Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৭ অক্টোবর, ২০২৬
১৭ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৭ অক্টোবর, ২০২৬
১৭ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ
বিবিসির বিশ্লেষণ

বাংলাদেশে কি পরিবর্তন আনতে পারবেন তারেক?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২: ০৮
বাংলাদেশে কি পরিবর্তন আনতে পারবেন তারেক?

দুই বছর আগে কারচুপির অভিযোগে ব্যাপকভাবে নিন্দিত একটি নির্বাচনে শেখ হাসিনা জয় লাভ কররেছিলেন। তখন এটি কল্পনা করা কঠিন ছিল, তার ১৫ বছরের ক্ষমতার দখল হঠাৎ করে ফসকে যাবে। অথবা কার্যত বাতিলের খাতায় ফেলে দেওয়া একটি বিরোধী দল এমনভাবে সগৌরবে ফিরে আসবে।

Advertisement

বাংলাদেশের রাজনীতিতে তাই হলো। কিন্তু পার্থক্য হলো, এই প্রথমবারের মতো বিএনপির নেতা তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং এটিই তার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রথম নির্বাচন।

তার মা খালেদা জিয়া গত বছরের শেষের দিকে মারা যান। তিনি চার দশক ধরে দলের প্রধান ছিলেন। তারেকের বাবা জিয়াউর রহমান বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের অন্যতম প্রধান নেতা। তিনি হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়ার পর খালেদা জিয়া দলের হাল ধরেন।

মায়ের শাসনামলে ‘স্বজনপ্রীতির সুবিধা নেওয়ায়’ তারেক রহমান দুর্নীতির অভিযোগের মুখেও পড়েছেন। তার মা মারা যাওয়ার পাঁচ দিন আগে তিনি লন্ডনে ১৭ বছরের স্বেচ্ছা-নির্বাসন কাটিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

খালেদা জিয়া যখন কারাগারে ছিলেন এবং শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন, তখন ৬০ বছর বয়সী তারেক রহমান দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে বড় একটি অংশের কাছে তিনি এখনও একজন পরীক্ষিত নেতা নন।

তারেক রহমানের মা বেগম খালেদা জিয়া। ফাইল ছবি
তারেক রহমানের মা বেগম খালেদা জিয়া। ফাইল ছবি

রাষ্ট্রবিজ্ঞানী নাভিন মুর্শিদ ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে জানান, তার (তারেকের) পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকাটা সম্ভবত তার জন্য ইতিবাচক হিসেবে কাজ করছে, কারণ মানুষ পরিবর্তনকে একটি সুযোগ দিতে চায়। তারা ভাবতে চায় যে নতুন এবং ভালো কিছু হওয়া আসলে সম্ভব। তাই অনেক আশা তৈরি হয়েছে।

বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, তাদের প্রথম অগ্রাধিকার হলো বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা।

নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরপরই বিএনপির সিনিয়র নেতা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিবিসিকে বলেন, “গত এক দশকে যে সমস্ত গণতান্ত্রিক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে, আমাদের প্রথমে সেগুলোকে সুশৃঙ্খল অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে হবে।”

বাংলাদেশে এ ধরনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া এবং পরে তা ভঙ্গ করার দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। দেশটিতে দলগুলো ক্ষমতায় আসার পর ক্রমশ স্বৈরাচারী হয়ে ওঠে।

তবে ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে অংশ নিয়ে হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর এই বাস্তবতায় পরিবর্তন এসেছে। দেশের তরুণ সমাজ আগের মতো একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি মেনে নেওয়ার বিষয়ে অনেক কম সহনশীল বলে মনে হচ্ছে।

অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ১৯ বছর বয়সী তাজিন আহমেদ বলেন, “আমরা আর লড়াই করতে চাই না। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগই মূল বিজয় ছিল না। যখন আমাদের দেশ কোনো দুর্নীতি ছাড়াই সচল হবে এবং অর্থনীতি শক্তিশালী হবে, সেটিই হবে আমাদের আসল বিজয়।”

তার ২১ বছর বয়সী বোন তাহমিনা তাসনিম বলেন, “আমরা সবার আগে জনগণের মধ্যে ঐক্য চাই। একটি স্থিতিশীল রাষ্ট্র এবং স্থিতিশীল অর্থনীতির ওপর আমাদের অধিকার আছে। আমরা একটি অভ্যুত্থানের অংশ ছিলাম এবং আমরা জানি কীভাবে পাল্টা লড়াই করতে হয়। তাই যদি একই জিনিসের পুনরাবৃত্তি শুরু হয়, তবে আমাদের আবারও তা করার অধিকার থাকবে।”

হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী প্রশাসনের প্রধান মোহাম্মদ ইউনূসের শাসনামল সংঘাত ও সহিংসতার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, আইনশৃঙ্খলার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা নতুন সরকারের একটি প্রধান অগ্রাধিকার হতে হবে। এছাড়া অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করা, খাবারের দাম কমানো এবং বাংলাদেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা অন্যান্য বড় চ্যালেঞ্জ।

সমাজবিজ্ঞানী সামিনা লুৎফা মনে করেন, সরকার পরিচালনার অভিজ্ঞতার অভাব সব দলের ওপরই প্রভাব ফেলে।

বাংলাদেশের ইতিহাসে দুবার এবং হাসিনার শাসনামলেও নিষিদ্ধ হওয়া ইসলামপন্থী দল জামায়াতে ইসলামীর জন্য এটিই প্রথমবার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আসনে জয়লাভের ঘটনা।

তাদের জোটসঙ্গী অভ্যুত্থানের নেতৃত্বদানকারী কিছু শিক্ষার্থী দ্বারা গঠিত দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রথম নির্বাচনেই ছয়টি আসনে জয়ী হয়েছে।

লুৎফা বলেন, “আমরা সংসদে এমন সব নেতাদের দেখতে যাচ্ছি, যারা এর আগে কখনো সংসদে যাননি। এনসিপির তরুণদের অনেক কিছু শেখার আছে। অন্যরা অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ হলেও তাদের দেশ চালানোর অভিজ্ঞতা নেই। তাই এটি একটি অত্যন্ত কঠিন কাজ হতে যাচ্ছে।”

জামায়াতের নির্বাচনী ইশতেহার ছিল ধর্মনিরপেক্ষ এবং উন্নয়ন-কেন্দ্রিক, যেখানে ইসলামী আইনের কোনো উল্লেখ ছিল না।

নাভিন মুর্শিদ বলেন, এই নির্বাচনে জামায়াতের ফলাফল বিস্ময়কর নয়। তার মতে, জামায়াত একটি অত্যন্ত সুসংগঠিত রাজনৈতিক দল। গত কয়েক দশক ধরে তারা তৃণমূল পর্যায়ে নিরলসভাবে কাজ করেছে। তিনি বলেন, “সমস্যাজনক দিকটি হলো তারা স্বভাবগতভাবে গণতন্ত্রবিরোধী, নারীবিদ্বেষী এবং পিতৃতান্ত্রিক।”

লুৎফা বলেন, “সব দলই বাংলাদেশের নারীদের হতাশ করেছে। প্রার্থীদের মাত্র ৪ শতাংশের কিছু বেশি ছিল নারী। আমরা যেসব নারীরা জুলাই অভ্যুত্থানের অংশ ছিলাম সব রাজনৈতিক দল আমাদের সম্মিলিত শক্তিকে একটি আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক ও নির্বাচনী অঙ্গনে রূপান্তর করতে ব্যর্থ হয়েছে।”

আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি
আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

এই সমাজবিজ্ঞানী বলেন, সংসদ সদস্যদের এখন দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে যাতে তারা সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনগুলোতে দক্ষ, সৎ এবং যোগ্য প্রার্থীদের নিয়ে আসতে পারেন।

বাংলাদেশের সংসদের ৩৫০টি আসনের মধ্যে ৩০০টি সরাসরি নির্বাচিত এবং বাকি ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত, যা রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নির্বাচনী ফলাফলের অনুপাতে মনোনীত করে।

যদিও এই নির্বাচন হাসিনার অধীনে গত কয়েকটি নির্বাচনের তুলনায় একদম আলাদা ছিল। এতে প্রকৃত প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল এবং ভোট শুরু হওয়ার আগে ফলাফল জানা ছিল না। তবুও আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে নিষিদ্ধ করা এর গ্রহণযোগ্যতার ওপর একটি ছায়া ফেলেছে।

গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবিত করার দাবির পরিপ্রেক্ষিতে, আওয়ামী লীগকে পুনরায় রাজনৈতিক ধারায় ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সমর্থন দেবে কি না জানতে চাইলে বিএনপি নেতা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “এটি আমাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয় নয়। বাংলাদেশে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের ফিরে আসতে বেশ কিছুটা সময় লাগবে, কারণ তাদের গ্রহণযোগ্যতা এখন প্রশ্নবিদ্ধ। যখন আপনি আপনার নিজের দেশের মানুষকে হত্যা, নৃশংসতা এবং নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত হবেন, তখন বাংলাদেশের রাজনীতির ভবিষ্যতে তাদের স্থান কোথায় হবে তা জনগণই নির্ধারণ করবে।”

ভারত থেকে নির্বাসিত অবস্থায় হাসিনা ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে একটি প্রতারণা ও প্রহসনের নির্বাচন হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি একটি নতুন নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন, যেখানে আওয়ামী লীগকে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমানে তার দলের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভ অত্যন্ত তীব্র, তবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস বিবেচনা করলে আওয়ামী লীগকে চিরতরে বাতিলের খাতায় ফেলে দেওয়াটা হবে সময়ের আগে নেওয়া এক অপরিপক্ক সিদ্ধান্ত।

বিষয়: বাংলাদেশরাজনীতিবিদশেখ হাসিনাআওয়ামী লীগরাজনীতি
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    ঢাকা উত্তর বিএনপির নতুন কমিটি: পুরনো নেতৃত্ব, নাকি নতুন মুখ?

  • ২

    নির্ভয়ে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

  • ৩

    উড়ন্ত গাড়ি উন্মোচন করল টেসলা

  • ৪

    মোদির দমন-পীড়ন: চ্যালেঞ্জের মুখে ভারতের গণতন্ত্র

  • ৫

    নিশ্চিন্তে উৎসব করুন: হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি প্রধানমন্ত্রী

সম্পর্কিত
  • ঢাকা উত্তর বিএনপির নতুন কমিটি: পুরনো নেতৃত্ব, নাকি নতুন মুখ?

    ঢাকা উত্তর বিএনপির নতুন কমিটি: পুরনো নেতৃত্ব, নাকি নতুন মুখ?

    ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন কমিটি ঘিরে দলের ভেতরে আলোচনা এখন তুঙ্গে। আহ্বায়ক বা সভাপতি পদে সাবেক ও বর্তমান নেতৃত্বের একাধিক নেতার নাম যেমন আলোচনায় আছে, তেমনি সদস্য সচিব বা সাধারণ সম্পাদক পদেও তৈরি হয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সমীকরণ। সদ্য বিলুপ্ত কমিটির আহ্বায়ক আমিনুল হককে আবার নেতৃত্বে ফিরিয়ে আনার

  • মোদির দমন-পীড়ন: চ্যালেঞ্জের মুখে ভারতের গণতন্ত্র

    মোদির দমন-পীড়ন: চ্যালেঞ্জের মুখে ভারতের গণতন্ত্র

    ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রতিবাদে আন্দোলন দমনে ব্যাপক ধরপাকড়, পুলিশি সহিংসতা এবং আধাসামরিক বাহিনীর বিপুল উপস্থিতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের জন্য নতুন রাজনৈতিক সংকট তৈরি করেছে। যে সরকার দীর্ঘদিন ধরে শক্তিশালী নেতৃত্ব, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির

  • মানুষ ঝুঁকছে ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ে, সাইবার ঝুঁকি ঠেকানোর কী প্রস্তুতি ব্যাংকগুলোর?

    মানুষ ঝুঁকছে ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ে, সাইবার ঝুঁকি ঠেকানোর কী প্রস্তুতি ব্যাংকগুলোর?

    দেশের ব্যাংক খাতে প্রযুক্তিনির্ভর সেবা দ্রুত বাড়লেও সেই তুলনায় সাইবার নিরাপত্তা ও প্রযুক্তি ব্যবস্থাপনায় বিনিয়োগ বাড়ছে না। ব্যাংকের তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) বাজেটের বড় অংশ যাচ্ছে ভৌত অবকাঠামো ও সফটওয়্যারে। এর বিপরীতে সাইবার নিরাপত্তা, আইটি অডিট ও কর্মীদের প্রশিক্ষণে বরাদ্দ তুলনামূলকভাবে কম।

  • মক্কা চুক্তি ইসরায়েলকে বাইরে রেখে মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র বদলে দিচ্ছে

    মক্কা চুক্তি ইসরায়েলকে বাইরে রেখে মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র বদলে দিচ্ছে

    মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও ভূরাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করছে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তি। ইয়েমেন থেকে সৌদি আরবের ওপর ধারাবাহিক হামলার মুখে রিয়াদ এই চুক্তির সামরিক কার্যকারিতা সক্রিয় করেছে।