
গণতন্ত্র ছাড়া বাংলাদেশের মুক্তি বা সম্প্রীতি অর্জন সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “সেই দিক দিয়ে রাজনীতি একটি ভালো দিক আমি লক্ষ্য করেছি । এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সচেতনতা বেড়েছে। গণতন্ত্রের প্রতি তাদের ঐকান্তিক আগ্রহ বেড়েছে। এটি বাংলাদেশকে অনেক এগিয়ে নিয়ে যাবে।”

বাংলাদেশের জ্বালানি নীতি এখন বড় মোড়ের মুখে দাঁড়িয়ে। ভোলার গ্যাস ব্যবহার নিয়ে চলমান বিতর্ককে আমরা তুলনা করেছি পাকিস্তানের অভিজ্ঞতার সঙ্গে। ভিডিওতে দেখবেন—ভোলার গ্যাস ঢাকায় আনার সম্ভাব্য খরচ। ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের দীর্ঘমেয়াদী সুবিধা কী? পাকিস্তানের ভুল থেকে কী শিখতে পারে বাংলাদেশ?

সার্বিকভাবে, ভোলার গ্যাস এলএনজি আকারে রাজধানীতে আনার চেয়ে স্থানীয়ভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন বা পাইপলাইন স্থাপন করা অর্থনৈতিকভাবে বেশি লাভজনক হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো। এখন দেখার বিষয়, বিইআরসি ও সরকার বিপিডিবির এই ৯৩০ কোটি টাকা সাশ্রয়ের প্রস্তাবকে কতটা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে।

ভোলার গ্যাস এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) আকারে দেশের মূল ভূখণ্ডে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে পরিবহন খরচ নির্ধারণের লক্ষ্যে গণশুনানি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। আজ মঙ্গলবার এই শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।