Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

শেখ হাসিনার পতনে নেতৃত্ব দেওয়া জেন-জি’রা ভোট নিয়ে কী ভাবছে

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১১: ৩০
শেখ হাসিনার পতনে নেতৃত্ব দেওয়া জেন-জি’রা ভোট নিয়ে কী ভাবছে

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছে তরুণ প্রজন্ম। জেনারেশন-জেড বা জেন-জি নামে পরিচিত এই তরুণদের অনেকেই এবারই প্রথমবারের মতো ভোট দেবে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের খুব বেশিদিন বাকি নেই। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশটিতে ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু কি ভাবছে দেশের তরুণ ভোটাররা? বার্তাসংস্থা রয়টার্সের সাথে আলাপচারিতায় তাদের অনুভূতি উঠে এসেছে। আগামী মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতীয় নির্বাচন ঘিরে এই তরুণ ভোটারদের মাঝে যেমন আশা ও উদ্দীপনা কাজ করছে, তেমনি রয়েছে সংশয় এবং পরিবর্তনের জোরালো দাবি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ২৫ বছর বয়সী এইচ এম আমিরুল করিম (২৫) জানান, তরুণ ভোটাররা দলীয় বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠতে চান। তিনি বলেন, “আমি আশা করি মানুষকে তাদের রাজনৈতিক পরিচয়ে নয়, বরং নাগরিক হিসেবে মূল্যায়ন করা হবে।”

জেনে নিন ভোট দেওয়ার সঠিক নিয়মelection-comission

কয়েক মাসের অস্থিরতার পর দেশ পুনর্গঠনে এই নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে আমিরুল বলেন, “আমরা বিপ্লব পরবর্তী পরিস্থিতি থেকে একটি স্থিতিশীল অবস্থার দিকে যাচ্ছি। আর এই স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে একটি নির্বাচিত সরকার প্রয়োজন।”

Advertisement
Advertisement
Advertisement

তবে সবাই এমনটি ভাবছে না। গত বছরের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ২৩ বছর বয়সী অ্যাক্টিভিস্ট হেমা চাকমা। তিনি বলেন, ‘‘বর্তমান পরিস্থিতিকে অনেকটা ‘নতুন বোতলে পুরোনো মদ’ প্রবাদের সাথে তুলনা করেছেন।’’

২৫ বছর বয়সী সাদমান মুজতবা রাফিদের মতে, রাজনৈতিক দলগুলো তরুণদের প্রকৃত সমস্যা সমাধান না করেই তাদের সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা করছে।

তিনি বলেন, “আমরা কী ভাবছি তা নিয়ে তাদের মাথাব্যথা নেই, বরং আমরা কাকে ভোট দিচ্ছি সেটিই তাদের কাছে মুখ্য। সংস্কারের যে প্রস্তাবগুলো দেওয়া হয়েছে আমরা তাকে সাধুবাদ জানাই, কিন্তু আমরা এর বাস্তব প্রতিফলন দেখতে চাই।”

ভোটের মানে কি বদলাবে এবার?election office

অনেকের কাছেই কর্মসংস্থান এখন প্রধান অগ্রাধিকার। ২৫ বছর বয়সী প্রকৌশলী শাফতি আশারি বর্তমানে মাদরাসায় পড়ছেন। তিনি বলেন, “স্নাতকদের সংখ্যার তুলনায় কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে না। বেকারত্ব দূর করতে রাজনৈতিক নেতাদের কাছ থেকে আমরা সুনির্দিষ্ট এবং কার্যকর পরিকল্পনা প্রত্যাশা করি।”

২২ বছর বয়সী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মোহাম্মদ মাসুমও সরকার জবাবদিহিতার দাবি জানিয়েছেন। তিনি এমন এক দেশপ্রেমী সরকারের আশা রাখেন যারা দেশের আইন শৃংখলা ঠিক রাখবে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের লাখো তরুণ এবং প্রথমবার ভোট দিতে যাওয়া জেন-জি ভোটাররাই একটি গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। সেই আন্দোলনের মুখে দীর্ঘ প্রায় ১৬ বছরের এক স্বৈরশাসনের পতন ঘটে এবং রাজপথে ব্যাপক রক্তপাতের পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রতিবেশী ভারতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন।

আসন্ন নির্বাচনে এই তরুণরাই ফলাফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখতে পারেন। তবে তাদের বক্তব্যে এটিই স্পষ্ট যে, এই প্রজন্ম গণতন্ত্রের জন্য উন্মুখ হলেও পুরনো রাজনৈতিক ধারার পুনরাবৃত্তি নিয়ে বেশ সন্দিহান।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট যে লাখো তরুণ এক স্বৈরশাসনের পতন ঘটিয়েছিল, আসন্ন নির্বাচনে তারাই হতে পারেন ‘গেম চেঞ্জার‘। বাংলাদেশের প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের মধ্যে প্রায় ৫ কোটিই তরুণ। এই জেন-জি প্রজন্ম এখন সোশ্যাল মিডিয়া এবং রাজপথ—উভয় জায়গাতেই সক্রিয়। তারা কেবল প্রতিনিধি নির্বাচন করতে চায় না, বরং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং পুলিশের জবাবদিহিতার মতো কাঠামোগত সংস্কারের বাস্তব বাস্তবায়ন চায়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই তরুণরা যদি দলগুলোর পুরোনো প্রতিশ্রুতিতে আশ্বস্ত না হয়, তবে ভোটের ফলাফল এবং পরবর্তী রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা দুই-ই নাটকীয়ভাবে বদলে যেতে পারে।

বিষয়: রাজনীতিবিদনির্বাচনআওয়ামী লীগত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনভোটরাজনীতি
সর্বশেষ
  • ১

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ২

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৩

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৪

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৫

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।