চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে এ আগুনের সূত্রপাত। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ১৬টি ইউনিট।
তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের সংবাদ পাওয়া যায়নি।
ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা মো. শাহজাহান শিকদার জানান, ৫টা ২২ মিনিটে আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত সাতটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় আরও চারটি ইউনিট বাড়ানো হয়েছে।
শাহজাহান শিকদার বলেন, ‘‘বস্তিতে ঘরগুলো ঘনবসতিপূর্ণ হওয়ায় আগুন খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। আমাদের ১৬টি ইউনিট কাজ করছে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছি।’’
বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাসেল সারোয়ার বলেন, ‘‘খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছি। আগুন যাতে আরও ছড়িয়ে না পড়ে এবং কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটে, সেজন্য এলাকাটি ঘিরে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। বস্তির লোকজনকে দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এখনো আগুন কীভাবে লেগেছে–তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণ করলে তদন্ত করে প্রকৃত কারণ জানা যাবে।’’
বস্তির এক বাসিন্দা হালিমা বেগম বলেন, ‘‘হঠাৎ করে দেখি ধোঁয়া ওঠা শুরু হয়েছে। সবাই চিৎকার করতে করতে বাইরে দৌঁড়ায়। কয়েক মিনিটের মধ্যে আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। আমরা শুধু জীবন বাঁচানোর জন্য দৌঁড়েছি, ঘরের কিছুই নিতে পারিনি।’’
আব্দুল মালেক নামে স্থানীয় দোকানদার বলেন, ‘‘আমি দোকানে বসে ছিলাম, হঠাৎ কয়েকজন দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে বলে আগুন লেগেছে। সঙ্গে সঙ্গে দোকান বন্ধ করে বের হই। ফায়ার সার্ভিস খুব দ্রুত এসেছে, কিন্তু আগুন এত তীব্র যে নিয়ন্ত্রণে আনতে সময় লাগছে।’’
ঘটনাস্থলে পুলিশের পাশাপাশি স্কাউট, রেড ক্রিসেন্ট এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা পানি সরবরাহ, মানুষ সরিয়ে নেওয়া, এবং আশপাশের ঘর খালি করার কাজে যুক্ত হয়েছেন।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কাজ করছেন।
রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান ও বনানী লাগোয়া প্রায় ৯০ একর জায়গার ওপর ১০ হাজার ঘর রয়েছে এই বস্তিতে। যেখানে প্রায়ই অগ্নিকাণ্ডে ঘটে। চলতি বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতে ওই বস্তিতে লাগা আগুনে পুড়ে যায় অন্তত ডজনখানেক ঘর। গেল বছরের ২৪ মার্চ ও ১৮ ডিসেম্বরেও আগুনে পুড়ে কড়াইল বস্তি।

রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে এ আগুনের সূত্রপাত। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ১৬টি ইউনিট।
তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের সংবাদ পাওয়া যায়নি।
ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা মো. শাহজাহান শিকদার জানান, ৫টা ২২ মিনিটে আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত সাতটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় আরও চারটি ইউনিট বাড়ানো হয়েছে।
শাহজাহান শিকদার বলেন, ‘‘বস্তিতে ঘরগুলো ঘনবসতিপূর্ণ হওয়ায় আগুন খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। আমাদের ১৬টি ইউনিট কাজ করছে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছি।’’
বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাসেল সারোয়ার বলেন, ‘‘খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছি। আগুন যাতে আরও ছড়িয়ে না পড়ে এবং কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটে, সেজন্য এলাকাটি ঘিরে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। বস্তির লোকজনকে দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এখনো আগুন কীভাবে লেগেছে–তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণ করলে তদন্ত করে প্রকৃত কারণ জানা যাবে।’’
বস্তির এক বাসিন্দা হালিমা বেগম বলেন, ‘‘হঠাৎ করে দেখি ধোঁয়া ওঠা শুরু হয়েছে। সবাই চিৎকার করতে করতে বাইরে দৌঁড়ায়। কয়েক মিনিটের মধ্যে আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। আমরা শুধু জীবন বাঁচানোর জন্য দৌঁড়েছি, ঘরের কিছুই নিতে পারিনি।’’
আব্দুল মালেক নামে স্থানীয় দোকানদার বলেন, ‘‘আমি দোকানে বসে ছিলাম, হঠাৎ কয়েকজন দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে বলে আগুন লেগেছে। সঙ্গে সঙ্গে দোকান বন্ধ করে বের হই। ফায়ার সার্ভিস খুব দ্রুত এসেছে, কিন্তু আগুন এত তীব্র যে নিয়ন্ত্রণে আনতে সময় লাগছে।’’
ঘটনাস্থলে পুলিশের পাশাপাশি স্কাউট, রেড ক্রিসেন্ট এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা পানি সরবরাহ, মানুষ সরিয়ে নেওয়া, এবং আশপাশের ঘর খালি করার কাজে যুক্ত হয়েছেন।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কাজ করছেন।
রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান ও বনানী লাগোয়া প্রায় ৯০ একর জায়গার ওপর ১০ হাজার ঘর রয়েছে এই বস্তিতে। যেখানে প্রায়ই অগ্নিকাণ্ডে ঘটে। চলতি বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতে ওই বস্তিতে লাগা আগুনে পুড়ে যায় অন্তত ডজনখানেক ঘর। গেল বছরের ২৪ মার্চ ও ১৮ ডিসেম্বরেও আগুনে পুড়ে কড়াইল বস্তি।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।