
যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে চলমান বাণিজ্যযুদ্ধ ঘিরে অস্থিতিশীল বিশ্ব বাজার। পাল্টাপাল্টি শুল্ক আরোপে অস্বস্তিতে রয়েছে দুই দেশের ব্যবসায়ীরাও। এমনই সংকটের মধ্যে সুখবরের ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপানো শুল্কের বিপরীতে আবারও পাল্টা ব্যবস্থা নিয়েছে চীন। গতকাল শুক্রবার (১১ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের সব পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্কের পরিমাণ ৮৪ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১২৫ শতাংশে উন্নীত করেছে বেইজিং।

উচ্চ এই শুল্কের প্রভাব পড়তে পারে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান অ্যাপলের তৈরি আইফোনের ওপরও। বিশ্লেষকদের অনেকের ধারণা, চীনে উৎপাদনের পর আইফোন যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অ্যাপলকে যে বাড়তি শুল্ক দিতে হবে, তার বোঝা এসে পড়বে ভোক্তাদের কাঁধে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিভিন্ন দেশের ওপর যে পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছিলেন, তা ৯০ দিনের জন্য স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন। এই সময় দেশগুলোর পণ্যে পাল্টা শুল্ক ন্যূনতম ১০ শতাংশ কার্যকর হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন শুল্ক আরোপের ধাক্কায় এশিয়া ও ইউরোপের শেয়ারবাজারে ব্যাপক ধস নেমেছে। বিশ্বের প্রায় সব দেশেই এ শুল্কের প্রভাব অব্যাহত অনুভূত হচ্ছে।

শুল্ক কমানোর অনুরোধ জানিয়ে যেসব দেশ ইতিমধ্যে হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে, সেসব দেশের সঙ্গে শিগগিরই সমঝোতা আলোচনা শুরু করার কথা বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আরোপ করা শুল্কে বিচলিত হয়ে পড়েছে গোটা বিশ্ব। ইতিমধ্যে ধস নেমেছে বেশ কয়েকটি দেশের পুঁজিবাজারে। এই পরিস্থিতির মোকাবিলায় পাল্টা শুল্ক আরোপের বদলে অনেক দেশই আলোচনার পথে হাঁটছে।