
আর্কটিক অঞ্চলের গলতে থাকা বরফ এক নতুন ভূরাজনীতির ছক সামনে আনছে। যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া–সবাই চায় এর দখল নিতে, কীন্তু কে জিতবে? আর্কটিকের এই রাজনীতির সাথেই কি জড়িয়ে আছে ভেনেজুয়েলার বিষয়টি? পশ্চিম গোলার্ধের দখল কেন চাইছে যুক্তরাষ্ট্র? এ নিয়ে চরচার ধারাবাহিক ভূরাজনীতির খেল…

ভূরাজনীতির খেল: পর্ব ১
‘উইন্টার ইজ কামিং’–কী পরিচিত লাগছে? ‘গেম অব থ্রোনস’-এর ভক্তকূল নিশ্চয় চিনতে পারছেন? অনেক দৃশ্য নিশ্চয় মনে আসছে? আসাটাই স্বাভাবিক। উইন্টারফলের সবচেয়ে উচ্চারিত সতর্কবার্তা এটি। তারপর তো কত জল গড়াল। সত্যি সত্যি ক্ষমতার দ্বন্দ্ব যখন তুঙ্গে উঠল দর্শকদের কাছে ধীরে স্পষ্ট হলো–শীতের আগমন বার্তা কেন সতর্ক সং

আমেরিকাকে দেওয়া এক কঠোর সতর্কবার্তায় রাশিয়া বলেছে , ইরানে নতুন করে সামরিক হামলার হুমকি একেবারেই অগ্রহণীয়। এছাড়া তেহরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে তথাকথিত বিধ্বংসী বাহ্যিক হস্তক্ষেপের তীব্র সমালোচনাও করেছে দেশটি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

চীন সরকার দ্রুত এই অভিযানের নিন্দা জানালেও এর বিস্তারিত বিবরণ এবং এ নিয়ে আলোচনা অনলাইনে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। কট্টর জাতীয়তাবাদী মন্তব্যের পাশাপাশি একটি সাধারণ প্রশ্নও বারবার উঠে এসেছে–এটি কি তাইওয়ানে চীনা হামলার একটি ব্লু-প্রিন্ট বা টেমপ্লেট হতে পারে?

বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণী
সবচেয়ে আতঙ্কিত ভবিষ্যদ্বাণীর একটি, ২০২৬ সালেই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হবে। বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় চীন-তাইওয়ান উত্তেজনা, রাশিয়া-আমেরিকা সংঘাত এবং ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এই পূর্বাভাস নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

দক্ষিণ আফ্রিকার উপকূলে সম্প্রতি শুরু হওয়া এক বিশাল নৌমহড়া ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা জল্পনা। ‘এক্সারসাইজ উইল ফর পিস ২০২৬’ নামের এই মহড়ায় অংশ নিয়েছে চীন, রাশিয়া ও ইরান। দক্ষিণ আফ্রিকা এই উদ্যোগকে ব্রিকস প্লাস দেশগুলোর মধ্যে সামুদ্রিক সহযোগিতা জোরদার করার একটি প্রচেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করেছে।

দক্ষিণ আফ্রিকা এই মহড়াকে শুধুমাত্র ‘শান্তির জন্য মহড়া’ এবং দক্ষিণ গোলার্ধের জলসীমায় নিরাপত্তা বৃদ্ধির উদ্যোগ হিসেবে দেখলেও, সমালোচকরা একে পশ্চিমা দেশগুলোর বিরুদ্ধে ব্রিকস জোটের একটি শক্তি প্রদর্শন হিসেবেই দেখছেন।

ফরেন পলিসির নিবন্ধ
ট্রাম্প প্রশাসনের লক্ষ্য যেন আমেরিকাকে পুতিনের রাশিয়ার মতো বানানো–একটি আক্রমণাত্মক রাষ্ট্র, যা খোলাখুলিভাবে নিজের স্বার্থই অনুসরণ করে। মিলার ঠিকই বলেছেন, ইতিহাসের বড় অংশজুড়ে শক্তিশালীরা এমনভাবেই আচরণ করেছে। কিন্তু ব্যতিক্রম ছিল আমেরিকা।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈশ্বিক দর্শনে ‘গায়ের জোরই সব’—এই নীতি আমেরিকার জন্য শেষ পর্যন্ত আশীর্বাদ নাকি অভিশাপ হয়ে দাঁড়াবে, তা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক ভেনেজুয়েলা অভিযান এই প্রশ্নকে আরও ঘনীভূত করেছে।

আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা জগৎ এখন অনেক বদলে গেছে, কিন্তু এই দুজনের ঘটনার তাৎপর্য এখনও রয়ে গেছে। এজন্য এই জগতে এই দুজন বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে আছেন।

আমেরিকার মিত্র ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি মনে করেন, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন সেনারা যেভাবে তুলে নিয়েছে। ঠিক তেমনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকেও তুলে আনা উচিত। জেলেনস্কির এ বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল মার্কিন প্রেসিডেন্টকে। ট্রাম্প মনে করেন, পুতিনের

দীর্ঘদিনের মিত্র ডেনমার্কের কাছ থেকে গ্রিনল্যান্ড দখল ন্যাটো জোটের মধ্যে তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি করবে এবং ট্রাম্পের সঙ্গে ইউরোপীয় নেতাদের দূরত্ব আরও বাড়িয়ে দেবে। এমনকি ফ্রেডেরিকসেন এই মর্মে সতর্কবাণীও দিয়েছেন যে, গ্রিনল্যান্ড দখল ন্যাটো বিলুপ্তির কারণ হতে পারে।

এটা আর শুধু ভেনেজুয়েলা নিয়ে নয়। এটা হলো–কে নিয়ন্ত্রণ করবে বিশ্বের তেলের সমুদ্রপথ ও বাণিজ্য পথ। আর এই মুহূর্তে আমেরিকা বলছে–আমরাই করি, আমরাই করব। গোলটা ওখানেই।

এবারের হামলাটি হয়েছে পশ্চিম ইউক্রেনের এলভিভ অঞ্চলে, যার সীমান্ত ন্যাটো সদস্য দেশ পোল্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত। ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে একটি ‘বৈশ্বিক হুমকি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

এবারের হামলাটি হয়েছে পশ্চিম ইউক্রেনের এলভিভ অঞ্চলে, যার সীমান্ত ন্যাটো সদস্য দেশ পোল্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত। ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে একটি ‘বৈশ্বিক হুমকি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

রাশিয়া থেকে তেল বা ইউরেনিয়াম কিনলে ৫০০% পর্যন্ত শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে আমেরিকা । রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম এই বিল আনছেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সম্মতি পাওয়া গেছে বিলে। এই বিল আইনে পরিণত হলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে ভারত, তারপর ব্রাজিল।

রাশিয়া থেকে তেল বা ইউরেনিয়াম কিনলে ৫০০% পর্যন্ত শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে আমেরিকা । রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম এই বিল আনছেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সম্মতি পাওয়া গেছে বিলে। এই বিল আইনে পরিণত হলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে ভারত, তারপর ব্রাজিল।

ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে রাশিয়ার ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়াতে কঠোর পদক্ষেপের পথে যুক্তরাষ্ট্র। রাশিয়ার কাছ থেকে তেল ও ইউরেনিয়াম কেনা দেশগুলোর ওপর সর্বোচ্চ ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত আমদানি শুল্ক আরোপের বিলে সম্মতি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে রাশিয়ার ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়াতে কঠোর পদক্ষেপের পথে যুক্তরাষ্ট্র। রাশিয়ার কাছ থেকে তেল ও ইউরেনিয়াম কেনা দেশগুলোর ওপর সর্বোচ্চ ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত আমদানি শুল্ক আরোপের বিলে সম্মতি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।