চরচা ডেস্ক

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কাজী মিজানুর রহমানের বাড়ি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া, লুটপাট ও আগুনের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, হামলায় স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতা-কর্মী জড়িত ছিলেন। যদিও অভিযুক্ত ব্যক্তিরা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, গত ১৭ জুলাই দিবাগত রাতে কাজী মিজানুর রহমানের বসতবাড়িতে হামলা করা হয়। হামলাকারীরা প্রথমে বাড়িতে লুটপাট করে এরপর বুলডোজার দিয়ে বাড়ির বিভিন্ন অংশ ভেঙে ফেলে এবং পরে আগুন দেওয়া হয় বাড়িটিতে।
আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) মনে করে, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তার প্রতিকার কেবল আইন ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই হতে পারে। আদালতের আদেশ বা যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া কারও বাড়িঘর ভেঙে ফেলা, সম্পদ লুট করা কিংবা আগুন দেওয়া সম্পূর্ণ বেআইনি এবং আইনের শাসনের পরিপন্থী। রাজনৈতিক পরিচয় বা মতাদর্শ যাই হোক না কেন, প্রত্যেক নাগরিকের জীবন, সম্পদ ও নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব।
আসকের দাবি, একটি নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পরও যদি বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলের মতো সংঘবদ্ধভাবে এ ধরনের হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে, তবে তা আইনের শাসন, জননিরাপত্তা এবং রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগ ব্যবস্থার কার্যকারিতা সম্পর্কে গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দেয়। এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হলে তা বিচারহীনতার সংস্কৃতিকে আরও উৎসাহিত করবে এবং সমাজে ভয় ও অনিরাপত্তার পরিবেশ সৃষ্টি করবে।
আসক বলছে, বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ ও ৩১ অনুচ্ছেদে সকল নাগরিকের আইনের সমান সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। একইভাবে, সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণার ১৭ অনুচ্ছেদে প্রত্যেক ব্যক্তির সম্পত্তির অধিকার স্বীকৃত হয়েছে এবং কাউকে খেয়ালখুশি মতো তার সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত না করার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া, ১২ অনুচ্ছেদে ব্যক্তির গৃহ ও ব্যক্তিগত জীবনে বেআইনি হস্তক্ষেপ থেকে সুরক্ষার নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে। এসব সাংবিধানিক ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ডের আলোকে এ ধরনের হামলা রাষ্ট্রের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আসক অবিলম্বে এই ঘটনার নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্ত নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানায়। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধও জানানো হয়েছে।

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কাজী মিজানুর রহমানের বাড়ি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া, লুটপাট ও আগুনের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, হামলায় স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতা-কর্মী জড়িত ছিলেন। যদিও অভিযুক্ত ব্যক্তিরা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, গত ১৭ জুলাই দিবাগত রাতে কাজী মিজানুর রহমানের বসতবাড়িতে হামলা করা হয়। হামলাকারীরা প্রথমে বাড়িতে লুটপাট করে এরপর বুলডোজার দিয়ে বাড়ির বিভিন্ন অংশ ভেঙে ফেলে এবং পরে আগুন দেওয়া হয় বাড়িটিতে।
আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) মনে করে, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তার প্রতিকার কেবল আইন ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই হতে পারে। আদালতের আদেশ বা যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া কারও বাড়িঘর ভেঙে ফেলা, সম্পদ লুট করা কিংবা আগুন দেওয়া সম্পূর্ণ বেআইনি এবং আইনের শাসনের পরিপন্থী। রাজনৈতিক পরিচয় বা মতাদর্শ যাই হোক না কেন, প্রত্যেক নাগরিকের জীবন, সম্পদ ও নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব।
আসকের দাবি, একটি নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পরও যদি বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলের মতো সংঘবদ্ধভাবে এ ধরনের হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে, তবে তা আইনের শাসন, জননিরাপত্তা এবং রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগ ব্যবস্থার কার্যকারিতা সম্পর্কে গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দেয়। এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হলে তা বিচারহীনতার সংস্কৃতিকে আরও উৎসাহিত করবে এবং সমাজে ভয় ও অনিরাপত্তার পরিবেশ সৃষ্টি করবে।
আসক বলছে, বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ ও ৩১ অনুচ্ছেদে সকল নাগরিকের আইনের সমান সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। একইভাবে, সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণার ১৭ অনুচ্ছেদে প্রত্যেক ব্যক্তির সম্পত্তির অধিকার স্বীকৃত হয়েছে এবং কাউকে খেয়ালখুশি মতো তার সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত না করার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া, ১২ অনুচ্ছেদে ব্যক্তির গৃহ ও ব্যক্তিগত জীবনে বেআইনি হস্তক্ষেপ থেকে সুরক্ষার নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে। এসব সাংবিধানিক ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ডের আলোকে এ ধরনের হামলা রাষ্ট্রের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আসক অবিলম্বে এই ঘটনার নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্ত নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানায়। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধও জানানো হয়েছে।