চরচা ডেস্ক

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফেরানো নিয়ে আপিলের রায় আজ বৃহস্পতিবার ঘোষণা করা হবে। প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে ৭ বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করবেন। বেঞ্চের অন্য ছয় সদস্য হলেন বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম ইমদাদুল হক, বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।
১৯৯৬ সালে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এম সলিম উল্লাহসহ তিনজন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন। ২০১১ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ত্রয়োদশ সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে বাতিল করেন। এরপর ওই রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলোপসহ কয়েকটি বিষয় নিয়ে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী জাতীয় সংসদে পাস হয়।
গত ৬ নভেম্বর আপিলে রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে শুনানি শেষ করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। বিএনপির পক্ষে ছিলেন জয়নুল আবেদীন ও ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে শুনানি শেষ করেন মোহাম্মদ শিশির মনির। এছাড়া পাঁচ বিশিষ্ট নাগরিকের পক্ষে আপিল শুনানি করেন শরীফ ভূইয়া।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল সংক্রান্ত রায় রিভিউ চেয়ে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ছয়জন ব্যক্তি আবেদন করেন। রিভিউ আবেদন থেকে আপিল শুনানির জন্য ‘লিভ টু আপিল’ মঞ্জুর করে ২১ অক্টোবর শুনানির দিন নির্ধারণ করেন আদালত।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফেরানো নিয়ে আপিলের রায় আজ বৃহস্পতিবার ঘোষণা করা হবে। প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে ৭ বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করবেন। বেঞ্চের অন্য ছয় সদস্য হলেন বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম ইমদাদুল হক, বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।
১৯৯৬ সালে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এম সলিম উল্লাহসহ তিনজন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন। ২০১১ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ত্রয়োদশ সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে বাতিল করেন। এরপর ওই রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলোপসহ কয়েকটি বিষয় নিয়ে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী জাতীয় সংসদে পাস হয়।
গত ৬ নভেম্বর আপিলে রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে শুনানি শেষ করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। বিএনপির পক্ষে ছিলেন জয়নুল আবেদীন ও ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে শুনানি শেষ করেন মোহাম্মদ শিশির মনির। এছাড়া পাঁচ বিশিষ্ট নাগরিকের পক্ষে আপিল শুনানি করেন শরীফ ভূইয়া।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল সংক্রান্ত রায় রিভিউ চেয়ে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ছয়জন ব্যক্তি আবেদন করেন। রিভিউ আবেদন থেকে আপিল শুনানির জন্য ‘লিভ টু আপিল’ মঞ্জুর করে ২১ অক্টোবর শুনানির দিন নির্ধারণ করেন আদালত।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।