে চিকিৎসা অব্যাহত আছে এবং থাকবে বলে জানান ডা. জাহিদ।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ডায়ালাইসিসের চতুর্থ সেশন শেষ হয়েছে। আজ রোববার দুপুরে এই সেশন শেষ হয় বলে জানিয়েয়েছে তার চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা মেডিকেল বোর্ড। এ ছাড়া তিনি ডাকলে সাড়া দিচ্ছেন বলেও জানায় বোর্ডের একটি সূত্র।
মেডিকেল বোর্ড বলছে, আজ দুপুরে ডায়ালাইসিসের চতুর্থ সেশন শেষ হয়েছে। প্রয়োজনে আরও সেশন চলবে। অক্সিজেন লেভেল এবং রক্তের বিভিন্ন প্যারামিটার সাপোর্ট দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।
খালেদা জিয়া পুরোপুরি জ্ঞানে নেই, তবে ডাকলে সাড়া দিচ্ছেন বলেও জানায় মেডিকেল বোর্ড।
৮০ বছর বয়সী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে হৃদ্রোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস, কিডনির জটিলতাসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। গত রোববার শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দ্রুত তাঁকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। তিনি এখন হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) রয়েছেন। মেডিকেল বোর্ডের দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর চিকিৎসা চলছে।
তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন গতকাল শনিবার রাতে জানান, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। চিকিৎসকদের দেওয়া চিকিৎসা খালেদা জিয়া গ্রহণ করতে পারছেন। বিদেশে যাওয়া নিয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি, হলে সাংবাদিকদের জানানো হবে।
ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘‘প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার চিকিৎসকরা সিদ্ধান্ত নেন যে খালেদা জিয়ার আরও নিবিড় তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা দরকার। এরপর তার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তক্রমে গত ২৭ তারিখ সকালে খালেদা জিয়াকে সিসিইউতে নেওয়া হয়।’’
আমেরিকা, চীনসহ বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শক্রমে এই হাসপাতালে চিকিৎসা অব্যাহত আছে এবং থাকবে বলে জানান ডা. জাহিদ।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।