
দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের চলাচলের সুবিধার্থে রাজধানীর ফুটপাতগুলোতে বসানো হয়েছিল হলুদ রঙের টাইলস, যাতে টাইলসের ঘন প্রলেপ অনুভব করে হাঁটতে পারেন তারা। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। রাজধানীর অনেক গুরুত্বপূর্ণ সড়কের ফুটপাতকে প্রতিবন্ধীবান্ধব করা যায়নি।

দুপুর হলেই শিশুগুলো বইখাতার ব্যাগ কাঁধে করে পৌঁছে যায় সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজের সামনের ফুটপাতে। তারাই ফুটপাতে চাদর বিছিয়ে পড়তে বসে পড়ে। এখানে প্রতিদিন চলে ‘আলোর স্কুল’।

রাজধানীর গুলিস্তানে বাইতুল মোকাররম মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় ফুটপাতে বসে ব্লেজারের দোকান। এখানে মাত্র ৫০০ টাকাতেই পাওয়া যায় ব্লেজার! ভিডিও: আব্দুল্লাহ খান

মো. সিরাজুল ইসলাম প্রায় ২৫ বছর ধরে ফুটপাতে টুপি বিক্রি করছেন। বিভিন্ন উৎসবকে সামনে রেখে তিনি বাংলাদেশের পতাকা আঁকা টিশার্ট বিক্রি করেন। গত বছরের ৫ আগস্ট সবচেয়ে বেশি টিশার্ট বিক্রি করেছেন তিনি। কিন্তু এখন আর বিক্রি হয় না।

প্রায় ২৫ বছর ধরে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের সামনের ফুটপাতে কমফোর্ট বিক্রি করেন মাসুদ রানা। বিভিন্ন দেশ থেকে সেকেন্ড হ্যান্ড কম্বল ও কম্ফোর্ট আমদানি করেন তিনি। তার কাছে ২ হাজার ৫০০ থেকে ২৫ হাজার টাকা দামের কমফোর্ট পাওয়া যায়।

রাজধানীর গুলিস্তানে স্টেডিয়াম মার্কেট ঘেষা ফুটপাতে অনেকের মতো ফিরোজ মিয়াও নিজের জিনিসপত্রের পসরা সাজিয়ে বসেন। তিনি বিক্রি করেন পুরোনো সব জিনিসপাতি, ঘর সাজাতে অনেকে কম দামে এখান থেকে কেনেন নানা শো-পিস।

রাজধানীর পলাশী বাজারের কাছে ফুটপাতে সেলুন চালান সুধীর চন্দ্র শীল। সাধারণত স্বল্প আয়ের মানুষ তার গ্রাহক। তিনি চুল কাটতে নেন ৫০ টাকা, আর দাড়ি কাটতে নেন ৪০ থেকে ৫০ টাকা।

পাঁচ বছর ধরে গুলিস্তানের ফুটপাতে পতাকা বিক্রি করছেন ইমন। সারা বছর তেমন চাহিদা না থাকলেও ডিসেম্বর মাসে পতাকা বিক্রি বেড়ে যায়।

জাম্বুরার খোসা ছাড়ানো অনেকের কাছেই বিড়ম্বনা। সেই বিড়ম্বনাকে কাজে লাগিয়ে ফুটপাতে জাম্বুরা বিক্রি করছেন অনেকে। তারা জাম্বুরার খোসা ছাড়িয়ে বিক্রি করেন। রাজধানীর মতিঝিলে প্রতি পিস জাম্বুরার দাম ৬০ টাকা থেকে ৮০ টাকা।

ঘটনাটির পরে মেট্রো চলাচল সাময়িক বন্ধ রয়েছে। নিহত আবুল কালাম আজাদ শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার বাসিন্দা।