Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৭ অক্টোবর, ২০২৬
১৭ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৭ অক্টোবর, ২০২৬
১৭ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

ছায়া মন্ত্রিসভা কী? অন্যান্য দেশে কীভাবে কাজ করে?

ইয়াসিন আরাফাত

ইয়াসিন আরাফাত

প্রকাশ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৩: ১০
ছায়া মন্ত্রিসভা কী? অন্যান্য দেশে কীভাবে কাজ করে?

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। এরই মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া জানিয়েছেন, তারা ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আজ রোববার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই সংক্রান্ত একটা পোস্ট দেন।

Advertisement

সংসদীয় গণতন্ত্রের চর্চায় ছায়া মন্ত্রিসভা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও পরিচিত ধারণা। বিশেষ করে যুক্তরাজ্যের ওয়েস্টমিনিস্টার ধাঁচের শাসন ব্যবস্থায়, যেখানে বিরোধী দল কেবল সরকারের সমালোচনায় সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং নিজেকে একটি বিকল্প সরকার হিসেবে প্রস্তুত রাখে। সেখানেই এই ব্যবস্থার সার্থকতা ফুটে ওঠে।

সম্প্রতি বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ক্ষমতার পালাবদল ও সংসদীয় সংস্কারের আলোচনায় এই বিষয়টি পুনরায় সামনে এসেছে।

ছায়া মন্ত্রিসভা কী?

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সহজ কথায়, ছায়া মন্ত্রিসভা হলো সংসদের প্রধান বিরোধী দলের এমন একটি মনোনীত সদস্য দল, যারা সরকারের প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের কর্মকাণ্ড নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে। সরকারের একজন মন্ত্রী যে দপ্তরের দায়িত্বে থাকেন, বিরোধী দলের একজন সদস্য সেই নির্দিষ্ট দপ্তরের শ্যাডো মিনিস্টার বা ছায়া মন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হন। যেমন- সরকারের একজন অর্থমন্ত্রী থাকলে বিরোধী দলেও একজন ছায়া অর্থমন্ত্রী থাকেন। এই ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারকে জবাবদিহির আওতায় আনা এবং যেকোনো সময় রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের জন্য প্রস্তুত থাকা।

ছায়া মন্ত্রিসভার কার্যক্রম

তদারকি ও সমালোচনা: ছায়া মন্ত্রীরা সংশ্লিষ্ট সরকারি মন্ত্রণালয়ের নীতি, ব্যয় এবং কার্যক্রমের ভুলত্রুটি জনসমক্ষে তুলে ধরেন। সংসদে প্রশ্নোত্তরের সময় তারা সরকারের মন্ত্রীদের নির্দিষ্ট বিষয়ে চ্যালেঞ্জ করেন।

বিকল্প নীতি প্রণয়ন: সরকার কোনো আইন বা বাজেট পেশ করলে ছায়া মন্ত্রিসভা তার একটি বিকল্প প্রস্তাব বা রূপরেখা জনগণের সামনে পেশ করে। এতে ভোটাররা বুঝতে পারেন যে বিরোধী দল ক্ষমতায় থাকলে বিষয়টি কীভাবে পরিচালনা করত।

প্রস্তুতি ও প্রশিক্ষণ: যদি কোনো কারণে সরকার পতন ঘটে বা পরবর্তী নির্বাচনে বিরোধী দল জয়ী হয়, তবে ছায়া মন্ত্রীরা আগে থেকেই তাদের দপ্তর সম্পর্কে অভিজ্ঞ থাকেন। ফলে নতুন সরকার গঠনের পর তাদের কাজ শুরু করতে কোনো বেগ পেতে হয় না।

ছায়া মন্ত্রিসভার ধারণাটি মূলত যুক্তরাজ্য থেকে উদ্ভূত। বর্তমানে বিশ্বের অনেক দেশেই এই চর্চা রয়েছে:

যুক্তরাজ্য: ব্রিটিশ পার্লামেন্টে আনুষ্ঠানিকভাবে ছায়া মন্ত্রিসভাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। সেখানে বিরোধী দলীয় নেতাকে হার ম্যাজেস্টিস লয়াল অপজিশন-এর নেতা বলা হয় এবং তিনি নির্দিষ্ট বেতন-ভাতা পান।

কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড: ব্রিটিশ কমনওয়েলথভুক্ত এই দেশগুলোতে ছায়া মন্ত্রিসভা অত্যন্ত শক্তিশালী। প্রতিটি সরকারি দপ্তরের বিপরীতে সেখানে একজন করে দক্ষ ছায়া মন্ত্রী নিযুক্ত থাকেন।

ভারত: ভারতে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিটিশ স্টাইলে ছায়া মন্ত্রিসভা না থাকলেও, বিভিন্ন সময়ে বড় বিরোধী দলগুলো নির্দিষ্ট বিষয়ে পর্যবেক্ষণের জন্য অভ্যন্তরীণ কমিটি গঠন করে, যা ছায়া মন্ত্রিসভার মতোই কাজ করে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ছায়া মন্ত্রিসভা এটি গণতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষার কবচ। যদিও ছায়া মন্ত্রীদের কোনো নির্বাহী ক্ষমতা নেই, তবুও তারা রাজনৈতিক ফলাফলের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারেন।

কেন ছায়া মন্ত্রিসভা দরকার

সরকারি সিদ্ধান্তের একটি সুশৃঙ্খল তদারকি নিশ্চিত করে।

নির্বাচনের মধ্যবর্তী সময়ে নিরবচ্ছিন্ন রাজনৈতিক চর্চা বজায় রাখে।

একটি নির্ভরযোগ্য ‘বিকল্প সরকার’ হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলে।

জনগণের কাছে রাজনৈতিক বিতর্কগুলোকে সহজ ও স্পষ্ট করে তোলে।

ছায়া মন্ত্রিসভার দুর্বলতা

অনেক সময় তারা সুদূরপ্রসারী চিন্তার চেয়ে কেবল তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার ওপর বেশি জোর দেন। যদি দলের মধ্যে ঐক্য না থাকে, তবে ছায়া মন্ত্রিসভাকে জনবিচ্ছিন্ন মনে হতে পারে। ছায়া মন্ত্রিসভার রদবদল অনেক সময় অস্থিতিশীলতা তৈরি করে অথবা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটিশ পার্লামেন্টের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট , ইনস্টিটিউট ফর গভর্নমেন্ট (ইউকে), অক্সফোর্ড ডিকশনারি অফ পলিটিক্স, দ্য ডেইজি চেইন

বিষয়: রাজনীতিবিদনির্বাচনফেসবুকভোটরাজনীতি
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    ঢাকা উত্তর বিএনপির নতুন কমিটি: পুরনো নেতৃত্ব, নাকি নতুন মুখ?

  • ২

    নির্ভয়ে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

  • ৩

    উড়ন্ত গাড়ি উন্মোচন করল টেসলা

  • ৪

    মোদির দমন-পীড়ন: চ্যালেঞ্জের মুখে ভারতের গণতন্ত্র

  • ৫

    নিশ্চিন্তে উৎসব করুন: হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি প্রধানমন্ত্রী

সম্পর্কিত
  • বৈশ্বিক পাসপোর্ট সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান কী বার্তা দিচ্ছে?

    বৈশ্বিক পাসপোর্ট সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান কী বার্তা দিচ্ছে?

    হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স প্রকাশিত সূচকের তথ্য বলছে, বাংলাদেশের পাসপোর্ট সূচকের এই ওঠানামা থেকে বোঝা যায়- আন্তর্জাতিক ভ্রমণের সুযোগের ক্ষেত্রে দেশের অবস্থান এখনও বেশ সীমিত।

  • ‘মোস্তাফিজ ২.০’ হয়ে ফিরবেন নাহিদ রানা?

    ‘মোস্তাফিজ ২.০’ হয়ে ফিরবেন নাহিদ রানা?

    ‘মোস্তাফিজুর ২.০’ হয়ে ফিরবেন নাহিদ রানা? আফগানিস্তানের বিপক্ষে আবুধাবিতে ড্র হওয়া টেস্টের পঞ্চম দিনের শেষ ঘণ্টায় একজনকে খুব মিস করেছে বাংলাদেশ দল। তিনি নাহিদ রানা। কেননা, চলতি বছরই পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে পঞ্চম দিনে একটা স্পেলে তার গতিময় বোলিংয়ের সামনে পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানরা উ

  • ইরান-হুতিদের কারণে কতটা ঝুঁকিতে উপসাগরীয় ডেটা সেন্টারগুলো

    ইরান-হুতিদের কারণে কতটা ঝুঁকিতে উপসাগরীয় ডেটা সেন্টারগুলো

    উপসাগরীয় দেশগুলো এতদিন নিজেদের আঞ্চলিক অস্থিরতার মধ্যেও প্রযুক্তির জন্য শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ এলাকা হিসেবে তুলে ধরেছিল। কিন্তু চলমান যুদ্ধ তাদেরকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে। ইরান এখন প্রযুক্তির এই নির্ভরযোগ্যতা ও নিরাপত্তাকেই একটি ভূ-রাজনৈতিক দরকষাকষির হাতিয়ার বানাতে চাইছে।

  • হুতি কারা, কী চায় তারা?

    হুতি কারা, কী চায় তারা?

    হুতিরা উত্তর ইয়েমেনের একটি সশস্ত্র রাজনৈতিক ও ধর্মীয় গোষ্ঠী। তারা দেশটির সংখ্যালঘু জায়দি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করার দাবি করে। জায়দিবাদ শিয়া ইসলামের একটি শাখা।