চরচা ডেস্ক

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বেঁচে থাকা নিয়ে এখনো সংশয় কাটেনি। আলোচনায় এসেছে দেশটির সেনাপ্রধান আসিম মুনিরকে নিয়ে তার একটি পোস্ট। এ ছাড়া তার দল থেকেও এই নেতার বেঁচে থাকা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বিস্ফোরক পোস্ট করেছেন ইমরান খান। তাতে দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনেছেন তিনি। সেনাপ্রধানকে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে অত্যাচারী স্বৈরশাসক’ এবং ‘মানসিকভাবে অস্থির’ বলে অভিহিত করেছেন।
ইমরান খান দাবি করেছেন, পাকিস্তানে এখন আর সংবিধান বা আইনের শাসন নেই। এর পরিবর্তে ‘আসিম আইন’’ চালু হয়েছে, যার মাধ্যমে পুরো দেশ পরিচালিত হচ্ছে।
তিনি জেনারেল মুনিরের মেয়াদকালে নিপীড়নের মাত্রা নজিরবিহীন বলে উল্লেখ করে বলেছেন, তার ক্ষমতা উপভোগের লালসা মেটাতে যেকোনো কিছু করা হচ্ছে।
ইমরান খান স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, তার দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) বর্তমান সরকার বা সামরিক বাহিনীর সঙ্গে কোনো আলোচনা করবে না। তার মতে, আলোচনা নিরর্থক, কারণ সব ক্ষমতা একজন ব্যক্তির হাতে কেন্দ্রীভূত।
এই নেতা অভিযোগ করেছেন, তার এবং তার স্ত্রী বুশরা বিবির বিরুদ্ধে ‘সব ধরনের নিষ্ঠুরতা’ চালানো হচ্ছে। কোনো রাজনৈতিক নেতার পরিবারকে কখনোই এমন আচরণের শিকার হতে হয়নি।
এদিকে ইমরান খানের পরিবার তার সুস্থতার প্রমাণ দাবি করেছে। কয়েক সপ্তাহ ধরে তাকে পরিবারের সদস্য এবং আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করতে না দেওয়ায় এবং তার মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর এই দাবি জানানো হয়।
ইমরান খানের ছেলে কাশিম খান জানিয়েছেন, তার বাবাকে গত ছয় সপ্তাহ ধরে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় একটি ডেথ সেলে রাখা হয়েছে এবং সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
কাশিম খান এক্সে দেওয়া পোস্টে উল্লেখ করেন, “এই সম্পূর্ণ অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিবেশ কোনো নিরাপত্তা প্রোটোকলের অংশ নয়, বরং তার শারীরিক অবস্থা গোপন করার একটি ইচ্ছাকৃত প্রচেষ্টা।”
খাইবার পাখতুনখাওয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহাইল আফ্রিদিও বৃহস্পতিবার রাতে ইমরান খানের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি না পেয়ে জেলখানার বাইরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। পরে ইসলামাবাদ হাইকোর্টে এ বিষয়ে একটি আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করেছেন তিনি।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইনডিপেনডেন্ট বলছে, ইমরান খানের বোন আলিমা খানমসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও তাদের আদিয়ালা জেলে তার সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। তারা অভিযোগ করেন, গত সপ্তাহে জেলখানার বাইরে তাদের সঙ্গে পুলিশ দুর্ব্যবহার করে এবং শারীরিক হেনস্থা করা হয়।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বৈশ্বিক মানবাধিকার সংস্থা এবং গণতান্ত্রিক সরকারগুলোকে তার বাবার জীবন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করার আহ্বান জানিয়েছেন কাশিম খান।
আদিয়ালা জেল কর্তৃপক্ষ এসব অভিযোগ এবং মৃত্যুর গুজবকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে। তাদের দাবি, ইমরান খান ‘সম্পূর্ণ সুস্থ’ আছেন এবং তাকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের যত্ন ও সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। তবে তারা তার কোনো নতুন ছবি বা ভিডিও প্রকাশ করেনি।

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বেঁচে থাকা নিয়ে এখনো সংশয় কাটেনি। আলোচনায় এসেছে দেশটির সেনাপ্রধান আসিম মুনিরকে নিয়ে তার একটি পোস্ট। এ ছাড়া তার দল থেকেও এই নেতার বেঁচে থাকা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বিস্ফোরক পোস্ট করেছেন ইমরান খান। তাতে দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনেছেন তিনি। সেনাপ্রধানকে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে অত্যাচারী স্বৈরশাসক’ এবং ‘মানসিকভাবে অস্থির’ বলে অভিহিত করেছেন।
ইমরান খান দাবি করেছেন, পাকিস্তানে এখন আর সংবিধান বা আইনের শাসন নেই। এর পরিবর্তে ‘আসিম আইন’’ চালু হয়েছে, যার মাধ্যমে পুরো দেশ পরিচালিত হচ্ছে।
তিনি জেনারেল মুনিরের মেয়াদকালে নিপীড়নের মাত্রা নজিরবিহীন বলে উল্লেখ করে বলেছেন, তার ক্ষমতা উপভোগের লালসা মেটাতে যেকোনো কিছু করা হচ্ছে।
ইমরান খান স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, তার দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) বর্তমান সরকার বা সামরিক বাহিনীর সঙ্গে কোনো আলোচনা করবে না। তার মতে, আলোচনা নিরর্থক, কারণ সব ক্ষমতা একজন ব্যক্তির হাতে কেন্দ্রীভূত।
এই নেতা অভিযোগ করেছেন, তার এবং তার স্ত্রী বুশরা বিবির বিরুদ্ধে ‘সব ধরনের নিষ্ঠুরতা’ চালানো হচ্ছে। কোনো রাজনৈতিক নেতার পরিবারকে কখনোই এমন আচরণের শিকার হতে হয়নি।
এদিকে ইমরান খানের পরিবার তার সুস্থতার প্রমাণ দাবি করেছে। কয়েক সপ্তাহ ধরে তাকে পরিবারের সদস্য এবং আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করতে না দেওয়ায় এবং তার মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর এই দাবি জানানো হয়।
ইমরান খানের ছেলে কাশিম খান জানিয়েছেন, তার বাবাকে গত ছয় সপ্তাহ ধরে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় একটি ডেথ সেলে রাখা হয়েছে এবং সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
কাশিম খান এক্সে দেওয়া পোস্টে উল্লেখ করেন, “এই সম্পূর্ণ অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিবেশ কোনো নিরাপত্তা প্রোটোকলের অংশ নয়, বরং তার শারীরিক অবস্থা গোপন করার একটি ইচ্ছাকৃত প্রচেষ্টা।”
খাইবার পাখতুনখাওয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহাইল আফ্রিদিও বৃহস্পতিবার রাতে ইমরান খানের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি না পেয়ে জেলখানার বাইরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। পরে ইসলামাবাদ হাইকোর্টে এ বিষয়ে একটি আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করেছেন তিনি।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইনডিপেনডেন্ট বলছে, ইমরান খানের বোন আলিমা খানমসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও তাদের আদিয়ালা জেলে তার সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। তারা অভিযোগ করেন, গত সপ্তাহে জেলখানার বাইরে তাদের সঙ্গে পুলিশ দুর্ব্যবহার করে এবং শারীরিক হেনস্থা করা হয়।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বৈশ্বিক মানবাধিকার সংস্থা এবং গণতান্ত্রিক সরকারগুলোকে তার বাবার জীবন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করার আহ্বান জানিয়েছেন কাশিম খান।
আদিয়ালা জেল কর্তৃপক্ষ এসব অভিযোগ এবং মৃত্যুর গুজবকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে। তাদের দাবি, ইমরান খান ‘সম্পূর্ণ সুস্থ’ আছেন এবং তাকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের যত্ন ও সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। তবে তারা তার কোনো নতুন ছবি বা ভিডিও প্রকাশ করেনি।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।