
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অর্থনৈতিক অর্জনগুলো মানুষ ভবিষ্যতে অনুভব করবে বলে মন্তব্য করেছেন তার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, সরকারের ঐতিহাসিক অর্জনগুলো সঠিকভাবে তুলে ধরা হয় না।

“আওয়ামী লীগ হেন কোনো আকাম-কুকাম করে নাই, ওদের সাহায্য ছাড়া। ওদের সাহায্য ছিলো, নৈতিক সমর্থন ছিল বলে আওয়ামী লীগ এসব আকাম-কুকাম করে পার পেয়ে গেছে।”

ফেসবুক পোস্টে প্রেস সচিব অভিযোগ করেন, “সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জিল্লুর রহমান একের পর এক ভিডিও মনোলগ প্রকাশ করে আসছেন। এর অনেকগুলোই জনসাধারণকে তথ্য দেওয়ার বদলে গুজব প্রচার করে। বিভ্রান্তি ছড়ায় এবং ষড়যন্ত্র তত্ত্বকে উসকে দেয়।”

২০০৮ সালে জরুরি অবস্থার মধ্যে পরিবার নিয়ে দেশ ছাড়ার পর গত ১৭ বছর ধরে লন্ডনে আছেন তারেক। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর মামলা নিয়ে জটিলতার অবসান হলেও তিনি ফেরেননি।

আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি, আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং জুলাই গণহত্যায় অভিযুক্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বকে একদিন বাংলাদেশের আদালতের মুখোমুখি হতে হবে। ভারত এরইমধ্যে জানিয়েছে, জুলাই গণহত্যার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হাসিনাকে প্রত্যর্পণের জন্য তারা আমাদের অনুরোধ পরীক্ষা করছে

প্রেস সচিব বলেন, ‘‘মানিকগঞ্জের পুলিশ এই নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছে। একইসঙ্গে অন্য দুই এক জায়গাসহ যেখানেই হামলা হয়েছে সেই সব জায়গায় সাঁড়াশি অভিযান চলছে।’’

‘মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর সংবাদ’ প্রকাশ করায় দৈনিক মানবজমিন পত্রিকাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি জানান, প্রধান উপদেষ্টার এসডিজি–বিষয়ক সমন্বয়ক লামিয়া মোর্শেদসহ কয়েকজন রাষ্ট্রদূত হচ্ছেন— মানবজমিনে প্রকাশিত এমন সংবাদ

শফিকুল আলম বলেন, “শেখ হাসিনার হাতেও রক্ত লেগে আছে। তিনি হাজারো মানুষকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন, প্রায় চার হাজার মানুষকে গুম করেছেন এবং তার ঘনিষ্ঠদের সহায়তায় ব্যাংক লুটপাটে তদারকি করেছেন।”

গণঅভ্যুত্থান দমাতে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার বিচারের রায়ের দিন ঘনিয়ে আসায় ১০ থেকে ১৩ নভেম্বর বিক্ষোভের কর্মসূচি দিয়েছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ।

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যাপারে রাজনৈতিক দলগুলোকে শক্ত অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন শফিকুল আলম। তিনি বলেন, ‘‘শেখ হাসিনার ব্যাপারে সবাইকে স্পষ্ট বক্তব্য দিতে হবে। শেখ হাসিনা আজকেও বলেছেন, জুলাইয়ের আন্দোলনকারী সবাই সন্ত্রাসী। ১৮ কোটি মানুষকে সন্ত্রাসী বলে ক্ষমতায় আসতে চায় আওয়ামী লীগ।

প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে মূলত চারটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়-নির্বাচনকালীন পদায়ন, ট্রেনিং, নিরাপত্তা ইস্যু এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ডিসইনফরমেশন মনিটরিং।

“সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য দেশ-বিদেশ থেকে পরিকল্পিতভাবে ছড়ানো মিসইনফরমেশন, ডিসইনফরমেশন ও ফেক নিউজ (বিশেষ করে এআই-জেনারেটেড ছবি ও ভিডিও) মোকাবিলায় জোর দেওয়া হয়েছে।”

একই সঙ্গে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সংশ্লিষ্ট অর্থসংক্রান্ত কয়েকটি আইন সংস্কারের প্রস্তাবও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।