সংরক্ষিত আসন
চরচা প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে যাচাই-বাছাই শেষে ৪৯ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। আজ বুধবার এ ঘোষণা দেন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব মঈন উদ্দীন খান।
বিকেল চারটার পর নির্বাচন ভবনে মঈন উদ্দীন খান জানান, ৪৯ জন প্রার্থীর বৈধ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। তাদের নাম কমিশনে উপস্থাপন করে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হিসেবে গেজেট প্রকাশ করা হবে।
বেসরকারিভাবে নির্বাচিত এসব সংসদ সদস্যের নাম-ঠিকানাসহ গেজেট প্রকাশের ব্যবস্থা নেবে ইসি সচিবালয়। এরপর শপথ আয়োজনের জন্য গেজেটটি পাঠানো হবে সংসদ সচিবালয়ে।
ইসির যুগ্ম সচিব মঈন উদ্দীন খান বলেন, “নির্ধারিত সময়ের মধ্যে (প্রত্যাহারের সময় সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা) কোনো প্রার্থী প্রত্যাহারের আবেদন করেননি। শূন্য পদের সমান পদে মনোনয়নপত্র হওয়ায় আইন অনুযায়ী আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) গেজেট প্রকাশ করব।”
এর আগে জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির মনিরা শারিমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এ ছাড়া আরেক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র আদালতের নির্দেশে গ্রহণের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।
এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, “ইসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে একজন আপিল করেছেন– এমন তথ্য এখনও আমাদের কাছে নেই। আরেক প্রার্থী নূসরাত তাবাসসুম রায়ের কপি দিয়ে গেছেন। ইসি আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নিষ্পত্তি করতে বলেছে। এখন তা নিষ্পত্তি করা হবে। আসন শূন্য হলে আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেব।”
সংরক্ষিত নারী আসনের এ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমার শেষ সময় ছিল গত ২১ এপ্রিল। নির্ধারিত সময়ে ৫০টি আসনের বিপরীতে ৫৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। বাছাইয়ে চারজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়; তাদের মধ্যে ছিলেন জামায়াত জোটের প্রার্থী এনসিপির মনিরা শারমিন ও জোটের বাইরে তিনজন।
মনোনয়নপত্র যাচাই শেষে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হয় বুধবার বিকেল চারটায়।
আগামী ১২ মে ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারিত ছিল। তবে প্রতিটি আসনে একক প্রার্থী থাকায় নির্বাচন ছাড়াই তারা বিজয়ী হন। এর ফলে বিএনপির ৩৬ জন, জামায়াত জোটের ১২ জন এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে যাচাই-বাছাই শেষে ৪৯ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। আজ বুধবার এ ঘোষণা দেন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব মঈন উদ্দীন খান।
বিকেল চারটার পর নির্বাচন ভবনে মঈন উদ্দীন খান জানান, ৪৯ জন প্রার্থীর বৈধ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। তাদের নাম কমিশনে উপস্থাপন করে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হিসেবে গেজেট প্রকাশ করা হবে।
বেসরকারিভাবে নির্বাচিত এসব সংসদ সদস্যের নাম-ঠিকানাসহ গেজেট প্রকাশের ব্যবস্থা নেবে ইসি সচিবালয়। এরপর শপথ আয়োজনের জন্য গেজেটটি পাঠানো হবে সংসদ সচিবালয়ে।
ইসির যুগ্ম সচিব মঈন উদ্দীন খান বলেন, “নির্ধারিত সময়ের মধ্যে (প্রত্যাহারের সময় সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা) কোনো প্রার্থী প্রত্যাহারের আবেদন করেননি। শূন্য পদের সমান পদে মনোনয়নপত্র হওয়ায় আইন অনুযায়ী আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) গেজেট প্রকাশ করব।”
এর আগে জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির মনিরা শারিমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এ ছাড়া আরেক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র আদালতের নির্দেশে গ্রহণের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।
এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, “ইসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে একজন আপিল করেছেন– এমন তথ্য এখনও আমাদের কাছে নেই। আরেক প্রার্থী নূসরাত তাবাসসুম রায়ের কপি দিয়ে গেছেন। ইসি আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নিষ্পত্তি করতে বলেছে। এখন তা নিষ্পত্তি করা হবে। আসন শূন্য হলে আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেব।”
সংরক্ষিত নারী আসনের এ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমার শেষ সময় ছিল গত ২১ এপ্রিল। নির্ধারিত সময়ে ৫০টি আসনের বিপরীতে ৫৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। বাছাইয়ে চারজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়; তাদের মধ্যে ছিলেন জামায়াত জোটের প্রার্থী এনসিপির মনিরা শারমিন ও জোটের বাইরে তিনজন।
মনোনয়নপত্র যাচাই শেষে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হয় বুধবার বিকেল চারটায়।
আগামী ১২ মে ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারিত ছিল। তবে প্রতিটি আসনে একক প্রার্থী থাকায় নির্বাচন ছাড়াই তারা বিজয়ী হন। এর ফলে বিএনপির ৩৬ জন, জামায়াত জোটের ১২ জন এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।